আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

নেত্রকোনা:

কবরস্থানের জায়গা দখল নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা।

আব্দুল আওয়াল মদন নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার মদনে জোড়পূর্বক কবরস্থানের সরকারি জায়গায় মাটি কেটে দখলে নেয়ার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দশ্রী ভূঁইয়াহাটি গ্রামের বাসিন্দারা তাদের গ্রামের পাশে একটি সরকারি খাসজমিতে কবরস্থান নির্মাণ করেন। কয়েক যুগ আগে থেকে স্থানীয় লোকজনের কাছে গাছতলা কবরস্থান হিসাবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে গাছতলা কবরস্থানে ওই এলাকার মৃত ব্যাক্তিদের দাফন করা হয়েছে। সম্প্রতি গোবিন্দশ্রীর নসির উজ্জ্বল হাটি গ্রামের প্রভাবশালী গোলাপ খান, হাবিব খান রাহাত খান জোড়পূর্বক কবরস্থানের জায়গায় মাটি কেটে ঘর নির্মাণ করার পায়ঁতারা করছে। এর সাথে জায়গাটি বিক্রি করার জন্য সাইবোর্ড লাগানো হয়েছে। গ্রামবাসী প্রতিবাদ করায় তাদেরকে নানা ভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এ নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করায় যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।

গোবিন্দশ্রী ভূঁইয়াহাটি গ্রামের বাসিন্দা রনি খান, বুলবুল ইয়ার খান, রুবেল মিয়া, দুলাল মিয়াসহ অনেকেই জানান, ‘গাছতলা কবরস্থানটি সরকারি জায়গায়। এখানে আমাদের দাদা-দাদী, মা-বাবার কবর রয়েছে। নসির উজ্জ্বলহাটি গ্রামের প্রভাবশালী গোলাপ খান, হাবিব খান, রাহাত খান জোড়পূর্বক কবরস্থানের জায়গায় মাটি কেটে ঘর নির্মাণ করার পায়ঁতারা করছে। মা-বাবা, দাদা-দাদীর কবর রক্ষার্থে নিরুপায় হয়ে ইউএনও স্যারের কাছে অভিযোগ করেছি।’

নজরুল ইসলাম গোলাপ খান জানান, ‘জায়গাটি কবরস্থানের ঠিক। কিন্তু কবরস্থানের সীমানায় আমার জমি রয়েছে। তাই এই জায়গাটি আমিই ভোগ করব।’

গোবিন্দশ্রী ইউপি চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম খান জানান, গোবিন্দশ্রী গ্রামে সরকারি জায়াগার কবরস্থানটি গোলাপ মিয়াসহ কয়েকজন মাটি কাটায় আমি নিষেধ করেছি। সরকারি জায়গা যাতে কেই ব্যবহার করতে না পারে সে বিষয়ে বলা হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ শাহ আলম মিয়া জানান, ‘কবরস্থান দখল করার অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ