আজঃ রবিবার ২৮ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর সল্টগোলা ক্রসিংয়ে চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় ট্রাফিক কন্সটেবলের পিটুনিতে যাত্রী আহত

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ট্রাফিক সার্জেন্ট ও কন্সটেবলদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় গাড়ীর কাগজপত্র তল্লাশীর নামে চাঁদাবাজি ও হয়রানির মতো অভিযোগ উঠে আসলেও এবার খোদ পাঠাও মোটর সাইকেলের চালককে গাড়ীর কাগজপত্র তল্লাশীর নামে চাঁদাবাজি ও হয়রানির করাকালীন সময়ে পাঠাও গাড়ীতে অবস্থানরত যাত্রী ঘটনার প্রতিবাদ জানালে এ সময় ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা পাঠাও গাড়ীতে যাত্রীরত অবস্থায় চট্টগ্রামের অলংকার থেকে ইপিজেডগামী গার্মেন্টস্ সুপারভাইজার সাখাওয়াত হোসেন রবিন উক্ত দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফাকে কি কারণে গাড়ী তল্লাশী করা হলো পরবতীর্তে কেনইবা গাড়ীতে যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিনের কাছে ১ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হলো।

বিষয়টি নিয়ে ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা ও গার্মেন্টস্ সুপারভাইজার রবিনের সাথে কথাকাটাকাটির এক পযার্য়ে বন্দর ডিসি ট্রাফিক বিভাগের সল্টগোলা ক্রসিং এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা আজ ৪ মার্চ ২০২৪ ইং তারিখে বিকাল আনুমানিক ৪.৩০ মিনিটের সময় পাঠও মোটর সাইকেলে আরোহিত যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিনের উপর চড়াও হয়ে তাকে কিলঘুষি তাপ্পড় মেরে মুখে রক্তাক্ত করে তাকে মারাত্œক ভাবে জখম করে দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা।

এ বিষয়ে আহত যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিন দৈনিক আজকালের দর্পণ ও জে বাংলা নিউজ ২৪.ডটকমকে বলেন; দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা অযৌক্তিকভাবে আমার কাছে ১ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে আমাকে বলে আমি নাকি তার সাথে বেয়াদবী করেছি। আমি কিসের বেয়াদবী করলাম, রাস্তায় যানজট দেখে আমাদের গাড়ী ধীরগতিতে আসছিল তখন দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা গাড়ী সিগনাল দিলে আমি গাড়ী বসা পাঠাও চালক গাড়ীটি তখন ঘটনাস্থলে দাঁড় করিয়ে ফেলে।

এক পযার্য়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা গাড়ীটিকে কাগজপত্র ঠিক নেই বলে মিথ্যা অযৌক্তিক দাবী করে তল্লাশী করলে এ সময় গাড়ীর যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিন বলেন; ভাই আমার তাড়া আছে মেডিকেলে যেতে হবে দ্রুত— আমার তাড়া আছে, রাস্তায় প্রচুর জ্যাম পড়েছে আমাদের ছেড়ে দিন। এ কথা বলার পর দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা তখন বলেন বেশী তাড়া যখন আছে তখন ১ হাজর টাকা দে; ছেড়ে দিব।

তখন যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন কেন আপনাকে ১ হাজার টাকা দেব জানতে চাইলে, চোখ রাঙিয়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা গাড়ীতে বসা ইপিজেডের গার্মেন্টস্ সুপারভাইজার সাখাওয়াত হোসেন রবিনের মুখের উপর কিলঘুষি তাপ্পড় মেরে তাকে মারাত্নক ভাবে রক্তাক্ত করে জখম করে। পরবতীর্তে আহত গার্মেন্টস্ যাত্রী সাখাওয়াত হোসেন রবিন ঘটনাস্থল থেকে চলে এসে মায়ের চিকিৎসা না করে নিজের চিকিৎসা নিয়েই ব্যস্ত থাকেন।

এ বিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন রবিন অভিযোগ করে আরো বলেন; আমি বিষয়টি ডিসি ট্রাফিক সিএমপি পুলিশ কমিশনারসহ ট্রাফিক বিভাগে উচ্চ পদস্থ কর্মকতার্দের কাছে এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চেয়ে অভিযুক্ত দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফা আইনানুগ শাস্তি কামনা করছি।

এদিকে, অভিজ্ঞ মহলের ধারণা প্রায় সময় প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত দায়িত্বরত ট্রাফিক কন্সটেবল মোস্তফাসহ বেশ কয়েকজন ট্রাফিক পুলিশের কাগজপত্র তল্লাশীর নামে যাত্রী হয়রানির গুরুত্বর অভিযোগ উঠে আসলেও এর কোন সুরাহা ভুক্তভোগী জনগণ পাচ্ছে না।

ট্রাফিক পুলিশের এহেন হয়রানির কারণে সড়কে যানজট ও মারাত্নক সড়ক দূর্ঘটনা প্রধান কারণ বলে দাবী করেছেন অভিজ্ঞ মহল। অতি দ্রুত ট্রাফিক পুলিশের যাত্রী হয়রানি ও তল্লাশির নামে চাঁদাবাজির বন্ধের জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সচেতন মহল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফরিদপুরে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে মেয়ের স্বামী গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফরিদপুর জেলার সদরপুরে শাশুড়িকে একা পেয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মেয়ের স্বামীর বিরুদ্ধে । ওসি মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ্ অপরাধীকে
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শাশুড়ি ‌(৪২) নিজ বাড়িতে একা অবস্থান করছিলেন। এ সময় তার একমাত্র মেয়ের স্বামী বিপ্লব মাতুব্বর (২৫) ঘরের দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ভুক্তভোগী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে সদরপুর থানার জরুরি ডিউটি অফিসার এসআই (নি.) মো. আশরাফুল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করেন।সদরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ বলেন- অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
প্রতিকি ছবি :সংগৃহীত –

চট্টগ্রামে মা-মেয়ে হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে আসামি একজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা মামলায় গ্রেফতার তেজপ্রিয় বড়ুয়া রিমনকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। সাক্ষী করা হয়েছে ২২ জনকে। ঋণের টাকা নিয়ে মতবিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিলের আরেকটি নজির সৃষ্টি হয়েছে। আনোয়ারায় এই মা-মেয়ে হত্যা মামলার তদন্ত মাত্র ১০ দিনে শেষ করে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। এর আগে নগরীর বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণের মামলা মাত্র ১৩ দিনে তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দিয়েছিল পুলিশ।

আনোয়ারা থানার ওসি মোহাম্মদ জুনায়েত চৌধুরী জানালেন, গত বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম আদালতে জেলা পুলিশের প্রসিকিউশন শাখায় তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক জুয়েল অভিযোগপত্র জমা দেন।
এর আগে গত ১৩ জুন আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের পূর্ব কন্যারা গ্রামের বড়ুয়াপাড়ায় ছুরি মেরে মা-মেয়েকে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন এনি বড়ুয়া (৪০) ও তার মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। আহত হয় এনির ছেলে পিয়াস বড়ুয়া (৫)। ঘটনার সময় এনির স্বামী সুজন বড়ুয়া কর্মস্থলে ছিলেন। নগরীর খাতুনগঞ্জে একটি ভবনের নিরাপত্তাপ্রহরী হিসেবে কর্মরত তিনি।
সুজনের বাড়ি ও আসামি তেজপ্রিয়র বাড়ি পাশাপাশি। দুজন সম্পর্কে চাচাতো ভাই। ঘটনার পরদিন ১৪ জুন রাতে তেজপ্রিয়কে পুলিশ পটিয়া থেকে গ্রেফতার করে। হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন তিনি।
পুলিশের ভাষ্য, আসামির স্বীকারোক্তি ও নিহত এনি বড়ুয়ার মৃত্যুকালীন জবানবন্দির ভিডিও, ময়নাতদন্ত ও

মেডিকেল প্রতিবেদন এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩০৭ ও ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে৷অভিযোগপত্রে হত্যার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, অটোরিকশা কেনার জন্য সুজন বড়ুয়ার কাছ থেকে সুদে ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন তেজপ্রিয়। ওই ঋণের বিপরীতে স্বাক্ষর করা একটি স্ট্যাম্প এনি বড়ুয়ার কাছে সংরক্ষিত ছিল। ঋণ পরিশোধ নিয়ে সুজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়।
এর জেরে স্ট্যাম্পটি এনির কাছ থেকে নিয়ে ঋণের প্রমাণ নষ্ট করতে চেয়েছিলেন তেজপ্রিয়। স্ট্যাম্প নিতে বাধা দেওয়ায় এনি ও প্রিয়ন্তীকে হত্যা করা হয়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ