আজঃ শুক্রবার ১৫ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর সল্টগোলা ক্রসিংয়ে চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ট্রাফিক কন্সটেবলের পিটুনিতে যাত্রী আহত

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ট্রাফিক সার্জেন্ট ও কন্সটেবলদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় গাড়ীর কাগজপত্র তল্লাশীর নামে চাঁদাবাজি ও হয়রানির মতো অভিযোগ উঠে আসলেও এবার খোদ পাঠাও মোটর সাইকেলের চালককে গাড়ীর কাগজপত্র তল্লাশীর নামে চাঁদাবাজি ও হয়রানির করাকালীন সময়ে পাঠাও গাড়ীতে অবস্থানরত যাত্রী ঘটনার প্রতিবাদ জানালে এ সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা পাঠাও গাড়ীতে যাত্রীরত অবস্থায় চট্টগ্রামের অলংকার থেকে ইপিজেডগামী গার্মেন্টস্ সুপারভাইজার সাখাওয়াত হোসেন রবিন উক্ত দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফাকে কি কারণে গাড়ী তল্লাশী করা হলো পরবতীর্তে কেনইবা গাড়ীতে যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিনের কাছে ১ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হলো।

বিষয়টি নিয়ে ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা ও গার্মেন্টস্ সুপারভাইজার রবিনের সাথে কথাকাটাকাটির এক পযার্য়ে বন্দর ডিসি ট্রাফিক বিভাগের সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা আজ ৪ মার্চ ২০২৪ ইং তারিখে বিকাল আনুমানিক ৪.৩০ মিনিটের সময় পাঠও মোটর সাইকেলে আরোহিত যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিনের উপর চড়াও হয়ে তাকে কিলঘুষি তাপ্পড় মেরে মুখে রক্তাক্ত করে তাকে মারাত্œক ভাবে জখম করে দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা।

এ বিষয়ে আহত যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিন দৈনিক আজকালের দর্পণ ও জে বাংলা নিউজ ২৪.ডটকমকে বলেন; দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা অযৌক্তিকভাবে আমার কাছে ১ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে আমাকে বলে আমি নাকি তার সাথে বেয়াদবী করেছি। আমি কিসের বেয়াদবী করলাম, রাস্তায় যানজট দেখে আমাদের গাড়ী ধীরগতিতে আসছিল তখন দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা গাড়ী সিগনাল দিলে আমি গাড়ী বসা পাঠাও চালক গাড়ীটি তখন ঘটনাস্থলে দাঁড় করিয়ে ফেলে।

এক পযার্য়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা গাড়ীটিকে কাগজপত্র ঠিক নেই বলে মিথ্যা অযৌক্তিক দাবী করে তল্লাশী করলে এ সময় গাড়ীর যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিন বলেন; ভাই আমার তাড়া আছে মেডিকেলে যেতে হবে দ্রুত— আমার তাড়া আছে, রাস্তায় প্রচুর জ্যাম পড়েছে আমাদের ছেড়ে দিন। এ কথা বলার পর দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা তখন বলেন বেশী তাড়া যখন আছে তখন ১ হাজর টাকা দে; ছেড়ে দিব।

তখন যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন কেন আপনাকে ১ হাজার টাকা দেব জানতে চাইলে, চোখ রাঙিয়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা গাড়ীতে বসা ইপিজেডের গার্মেন্টস্ সুপারভাইজার সাখাওয়াত হোসেন রবিনের মুখের উপর কিলঘুষি তাপ্পড় মেরে তাকে মারাত্নক ভাবে রক্তাক্ত করে জখম করে। পরবতীর্তে আহত গার্মেন্টস্ যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিন ঘটনাস্থল থেকে চলে এসে মায়ের চিকিৎসা না করে নিজের চিকিৎসা নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।

এ বিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন রবিন অভিযোগ করে আরো বলেন; আমি বিষয়টি ডিসি ট্রাফিক সিএমপি পুলিশ কমিশনারসহ ট্রাফিক বিভাগে উচ্চ পদস্থ কর্মকতার্দের কাছে এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়ে অভিযুক্ত দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা আইনানুগ শাস্তি কামনা করছি।

এদিকে, অভিজ্ঞ মহলের ধারণা প্রায় সময় প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফাসহ বেশ কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশের কাগজপত্র তল্লাশীর নামে যাত্রী হয়রানির গুরুত্বর অভিযোগ উঠে আসলেও এর কোন সুরাহা ভুক্তভোগী জনগণ পাচ্ছে না।

ট্রাফিক পুলিশের এহেন হয়রানির কারণে সড়কে যানজট ও মারাত্নক সড়ক দূর্ঘটনা প্রধান কারণ বলে দাবী করেছেন অভিজ্ঞ মহল। অতি দ্রুত ট্রাফিক পুলিশের যাত্রী হয়রানি ও তল্লাশির নামে চাঁদাবাজির বন্ধের জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সচেতন মহল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে ফুসকা তৈরি, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ফুসকা তৈরির দায়ে নগরের তিন ফুসকা কারখানাকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার নগরের এনায়েত বাজারের গোয়ালপাড়া এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা।

অভিযানে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে ভাঙ্গা ফ্লোরে নিম্নমানের আটা ময়দার সাথে কুড়া ভুষি মিশিয়ে ফুসকা তৈরির অপরাধে সাহেদ ফুসকা কারখানাকে ২০ হাজার টাকা, নুর নবী ফুসকা কারখানাকে ১৫ হাজার টাকা ও ভাই ভাই ফুসকা কারখানাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভারের রেলিংয়ে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের সাগরিকা এলাকায় ফ্লাইওভারের রেলিং থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গভীর রাতে বিএসআরএম ডিপোসংলগ্ন ফ্লাইওভার থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম কাউসার আহমেদ বলে জানিয়েছে পুলিশ।ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে একে পরিকল্পিত হত্যা এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার ঘটনা বলে দাবি করা হয়। তবে পুলিশ এসব তথ্যকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে।

পুলিশ বলছে, নিহত ব্যক্তি বিএসআরএমে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ওই যুবক মাদকাসক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক হতাশায় ভুগছিলেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলেই ধারণা করছে পুলিশ।
পাহাড়তলী থানা-পুলিশ জানায়, স্থানীয় লোকজনের খবরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পাহাড়তলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমান বলেন, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দাবি, কাউসার আহমেদ আকবর শাহ থানা ছাত্রলীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক। তাদের অভিযোগ, ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এছাড়া থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত একটি শোকবার্তায় তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ