আজঃ বৃহস্পতিবার ২ জুলাই, ২০২৬

নড়াইলে মোটরসাইকেল চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারীসহ নিহত-২ আহত ২

নড়াইল প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নড়াইলের ঢাকা-কালনা-নড়াইল-যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল আরোহী আলছাফ মাতুব্বর (২০) নামে এক যুবক এবং অজ্ঞাত পরিচয় একজন পথচারী নিহত হয়েছে। নিহত আলছাফ মাতুব্বর ফরিদপুরের সালথা উপজেলার কুমোরপট্টি গ্রামের আসাদ মাতুব্বরের ছেলে। নিহত অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আহত দুইজন কে নড়াইল সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে ।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-কালনা-নড়াইল-যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের নড়াইল সদর উপজেলার হাওয়াইখালী ব্রিজ এলাকার ডৌয়াতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। অপর আহত দুইজন হলেন,সালথা উপজেলার কুমোরপট্টি গ্রামের মোস্তাক সর্দার ও একই জেলার নগরকান্দা উপজেলার আইনপুর গ্রামের মুস্তাকিন (২০)। আহত দুইজন নিহত আলছাফের বন্ধু।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,লোহাগড়া থেকে একটি মোটরসাইকেল দ্রুত গতিতে নড়াইলের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে নড়াইল সদর উপজেলার হাওয়াইখালী ব্রিজ এলাকার ডৌয়াতলা এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় এক পথচারী আঘাত করে পাশে সুপারি গাছে গিয়ে আঘাত করে। এসময় মোটরসাইকেলে থাকা আলছাফ মাতুব্বর ঘটনাস্থলে নিহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ৯৯৯ ফোন করলে নড়াইলের হাইওয়ে পুলিশ তাদের কে উদ্ধার করে নড়াইল সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করেন। তাদের কাছে থাকা একটি মোবাইল ফোন থেকে নিহতের পরিচয়সহ অন্যান্য তথ্য জানা গেছে।

নড়াইল সদর আধুনিক হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার অলোক কুমার বাগচী জানান, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হাসপাতালে আসেন তিনজন। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। বাকি দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নড়াইল তুলরামপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শওকত হোসেন বলেন, ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১জন ঘটনাস্থলে নিহত অপর আহত ৩ জনকে নড়াইল সদর আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে একজন মারা যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী সিলেটে উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী সিলেটে উদ্ধার।মানবপাচার চক্রের সম্পৃক্ততার আশঙ্কাছবিঃ সংগৃহীত
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার একই বিদ্যালয়ের চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার প্রায় একদিনের মধ্যেই সিলেট থেকে তাদের উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও এর পেছনে কোনো মানবপাচার চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিখোঁজ ছাত্রীরা হলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে খুশি (দশম শ্রেণি), বাঙ্কু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা (দশম শ্রেণি), রমেশ দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (দশম শ্রেণি) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজুতি রানী দেবনাথ (অষ্টম শ্রেণি)। তারা সবাই সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১০টার দিকে চারজন প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও তাদের সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গী থানায় বিষয়টি অবগত করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদক বিরোধী যৌথ অভিযান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা প্রশাসন, জেলা মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর, পুলিশ ও ব্যাটালিয়ান আনসার সদস্যদের নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর এলাকায় গুচ্ছগ্রামে এই মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসনা হেনা লাবনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজাতুল কুবরা ফারিহা মাদক ব্যবসায়ী পারুল ও পূর্ণিমা বাসফোর নামের ২ নারীকে ছয় মাসের জেল ও ৫০০০ টাকা জরিমানা করেন এছাড়াও সয়জয় বাসফোর নামের এক যুবককে মাদক সেবনের দায়ে সাত দিনের জেল ও ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত গাজা সকলের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক হারুনুর রশিদ, সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান আলী সহ অন্যান্যরা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ