আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চবি উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য সকাশে হাটহাজারী অফিসার্স ফোরাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরীর সাথে গতকাল বুধবার দুপুরে হাটহাজারী অফিসার্স ফোরাম, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় এর নেতৃবৃন্দ উপাচার্যের অফিস কক্ষে এক সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা ও সন্মাননা স্মারক প্রদান করেন। এ সময় হাটহাজারী অফিসার্স ফোরাম, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় এর সভাপতি চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব, সাধারণ সম্পাদক চবি হিসাব নিয়ামক দপ্তরের উপ-হিসাব নিয়ামক মাসুদুল ইসলাম চৌধুরী এবং ফোরামের কার্যকরী পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপাচার্য বলেন, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় চট্টগ্রাম শহর থেকে দূরে অবস্থিত। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যোগাযোগ ও পরিবহন সমস্যার কারণে অনেক সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে যথাসময়ে উপস্থিত হতে সমস্যা হয়। এ ক্ষেত্রে হাটহাজারী, স্থানীয় এবং ক্যাম্পাসে বসবাসরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত হলে কাজের ব্যঘাত সৃষ্টি হয়না।
উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় আইনকে সমুন্নত রেখে সর্বোচ্চ সততা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করলে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঙ্খিত লক্ষ্যে এগিয়ে যাবে মর্মে প্রত্যশা ব্যক্ত করেন। তিনি হাটহাজারী অফিসার্স ফোরাম, চবি এর নেতৃবৃন্দকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে বিশ^বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে সহযোগীতা প্রদানের আহবান জানান।
ফোরামের নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে আন্তরিক অভিনন্দন, ফুলেল শুভেচ্ছা ও সন্মাননা স্মারক প্রদান করেন। উপাচার্যের সাথে ফোরামের নেতৃবৃন্দকে পরিচয় করিয়ে দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল ইসলাম চৌধুরী। নেতৃবৃন্দরা বিশ^বিদ্যালয় পরিচালনায় মাননীয় উপাচার্যকে সর্বোচ্চ সহযোগীতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ