আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

যমুনা পাড়ের নদী শিশুদের সাথে ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিকড় থেকে ছিটকে পড়া হাজারো ভাসমান ছিন্নমূল নদীশিশুদের কথা আমরা খুব কমই জানি। এই শিশুরাই হবে আগামীর বাংলাদেশ অথচ এভাবে বেড়ে উঠা নদী শিশুদের অন্ন, বস্র,বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যের জন্য হাহাকার ও আর্তনাদ যমুনা পাড়ের বাতাস ভারী হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

কারা এই নদী শিশু ?

নদীভাঙনে যমুনার বিস্তীর্ণ দুই পাড়ে ঠাঁই নেওয়া হাজার হাজার ছিন্নমূল ভাসমান নি:স্ব পরিবারের ভাগ্যাহত শিশুদের যাপিত জীবন আর দুঃখের দহনে করুণ রোদনে তীলে তীলে ক্ষয়ে যাওয়া স্বপ্নের খসখসে বাস্তবতাই-নদীশিশু। অভাব অনটন আর অবহেলাই যাদের একমাত্র নিয়তি। কারো বাবা নেই, থাকলেও মায়ের সাথে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। কারো মা নেই। কারো মা প্রবাসে থাকেন, কারোর মা আবার ঢাকায় গার্মেন্টসের সেলাই দিদি। সকাল থেকে সুর্যাস্ত পর্যন্ত যমুনা পাড়েই এরা পড়ে থাকে। কেউ ছাগল চড়ায়, কেউ গরু চড়ায়, কেউ মাছ ধরে, কৃষি জমিতে কাজ করে, এভাবে কোন না কোনভাবেই যমুনা তীরেই কাটে এদের দিনমান।

নদীশিশুদের পরিস্থিতি বিবেচনায় তাদের মাঝে কিছুটা আনন্দ ছড়িয়ে দিতে কোয়ালিটি লাইফ ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যে স্থানীয় সংগঠন তৃনমূল দারিদ্র নির্মূল পরিষদের সহযোগিতায় প্রায় দেড় শতাধিক নদী শিশুদের তালিকা সম্পন্ন করেছে এবং তাদের জন্য আগামীকাল ঈদ আনন্দ উদযাপনের উদ্যোগ নিয়েছে । যমুনার পাড়ে তাদের জন্য দুপুরে চিকেন বিরিয়ানি রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছে আর সাথে থাকবে ডিম, ড্রিংক্স ও সালাদ । দুপুরের আগে থেকে চলবে নদীতে সাঁতার প্রতিযোগিতা আর বিকেলে চলবে দৌড় প্রতিযোগিতা এবং প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও পুরষ্কার বিতরণ। সাথে থাকবে চরের তরমুজ, জুস, ক্যান্ডি ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে শনিবার অপারেশনাল কার্যক্রম,রোববার প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ কনটেইনার স্থাপনা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) দুবাইভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও সাবেক সিবিএ। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের সমস্ত অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রেখে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালনের ডাক দেওয়া হয়েছে। একইভাবে পরদিন রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। রোববার বিকেল ৫টায় আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এবং চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সাবেক সিবিএ’র পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন বলেন, সারাদেশ নির্বাচনি ডামাডোলের মধ্যে আছে৷ এর ফাঁকে সরকার চট্টগ্রাম বন্দর এবং দেশের সবচেয়ে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এনসিটি দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে হস্তান্তরের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। আমরা এ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গত দেড় বছর ধরে আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু সরকার বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছে।আমরা মনে করি এনসিটি বিদেশিদের হাতে দেওয়া চরম আত্মঘাতী একটি সিদ্ধান্ত। এর মাধ্যমে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব চরমভাবে হুমকির সম্মুখীন হবে।

কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা এনসিটি বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে ধর্মঘট আহ্বান করেছি। আগামী শনিবার ৮ ঘণ্টা বন্দরে অপারেশনাল কার্যক্রম এবং রোববার ৮ ঘণ্টা প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এরপরও সরকার এ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

শ্রমিকের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ ও মোজাম্মেল হকের অবদান অবিস্মরণীয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিক কাজ করে মজুরি নিবে- এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই মজুরি নেওয়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকরা কত বিড়ম্বনার স্বীকার হয় তা যারা ভুক্তভোগী একমাত্র তারাই জানেন। নির্যাতিত ও ভুক্তভোগী শ্রমিকদের বেতন কাঠামোর ধরন কিভাবে নির্ধারণ করা হবে তা এদেশের শিল্প এবং শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রে প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিষয়টি অস্পষ্ট ছিল। এতে করে শ্রমিক মালিকদের দ্বন্দ্ব বিভাজন প্রতিনিয়ত লেগেই থাকতো।

এমনিই উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নিয়ম নীতির আলোকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মাধ্যমে সমাধান করার জন্য শ্রমিকের বেতন, মজুরি বোর্ড গঠন, বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে সরকারি গেজেট প্রণয়ন আন্দোলনের অন্যতম প্রবক্তা বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ-এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী ও সদ্য প্রয়াত বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি মোজাম্মেল হকের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অদ্য ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় মাঝিরঘাটস্থ কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি এম. নুরুল হুদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মাস্টার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আন্দোলন এই দুই নেতার অবদান দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তারা আমাদের অনুসরনীয় ব্যক্তিত্ব। নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে শ্রমিকদের গেজেটের মজুরি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মনিরুল ইসলাম মাস্টার।

তিনি বলেন, নৌ-সেক্টরে বিরাজমান সংকট থেকে উত্তরণের তাদের অবদান স্মরণীয়। এতে আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকতার জামান মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজগর হোসেন তালুকদার, অর্থ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম, সহ সম্পাদক রশিদ আহমদ মাস্টার, সাজ্জাদ হোসেন জনি, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান বাবু ড্রাইভার, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য সাব্বির আফরোজ, ইয়াহিয়া খান কুতুবী, মিরাজ হোসেন, সোহাগ লস্কর, আল আমিন, মো. ফিরোজ সুখানী, কাজল মোড়ল প্রমুখ। সভায় আলহাজ্ব শুক্কুর মাহামুদ ও মোজাম্মেল হকের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে খতমে কোরআন তেলাওয়াত এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন আইচ ফ্যাক্টরী রোড মহিউসুন্নাহ মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হক।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ