আজঃ বুধবার ১ জুলাই, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে মাদক বিরোধী যৌথ অভিযান

রেজাউল ইসলাম মাসুদ জেলা প্রতিনিধি ঠাকুরগাঁও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা প্রশাসন, জেলা মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর, পুলিশ ও ব্যাটালিয়ান আনসার সদস্যদের নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর এলাকায় গুচ্ছগ্রামে এই মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসনা হেনা লাবনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজাতুল কুবরা ফারিহা মাদক ব্যবসায়ী পারুল ও পূর্ণিমা বাসফোর নামের ২ নারীকে ছয় মাসের জেল ও ৫০০০ টাকা জরিমানা করেন এছাড়াও সয়জয় বাসফোর নামের এক যুবককে মাদক সেবনের দায়ে সাত দিনের জেল ও ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত গাজা সকলের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক হারুনুর রশিদ, সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান আলী সহ অন্যান্যরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী সিলেটে উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের নিখোঁজ চার স্কুলছাত্রী সিলেটে উদ্ধার।মানবপাচার চক্রের সম্পৃক্ততার আশঙ্কাছবিঃ সংগৃহীত
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার একই বিদ্যালয়ের চার স্কুলছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার প্রায় একদিনের মধ্যেই সিলেট থেকে তাদের উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও এর পেছনে কোনো মানবপাচার চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিখোঁজ ছাত্রীরা হলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের মানিক চন্দ্রের মেয়ে খুশি (দশম শ্রেণি), বাঙ্কু দেবনাথের মেয়ে মল্লিকা (দশম শ্রেণি), রমেশ দেবনাথের মেয়ে ঋতু দেবনাথ (দশম শ্রেণি) এবং আকালু দেবনাথের মেয়ে সুজুতি রানী দেবনাথ (অষ্টম শ্রেণি)। তারা সবাই সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার সকাল প্রায় ১০টার দিকে চারজন প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েও তাদের সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে বালিয়াডাঙ্গী থানায় বিষয়টি অবগত করে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, ১১ বছর পর আসামির যাবজ্জীবন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় ১১ বছর আগে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় মো. আব্দুল মমিন নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে অর্থদণ্ডের পুরো টাকা ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আলী মনসুর এই রায় ঘোষণা করেন।দণ্ডিত আব্দুল মমিন পীরগঞ্জ উপজেলার ভাংবাড়ী (বগুড়াপাড়া) গ্রামের মৃত জালাল বৈরাগীর ছেলে। মামলার অপর আসামি মো. এরশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে ভুক্তভোগী ১৪ বছর বয়সি বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশী আব্দুল মমিন ধর্ষণ করে। এ সময় কিশোরীর মা বাড়ি ফিরে ঘটনা দেখে বাধা দিলে মমিন তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় মাতব্বরদের কাছে বিচার চেয়ে ব্যর্থ হয়ে ভুক্তভোগীর পরিবার রাণীশংকৈল থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে।দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও চিকিৎসা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় মমিনকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন।

রায়ের নির্দেশনায় বলা হয়, আদায়কৃত অর্থদণ্ডের পুরো টাকা ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী, প্রয়োজনে দণ্ডিতের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে এই অর্থ আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. এনতাজুল হক বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারটি অবশেষে ন্যায়বিচার পেল। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ আদায়ের যে কঠোর নির্দেশনা আদালত দিয়েছেন, তা নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ