আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

ভোগ্যপণ্যের দামের তারতম্যে সুজনের ক্ষোভ প্রকাশ

জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য – চাই নাগরিক উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ:

রিয়াজউদ্দিন বাজারে নাগরিক উদ্যোগের গণপ্রচারণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রিয়াজউদ্দিন বাজারে নাগরিক উদ্যোগের গণপ্রচারণায় ভোগ্যপণ্যের দামের তারতম্যে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক এবং মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। রমজান মাসের ব্যবহার্য ভোগ্য পণ্যসামগ্রী জনগনের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার নিমিত্তে আজ মঙ্গলবার ১২ মার্চ ২০২৪ সকালে নগরীর বৃহত্তম ব্যবসা কেন্দ্র রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে নাগরিক উদ্যোগের ধারাবাহিক গণপ্রচারণা কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে ভোগ্যপণ্যের দামের তারতম্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এসময় ক্রেতাদের তিনি দুই দিনের বেশি ইফতার সামগ্রী ক্রয় না করারও অনুরোধ জানান।

এসময় সুজন বলেন রহমত, মাগফেরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে দীর্ঘ এক বছর পর মুসলমানদের দ্বারে আবার ফিরে এসেছে সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান। অশেষ রহমত, বরকত, মাগফেরাত ও নাজাতের এ মাস মহান আল্লাহর নৈকট্য, শান্তি এবং তাকওয়া অর্জনের অপূর্ব সুযোগ এনে দেয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, রমজান মাস এলেই দেশে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। সচরাচর দেখা যায় রোজায় যেসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে সেগুলোর দামই বেশি হয়। তাছাড়া এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা রমজান মাসকে টার্গেট করে তাদের মুনাফা লুফে নেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে। সে হিসেবে তারা পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজার থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেয়। এদের বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হওয়ারও আহবান জানান তিনি। তিনি আরো বলেন সরকার রমজানে ব্যবহার্য ভোগ্যপণ্যের দাম জনগনের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। রমজানে ব্যবহৃত পণ্যসামগ্রীর উপর সরকার আমদানি শুল্কও মওকুফ করেছে জনগনকে সুবিধা প্রদানের জন্য। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে, সরকার আমদানিকৃত পণ্যের উপর ধার্যকৃত শুল্ক মওকুফ করলেও প্রায় ক্ষেত্রে ভোক্তাগণ এর সুফলপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। উপরন্তু বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরী করে ভোক্তাদের জিম্মি করা হচ্ছে। সুজন আরো বলেন, কাঁচা বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কারণ এসব পণ্য নিজ¯^ পদ্ধতিতে উৎপাদিত পন্য, এসব পণ্যের কোন আমদানি মূল্য নেই। তাই কাঁচা বাজার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান তিনি। তিনি বাজারে বিভিন্ন প্রজাতির মুরগির দাম বৃদ্ধিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। মুরগির দাম নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলে ভোক্তাকে পুরো রমজান মাস ভুগতে হবে বলে জানান তিনি। মুরগির সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে প্রয়োজনে পাশর্^বর্তী দেশ থেকে মুরগি আমদানির জন্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানান তিনি। তিনি পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরো সক্রিয় হওয়ার অনুরোধ জানান। এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বাজারের আগে না হেঁটে বাজারের পিছনে হাঁটার অনুরোধ জানান সুজন। তিনি জানান খেজুরের মূল্যবৃদ্ধি হলেও বাজারে এর ক্রেতা কম। এভাবে ক্রেতাদেরও সিন্ডিকেট তৈরী করার আহবান জানান তিনি। তিনি বাজারে আগত ক্রেতাসাধারণের সাথে পণ্যের দরদাম নিয়ে কথা বলেন। উপস্থিত ক্রেতাগণ সুজনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তবে ভোগ্যপণ্যের দাম ক্রেতাদের সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে আরো কঠোর হওয়ার অনুরোধ জানান তারা। বাজারে পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ রাখতে সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার এবং বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের দ্বারা অভিযান পরিচালনা করারও অনুরোধ জানান খোরশেদ আলম সুজন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাগরিক উদ্যোগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. ইলিয়াছ, সদস্য সচিব হাজী মো. হোসেন, মো. শাহজাহান, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম ইমরান হাসান আহমেদ ইমু, এ এইচ এম বেলাল উদ্দিন, জয়জিৎ চৌধুরী, আনন্দ আচার্য, অসিত দেব হৃদয় প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হলে মে দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য বিলীন হয়ে যাবে।শিকাগো শহরে শ্রমিকরা তাদের রক্তের বিনিময়ে যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, সেই চেতনা আজও আমাদের সামনে প্রাসঙ্গিক। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো আমরা সব শ্রমিকের ন্যায্য দাবি পূরণ করতে পারিনি।

তিনি শুক্রবার (১ মে) দুপুরে নগরীর টাইগার পাস মোড়ে মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, প্রতিটি সেক্টরেই শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। রাস্তা নির্মাণ থেকে শুরু করে ভবন, নালা-নর্দমা পরিষ্কার, নগরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখার প্রতিটি কাজে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। আজ আমরা যে উন্নত অবকাঠামো ও নগরজীবন উপভোগ করছি, তা শ্রমিকদের ঘাম ও শ্রমের ফল।

তিনি আরও বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবেও জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করেন। নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমরা দিন-রাত কাজ করছি। কোথাও পানি জমলে বা কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সেখানে ছুটে যাই, যাতে মানুষের কষ্ট কমানো যায়।

রুট লেভেলের শ্রমিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, তাদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বকেয়া থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকরা অনেক সময় বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নামে, যা আমাদের জন্য দুঃখজনক।


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে প্রায় ১২০০ অস্থায়ী শ্রমিককে স্থায়ী করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এটি ছিল তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। ঝুঁকি নিয়েই আমরা এটি বাস্তবায়ন করেছি, কারণ তারা দীর্ঘদিন অসহায় অবস্থায় ছিলেন।

এ সময় তিনি শ্রমিকবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য পাঁচটি আবাসন নির্মাণে ৩০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং সিটি কর্পোরেশনের জন্য ৬০ কোটি টাকার সরকারি অনুদান শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে শ্রমিকদের ৫ হাজার টাকা করে বোনাস প্রদানকেও তিনি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শেষে মেয়র একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধ করতে হবে। তিনি বলেন, এই নীতিকে বাস্তবে প্রয়োগ করা গেলে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হবে এবং তারা দেশের উন্নয়ন ও একটি সুন্দর চট্টগ্রাম গড়তে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আবু ফয়েজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমির হোসেনের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর চৌধুরী, রাজনীতিবিদ তোফাজ্জল হোসেন, মিল্টন ডেকোরেটারসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এস এম সামশুল হক। বক্তব্য রাখেন মে দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক শামসুল ইসলাম আরজু, সদস্য সচিব মো. সোলাইমান সুমন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহ আলম ফিরোজী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সংগঠনের নেতা কে এম শহীদুল্লাহ, কাজল ইসলাম, মাঈন উদ্দিন তাপস, সাইফুল ইসলাম শাহীন, মো. হাসান, মিজানুর রহমান, জসিম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, রাসেল হাওলাদার, ইয়াছিন মিয়াজি, মনির হোসেন, মো. সোহাগ, আবদুস সালাম, মো. শফি, জসিম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, কাজী গোলাম মোস্তফা, এম এ হাকিম, এস এম ফজলুল হক, ওয়াজেদ আলী ওমর, ইমাম হোসেন মাসুদ প্রমুখ।

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ