আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

সুর্বণচর উপজেলা হবে দেশের সেরা উপজেলা বলেন – সাবাব চৌধুরী

মোঃএনায়েত হোসেন নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সরব হয়ে উঠেছে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গণ। সবত্রই চলছে আলোচনা, বইছে নির্বাচনী হাওয়া। সারা দেশের ন্যায় আলোচিত সুর্বণচর উপজেলাতেও নবীন এবং প্রবীণসহ সম্ভাব্য প্রার্থীরা শুরু করেছেন প্রচার প্রচারণা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থকেরাও বিভিন্ন ভাবে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। সুর্বণচর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পরিবারের পক্ষ থেকে নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং নোয়াখালী-৪ আসনের সদর ও সুর্বণচর উপজেলার সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব একরামুল করিম চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান, বর্তমান জনপ্রিয়তার শীর্ষে ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সুর্বণচর উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী নবাগত সুপার হিরো সাবাব চৌধুরী।

সুর্বণচর উপজেলা নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাইলে,নবাগত সুপার হিরো সাবাব চৌধুরী বলেন,বাংলাদেশের মধ্যে সুর্বণচর উপজেলা হবে একটা স্মার্ট শহর।যদি আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পরিবারের পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন বা,সমর্থন পাই এবং জনগণ যদি আমাকে বিপুল ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে তাহলে সুর্বণচর উপজেলাকে আমি বাংলাদেশের সেরা উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও বলেন,আমি যদি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হই তাহলে সুর্বণচর উপজেলাতে শিক্ষা, সংস্কৃতি,কৃষি,স্বাস্থ্য,সামাজিক সুবিচার ব্যবস্থা এসব বিষয় আরও এগিয়ে নিয়ে যাবো পাশাপাশি আমার বাবার মতো জনগণের সুখ,দুঃখে পাশে থাকবো।এলাকার মানুষের জন্য আমার মনের দরজা প্রতি মুহূর্তে খোলা।এলাকার মানুষের সেবায় বর্তমানে আছি ভবিষ্যৎতেও থাকবো আমার বাবার পাশে ইনশাআল্লাহ।সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ সদস্য গরীব মেহনতি মানুষের বন্ধু জননেতা একরামুল করিম চৌধুরী বলেন,আমার মতে বাংলাদেশে বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রবীণদের পাশাপাশি নবীনদের এগিয়ে আসতে হবে।তাহলে সম্ভব স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া।
আমি চাই আমার সন্তান সাবাব চৌধুরী আমার মতো হোক এবং সুর্বণচর উপজেলার মানুষের সুখ,দুঃখের সাথী হোক।সব সময় তাদের পাশে থাকুক। আজ আমরা আছি,কাল হয়তো থাকবো না তখন এরাই হবে আগামী দিনের জাতির ভবিষ্যৎ।তাদের কে সমানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।আমি যেরকম গ্রামে গিয়ে মানুষের খোঁজ খবর নিচ্ছি,তাদের সুখ,দুঃখ খোঁজ খবর নিয়ে সমাধান করার চেষ্টা করছি।তাদের পাশে বটবৃক্ষের মতো দাঁড়িয়ে আছি।ঠিক আমার সন্তান যেন সুর্বণচর উপজেলা চেয়ারম্যান হয়ে জনগণের পাশে এভাবে থাকতে পারে।তাদের মনের মধ্যে ঠাঁই করে নিতে পারে।আমি আশা করি উপজেলা নির্বাচনে শত বাঁধা আসলেও কিছুই করতে পারবেনা। তবে সাবাব চৌধুরী উপজেলা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে ইনশাআল্লাহ।এটা আমার মনের বিশ্বাস এবং আশা ও আস্তা আছে সুর্বণচর উপজেলার জনগণের প্রতি।

এদিকে সাবাব চৌধুরী সুর্বণচর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আসবে বলে শুনে,জনগণের মনে মাঝে আনন্দের জোয়ার বইতে শুরু করছে।উপজেলার কোথাও কোথাও আনন্দের মিছিল চলছে কিন্তু কিছু কিছু স্থানে আতঙ্কে আছে প্রতিপক্ষ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে এক রাতে দুই কৃষকের সেচপাম্পের ৪ টি ট্রান্সফরমারের খোলস ফেলে ভেতরের যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার রাতের কোনো এক সময় উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের নির্মল দে’র ৩ টি ও শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জৈষ্টপুরা ৯ নং ওয়ার্ডের কৃষক মাদল চৌধুরীর ১টি ট্রান্সফরমারের যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে যায়।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে সেখানকার ১টি বিদ্যুতের খুঁটিতে তার, পাম্পে মোটর ও অন্যান্য সামগ্রী থাকলেও নেই ট্রান্সফরমার। আরেকটিতে ৩ টির মধ্যে ২টি ট্রান্সফরমার খুটিতে থাকলেও ১টি নাই। পৃথক দুটি স্থানে পড়ে আছে ট্রান্সফরমারের খোলস, নেই ভেতরের যন্ত্রাংশ।

ভুক্তভোগী ককৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য ভারাম্বা খালের আমুচিয়া ও জৈষ্টপুরা অংশে দুটি মোটরচালিত বৈদ্যুতিক সেচপাম্প দিয়ে ওই এলাকার মনতলা কালি বিল, আন্ধার বিল ও জৈষ্টপুরা এলাকার কুমার গাতা বিলে অন্তত ২০০ কানি জমির চাষাবাদ করা হয়।

বোরো মৌসুম শেষ হলে প্রতি বছরের মতো গত এক মাস আগে ১৭/৫/২৬ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে ট্রান্সফরমার নামিয়ে দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষকে বলা হয়েছে। এতোদিন ধরে না নামানোর কারণে ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। সরকারি খরচে ট্রান্সফরমার স্থাপনের দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নির্মল দে ও মাদল চৌধুরী।

চুরির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) স ম মিজানুর রহমান বলেন, বিভিন্ন কাজের চাপে যথাসময়ে খুঁটি থেকে ট্রান্সফরমার নামানো না হলেও চুরি প্রতিরোধে গ্রাহকদের বিভিন্নভাবে সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়া সেচ ও কলকারখানার ট্রান্সফরমার চুরি হলে গ্রাহককে নিজ খরচে তা স্থাপন করার বিধান আছে। প্রতিটি পাঁচ কেভিএ ধারণসম্পন্ন ট্রান্সফরমারের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।

ঠাকুরগাঁওয়ে আহত নিহতদের মাঝে চেক বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় বিভিন্ন স্থানেসড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নিহত ও আহত ৭ টি পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেল এর আয়োজনে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম ফেরদৌস, ঠাকুরগাঁও বিআরটি এর সহকারী পরিচালক ইঞ্জি: মোহাম্মদ আলী আহসান মিলন, মোটরযান পরিদর্শক মাফুজ রানা, উচ্চমান সহকারী রুস্তম আলীসহ অন্যান্যরা।সেখানে সাতটি পরিবারের মাঝে ২১ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ