আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে চসিক ও সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির যৌথ বিবৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গত ৪ এপ্রিল আগ্রাবাদস্থ সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার লতিফুল হক কাজেমি এবং এস্টেট অফিসার রেজাউল করিম চৌধুরীর সহিত ব্যবসায়ী সমিতির প্রচার সম্পাদক মনির হোসেন বাপ্পীর অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পারষ্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সুন্দর ও সৌহার্দমূলক নিষ্পত্তি পূর্বক অত্র যৌথ বিবৃতি প্রদান করছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এবং সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতি সংঘটিত ঘটনার বিষয়ে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। উক্ত ঘটনাটি অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্খিত। মেয়র মহোদয় সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আরো সংযত হওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছেন। একই সাথে উক্ত ঘটনার সাথে সম্পর্কিত দোকানের বিষয়ে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেছেন।
মার্কেটে সংঘটিত অনাকাঙ্খিত ঘটনার বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতির সকল সদস্যবৃন্দ মাননীয় মেয়র মহোদয়ের প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে মাননীয় মেয়র মহোদয়ের আন্তরিক প্রচেষ্টার এই উদ্যোগকে সমিতির নেতৃবৃন্দ সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করেছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট দোকান মালিক ও ব্যবসায়ী সমিতি দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করে যে উভয়ই একে অপরের অংশীদার এবং ব্যবসায়ী সমিতির সকল ন্যায্য দাবী পূরণে সিটি কর্পোরেশন সবসময় সচেষ্ট থাকবে। একই সাথে এরূপ অনাকাঙ্খিত ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে তজ্জন্য সিটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়ী সমিতি উভয়ই সজাগ থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন :যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নেভি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রামের যোগব্যায়াম উৎসাহীদের সাথে এ দিবস উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ( চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে ৮০০ অধিক জনসমাগম হয়।যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন যোগ অনুশীলন পরিচালনা করেন।

সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হারীশ কুমার তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, যোগ একটি প্রাচীন অনুশীলন, যার অর্থ হলো ‘যুক্ত হওয়া’ বা ‘একত্রিত হওয়া’। এটি দেহ, মন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা অর্জনে সহায়তা করে।
প্রায় ৫ হাজার বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশে এর উৎপত্তি হলেও যোগ কেবল শারীরিক ব্যায়াম বা বিভিন্ন ভঙ্গির অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনধারা, যা শারীরিক প্রাণশক্তি, মানসিক স্বচ্ছতা এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতি বছর ২১ জুন বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত হয়। ভারতের উদ্যোগে ইউনাইটেড নেশনস ২০১৪ সালে এই দিবসকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্বাস্থ্য, নমনীয়তা, মানসিক স্থিতি এবং জীবনীশক্তি বজায় রাখতে যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। নিয়মিত যোগাভ্যাস মানসিক চাপ কমায়, শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করে। তাই একটি সুস্থ, সুখী ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনে যোগকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, যোগ আমাদের সকলকে সংযুক্ত করে ও একত্রিত করে। যখন যোগ জীবনযাত্রার অংশ হয়ে ওঠে, তখন তা মানব ঐক্যের ভিত্তি স্থাপন করে। যোগ আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনের শিল্প শেখায় এবং মানসিক সুস্থতা থেকে শারীরিক সুস্থতার পথ দেখায়। এটি আমাদের শরীরকে নমনীয় হতে সাহায্য করে এবং আমাদের শক্তির মাত্রা উচ্চ রাখে। শারীরিক সুস্থতা থেকে শুরু করে মনের শান্তি পর্যন্ত, যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে।

চট্টগ্রামে ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতেই নিচু এলাকা প্লাবিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মাত্র ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতে অনেক নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। রাস্তা প্লাবিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরীর নিচু এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকাতে সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। এসব এলাকার রাস্তাগুলো নোংরা পানিতে ডুবে আছে। ফলে চলাচল করা কঠিন হয়ে উঠে। কোথাও হাঁটু, কোথাওবা কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি। ছুটির দিনেও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ এবং খেটে খাওয়া শ্রমজীবীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ৪০ মিনিট স্থায়ী এই বৃষ্টিতেই নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়।

এসব এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকালের মাত্র আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার সড়কগুলো দ্রুত পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহনগুলো মাঝপথেই আটকে যাচ্ছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া সাধারণ মানুষের গন্তব্যে পৌঁছাতে যেমন দীর্ঘ সময় ব্যয় হচ্ছে, তেমনি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাস্তায় জমে থাকা হাঁটু সমান পানি মাড়িয়েই পথচারীদের কষ্ট করে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

তবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার জন্য চিরচেনা এলাকা প্রবর্তক মোড়ে অবশ্য এবার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মেগা প্রকল্পের আওতায় সেখানকার হিজড়া খালের মুখে বাঁধ দিয়ে চলমান কাজের সুবাদে প্রবর্তক মোড়ে আগের মতো পানি জমেনি। তবে প্রবর্তক মোড় রক্ষা পেলেও এর আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো ঠিকই পানিতে ডুবে ছিল। ফলে সামগ্রিক ভোগান্তি খুব একটা কমেনি।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের বিএফও মাহবুবুল আলম বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে মাত্র ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে মেঘের ঘনত্বের কারণে অল্প সময়ে তীব্র বৃষ্টি হওয়ায় নিচু এলাকায় পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নগরবাসীর অভিযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক তদারকি ও খালগুলোর সংস্কার কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামকে এখনো ডুবতে হচ্ছে।

কাতালগঞ্জের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বহু বছর ধরে আমরা একটু বৃষ্টি হলেই পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছি। একের পর এক মেগা প্রকল্প আসে, কিন্তু আমাদের কষ্টের কোনো শেষ নেই। আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতে যদি এই অবস্থা হয়, সামনের দিনগুলোতে কী হবে?
ভোগান্তিতে পড়া রিকশাচালক মো. জলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বহুদিন ধরে আমরা এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। ছুটির দিন হলেও আমাদের তো আয়ের আশায় বের হতে হবে। কিন্তু রাস্তায় পানি উঠে যাওয়ায় রিকশা চালানো যাচ্ছে না। আমাদের এই কষ্ট দেখার কেউ নেই।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ