আজঃ মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

ওয়েল পার্কের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম সিআইপি

মানুষের কল্যানের কথা মাথায় রেখে ব্যবসা পরিচালনা করে ওয়েল গ্রুপ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মানুষের কল্যানের কথা মাথায় রেখে
ব্যবসা পরিচালনা করে ওয়েল গ্রুপ। ৭মার্চ ওয়েল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হোটেল ওয়েল পার্ক রেসিডেন্সের এর ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নানান কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়। কেক কেটে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন ওয়েল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম সিআইপি।
এ উপলক্ষে হোটেল ওয়েল পার্ক রেসিডেন্স এর সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি জাতিগত কল্যানের চিন্তা মাথায় রেখে ব্যবসায় পরিচালনা করে আসছে ওয়েল গ্রুপ। ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক বৈচিত্রের দিক থেকে চট্টগ্রাম এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর। গোটা দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হল চট্টগ্রাম বন্দর। বাণিজ্যিক গুরুত্ব সম্পন্ন ও পর্যটন সম্ভাবনার চট্টগ্রামের একসময় বদনাম ছিল এখানে পর্যটকদের জন্য ভালমানের থাকার হোটেল ও ভাল মানের খাবারের অপর্যাপ্ততা। এ বদনাম ঘোচাতে ওয়েল গ্রুপ পরিচালিত হোটেল ওয়েল পার্ক ও ওয়েল ফুড অনন্য ভূমিকা রেখেছে। এতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামকে বিশ্ব বানিজ্যের হাব হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন। এজন্য চট্টগ্রামকে সকল সুবিধা সম্পন্ন স্মার্ট শহরে পরিনত করতে হবে। স্মার্ট চট্টগ্রামের স্বপ্ন যাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে ওয়েল গ্রুপ। সভা শেষে গান, কৌতক ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
ওয়েল পার্কের জেনারেল ম্যানেজার এম এ মনছুর এর সভাপতিত্বে ও আবু কাইয়ুমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মামুন আল রশীদ, রানা কুমার মজুমদার, মেজবাহ উদ্দিন, রেজুয়ানুল ইসলাম, মোরশেদ উল আলম, আব্দুল মাবুদ, তানজির আমীর, বিশ্বনাথ দাস, আলী নওশাদ পারভেজ, সিরাজুল হক পারভেজ, জিয়া উদ্দিন, মো. আরিফ প্রমুখ

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চান্দগাঁও থানার নতুন দুই মামলায় গ্রেফতার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেফতার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আদেশ দিয়েছেন আদালত। চান্দগাঁও থানার নতুন দুই মামলায় সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা আদালত এ আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সংশ্লিষ্ট মামলায় দুই মামলায় সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় আসামিরা কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
এর আগে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ এবং তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নার বিরুদ্ধে দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নগরের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলায় শহীদ ফজলে রাব্বী নিহত হন। এ ছাড়া নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর বাড়ির সামনে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রী তামান্নার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

এসব মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফজলে রাব্বী হত্যা মামলায় খোরশেদ নামের আরও এক আসামিকেও গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। বর্তমানে সাজ্জাদ সিলেট কারাগারে এবং তামান্না ফেনী কারাগারে বন্দী আছেন। গত ১৫ মার্চ ঢাকা থেকে ‘ছোট সাজ্জাদকে’ গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পরে তার স্ত্রী তামান্না ‘কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়ে আদালত ও জামিন’ কিনে নেওয়ার কথা বলে দেশের আইন ও নিরাপত্তা সংস্থাকে অপমান করেন। তার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) ভাইরাল হয়।

ভিডিওটিতে তামান্নাকে বলতে শোনা যায়, আমরা কাঁড়ি কাঁড়ি, বান্ডিল বান্ডিল টাকা ছেড়ে আমার জামাইকে নিয়ে আসব। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’ গত ১০ মে নগরের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ‘ছোট সাজ্জাদের’ স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

কুতুবদিয়ায় ছোটন চেয়ারম্যানের ১০০ কর্মদিবস উদযাপন ! উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণে (১৫ ডিসেম্বর) ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ায় কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে পরিষদ কার্যালয় বর্ণিল সাজে সাজানো হয় এবং সন্ধ্যায় আনন্দঘন পরিবেশে কেক কেটে ১০০কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য যথাক্রমে মাহাবুব আলম, মোঃ জামাল হোসেন, মো: সালাহ উদ্দিন, মো: আজিজুল হক, রেজাউল করিম ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ কর্মদিবস উপলক্ষে ইউনিয়নজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তার গৃহীত নানা উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই চেয়ারম্যান ছোটন ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছেন। বিশেষ করে রাস্তা সংস্কার, অসহায় ও দুস্থদের সহায়তা প্রদান এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত সমাধানে তার আন্তরিকতা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন বলেন, “এই ১০০ দিনে আমি চেষ্টা করেছি জনগণের পাশে থাকতে এবং ইউনিয়নকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী এলাকায় রূপ দিতে। আগামীতেও বড়ঘোপ ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই।”

এলাকাবাসী জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রতি নতুন আশার সঞ্চার করেছে। চেয়ারম্যান ছোটনের এই কার্যক্রম বড়ঘোপ ইউনিয়নের উন্নয়ন যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ