আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

ওয়েল পার্কের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম সিআইপি

মানুষের কল্যানের কথা মাথায় রেখে ব্যবসা পরিচালনা করে ওয়েল গ্রুপ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মানুষের কল্যানের কথা মাথায় রেখে
ব্যবসা পরিচালনা করে ওয়েল গ্রুপ। ৭মার্চ ওয়েল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হোটেল ওয়েল পার্ক রেসিডেন্সের এর ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নানান কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে পালিত হয়। কেক কেটে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন ওয়েল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম সিআইপি।
এ উপলক্ষে হোটেল ওয়েল পার্ক রেসিডেন্স এর সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি জাতিগত কল্যানের চিন্তা মাথায় রেখে ব্যবসায় পরিচালনা করে আসছে ওয়েল গ্রুপ। ভৌগোলিক অবস্থান ও প্রাকৃতিক বৈচিত্রের দিক থেকে চট্টগ্রাম এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর। গোটা দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হল চট্টগ্রাম বন্দর। বাণিজ্যিক গুরুত্ব সম্পন্ন ও পর্যটন সম্ভাবনার চট্টগ্রামের একসময় বদনাম ছিল এখানে পর্যটকদের জন্য ভালমানের থাকার হোটেল ও ভাল মানের খাবারের অপর্যাপ্ততা। এ বদনাম ঘোচাতে ওয়েল গ্রুপ পরিচালিত হোটেল ওয়েল পার্ক ও ওয়েল ফুড অনন্য ভূমিকা রেখেছে। এতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামকে বিশ্ব বানিজ্যের হাব হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন। এজন্য চট্টগ্রামকে সকল সুবিধা সম্পন্ন স্মার্ট শহরে পরিনত করতে হবে। স্মার্ট চট্টগ্রামের স্বপ্ন যাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে ওয়েল গ্রুপ। সভা শেষে গান, কৌতক ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
ওয়েল পার্কের জেনারেল ম্যানেজার এম এ মনছুর এর সভাপতিত্বে ও আবু কাইয়ুমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মামুন আল রশীদ, রানা কুমার মজুমদার, মেজবাহ উদ্দিন, রেজুয়ানুল ইসলাম, মোরশেদ উল আলম, আব্দুল মাবুদ, তানজির আমীর, বিশ্বনাথ দাস, আলী নওশাদ পারভেজ, সিরাজুল হক পারভেজ, জিয়া উদ্দিন, মো. আরিফ প্রমুখ

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ