আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

মোস্তফা – হাকিম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান

মোঃ আব্দুর রহিম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

.

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত এইচ.এম ষ্টীল, এইচ.এম. সেকশান স্টীল, এইচ.এম. অক্সিজেন ও মোস্তফা হাকিম ব্রিকস এবং আলহাজ¦ মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। আনোয়ারা উপজেলাধীন ডাঙ্গারচরে অবস্থিত অত্র কারখানাগুলো ৩ মার্চ ২০২৪ দুপুরে পরিদর্শন করেন মান্যবর হাই কমিশনার। তিনি, তাঁর স্ত্রী ম্যাডাম সুরাইয়া হাজী সালেহ ও হাইকমিশনের প্রথম সচিব রোজাইমি আবদুল্লাহসহ অত্র ইন্ডাষ্ট্রীতে পৌঁছালে মোস্তফা হাকিম গ্রুপের চেয়ারম্যান/ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম, এইচ এম স্টিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, পরিচালক আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম, নির্বাহী পরিচালক সামশুদোহা, জেনারেল ম্যানেজার বোরহান উদ্দিন আহমেদ ও প্রধান প্রকৌশলী এয়াকুব নবীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ তাঁদের স্বাগত জানান। পরে মান্যবর হাইকমিশনার এইচ. এম ষ্টীল, এইচ.এম. সেকশান স্টীল, এইচ.এম. অক্সিজেন ও মোস্তফা হাকিম ব্রিকস-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং উৎপাদিত পণ্যের গুনগত মানের বিষয়ে সম্যক ধারণা নেন। সকালে মান্যবর হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান, তাঁর স্ত্রী ম্যাডাম সুরাইয়া হাজী সালেহ ও হাইকমিশনের প্রথম সচিব রোজাইমি আবদুল্লাহকে মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় এর পক্ষ থেকে দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা মিলনায়তনে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। মানবর হাইকমিশনার, তাঁর স্ত্রী ও সচিব অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হলে তাদেরকে সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম শিক্ষানুরাগী আলহাজ¦ মোহাম্মদ সরোয়ার আলমসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানে মান্যবর হাইকমিশনার, তাঁর স্ত্রী এবং প্রথম সচিব-কে ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে অত্র কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম আলহাজ¦ মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ¦ হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত ১০৩টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম মান্যবর হাইকমিশনারকে অবহিত করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন প্রফেসর লায়লা নাজনিন রব। সংবর্ধিত অতিথি মান্যবর হাইকমিশনার হাজী হারিস বিন ওসমান সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম এর মানবকল্যান ও ধর্মীয় কার্যক্রমের ভুয়সি প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তিনি তার শিল্পকারখানায় গুণগত মানসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের বিষয়টিকে কর্মসংস্থানের এক মহান উদ্যোগ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের মানব সেবার দৃষ্টান্ত বিরল। মান্যবর হাইকমিশনার তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের দ্রুত উন্নয়নেরও প্রশংসা করেন। তিনি দ্বিপাক্ষিক সুসম্পর্ক অটুট রাখতে সরকারকে এবং বেসরকারী উদ্যোক্তাদের সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়াও তিনি এইচ.এম ষ্টীল এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিসহ শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনকালে বেসরকারী শিল্প উদ্যোগের ব্যাপক প্রসারে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সভাপতির বক্তব্যে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম মান্যবর রাষ্ট্রদুতের অবগতির জন্য বলেন যে, তাদের সকল কার্যক্রম আল্লাহ ও রাসুলের সন্তোষ্টি বিধানের জন্য পরিচালিত হচ্ছে। তাদের ১০৩ টি সেবা ধর্মী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার আলোতে আলোকিত মানুষ গড়া সহ ধর্মীয় কাজে সহযোগীতা দেয়া হচ্ছে। তিনি ব্রুনাই দারুস সালামের হাইকমিশনারের প্রশংসা করে তাঁর শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করায় সাধুবাদ জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে এলেন নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহ প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বিগত সময়ের নানা অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নী দূর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলা করে বন্দরের নানা যুগোপযুগি সংস্কার করেছেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইম হ্রাস, ডুয়েল টাইম হ্রাস, পোর্ট লিমিট বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, ডিজিটাইজেশন, ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক আইএসপিএস এর জিরো অবজারভেশন প্রভৃতি বিষয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে আরো জানান যে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যি হাবে পরিনত হবে যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে । এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে । চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানীকৃত রেফার কন্টেইনার সংরক্ষনে কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তাছাড়া বন্দরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা থাকার কারনে বন্দরে নির্বিঘ্নে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মর্মে মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরো দক্ষ, অধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে বন্দর কেন্দ্রিক বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকে রপ্তানীকৃত পণ্য খালাস কাজে চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগিত কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধিদলেরে Micheal Pennell, Economic Unit Chief, Paul Frost, Commercial Counselor, Firoze Ahmed, Political Specialist, Asif Ahmed, Economic Specialist চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ ওমর ফারুক ও সচিব মোহাম্মদ আজিজুল মওলাসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

নতুন প্রজন্মের হাত ধরে কাঙ্খিত সাফল্যের বন্দরে নোঙর করতে পারবো : মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা অনেকদূর এগিয়ে এসেছি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসন) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেছেন, মোবাইলে স্ক্রলিং করছিলাম। দেখলাম একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী অভিযোগ করছেন, তোমরা বিনিয়োগ বিনিয়োগ করো, বিনিয়োগের জন্য রোড শো করো।

সোমবার রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউতে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসের সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা করেন। এ সময় তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যখন অনুকূল পরিবেশ পাবেন তখন তাঁরা আমাদের অ্যাম্বাসাডর হবেন বলেও মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা অনেকদূর এগিয়ে এসেছি। আমরা এগোচ্ছি, এটাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমার মনে হয় যে গতিতে এগোনোর কথা সেটা পারছি না। তাই সিরিয়াস হতে হবে। আমি আশাবাদী, নতুন প্রজন্ম আমাদের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ। আমি আশা করি, তাদের হাত ধরে আমাদের কাঙ্খিত সাফল্যের যে বন্দর তাতে নোঙর করতে পারবো। জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবো।

সহকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি পাবলিক ট্রাস্ট ও কনফিডেন্ট অর্জন করতে না পারে, আমরা যদি জনগণের আস্থা, বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা অর্জন করতে না পারি তাহলে আমাদের অস্তিত্ব প্রশ্নের সম্মুখীন হবে। তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় অধিকতর দায়িত্বশীল, দেশপ্রেমিক হতে হবে।

পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গ খাপ খাইয়ে উন্নয়নের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে হবে। মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে হবে। যারা সেবা দিচ্ছি, যারা নিচ্ছেন সবাই দেশের নাগরিক। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যদি আমরা কাজ করি, হৃদয়ে ধারণ করি হৃদয়ঙ্গম করি তাহলে আমরা উন্নত দেশ হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

অতন্দ্র প্রহরা আর দৃঢ় অঙ্গীকারে দেশের সুরক্ষায় বাংলাদেশ কাস্টমস’ প্রতিপাদ্যে এবার কাস্টমস দিবস উদযাপিত হচ্ছে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. মো. নেয়ামুল ইসলাম। প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশ কাস্টমসের কার্যক্রমের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কাস্টমস বন্ড কমিশনার মো. মাহফুজুল হক ভূঞা বলেন, ২২ বছর কাস্টমস ও ভ্যাটে চাকরি করছি। শিল্পোদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারীদের কাছে সময় গুরুত্বপূর্ণ। বন্দরে আমদানি পণ্য পড়ে থাকা মানে ডেমারেজ। ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ, আপনাদের স্টাফদের আইনি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন। তাহলে আর সময়ক্ষেপণ হবে না।

চট্টগ্রামের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার শেখ আবু ফয়সাল মো. মুরাদ বলেন, আমি যে চেয়ারে বসেছি তার বিপরীতে যিনি বসেছেন তিনি আমার চেয়ারেও বসতে পারতেন। সেটি বিবেচনায় নিয়ে কাজ করলে সমস্যা থাকে না। মাইন্ডসেট চেঞ্জ করতে হবে।

কক্সবাজার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মো. ফজলুল হক বলেন, কাস্টমসের মূল কাজ ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন। এনবিআর অটোমেশনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এবার আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল হয়েছে। আমার অনুরোধ, সবাই সঠিক কাজটি করবো।

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-১ এর কমিশনার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, কাস্টমস রাজস্ব আহরণের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ করে। বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজ। তাই বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাস্টমসের সক্ষমতা বাড়াতে হবে, সমৃদ্ধ করতে হবে।
চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবিদা সুলতানা বলেন, আশা করি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কাস্টমস সেবা আরও বিস্তৃত হবে। নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টেশন আয়োজন করতে হবে। রপ্তানিতে নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে চাই আমরা।

স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ শফি উদ্দিন বলেন, কাস্টমস বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন আর্থসামাজিক প্রতিষ্ঠান। এটি বর্ডার ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান। মানি লন্ডারিং বন্ধে কাস্টমসের ভূমিকা দৃঢ় হচ্ছে। ই অকশন কার্যক্রম গতিশীল করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়নে কাস্টমস নিরন্তর কাজ করছে। জাতীয় সুরক্ষায় কাজ করছে কাস্টমস।

সভাপতির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উদযাপন আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক ও কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট (আপিল) কমিশনার আবুল বাসার মো. শফিকুর রহমান বলেন, কাস্টমসকে জাতীয় ও সমাজের সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হয়। অন্যান্য দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয় আমাদের ব্যবসায়ীদের। তাই সময়টা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সর্বোত্তম চেষ্টা করবো দেশের উন্নয়নের জন্য। এ দেশকে ভালোবাসতে হবে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ