আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

কালিয়া পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা বেতন ভাতার দাবীতে কর্মবিরতি

নড়াইল প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কালিয়া পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা বেতন ভাতার দাবীতে কর্মবিরতি

নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা বেতন ভাতার দাবীতে কর্ম বিরতি পালন করছেন। বুধবার (১৭এপ্রিল) সকাল থেকে বিকাল ৫টা পষর্ন্ত কালিয়া পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারি এসোসিয়েশন আগামী ৭দিনের জন্য এই কর্মসূচি পালন করবে।

ঈদুল ফিতরে বেতন ভাতা না পাওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবতার জীবন জাপন করছেন। পৌরসভার অনেক কর্মকর্তা কর্মচারির ৬ থেকে ২৬ মাস পর্যন্ত বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে আছে। ঈদের আগে হাট বাজার ইজারার টাকা পেলেও বেতন ভাতা দেওয়া হয়নি। কর্মকর্তা কর্মচারিগণ এ অবস্থায় আগামী ৭দিনের মধ্যে বেতন ভাতা পরিশোধের জন্য মেয়রের নিকট আহবান জানান।

কালিয়া পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি মামুনুর রশিদ বলেন,আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বেতন ভাতা পরিশোধ না করলে আমরা লাগাতার কর্ম বিরতি পালন করে যাব। তিনি আরো বলেন মাস্টার রোলে নিয়োগকৃত ২২ জন কর্মচারির বেতন পরিশোধ করলেও আমাদের স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারিদের ঈদুল ফিতর উদযাপন উপল¶ে কোন বেতন ভাতা দেয়নি।

কালিয়া পৌর মেয়র ওয়াহিদুজ্জামান হীরা বলেন,পূর্বের সকল মেযরদের রেখে যাওয়া বকেয়া বেতন আমি কিছু কিছু পরিশোধ করেছি। আমার সময় কর্মকর্তা কর্মচারিরা যথাসময়ে বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন। কর্মরিতির ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে সেবা নিতে আসা মানুষেরা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই পৌরসভা আগে কখনো এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়নি। সাধারন মানুষ এই অবস্থার অবসান চান।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

‎মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি: চট্টগ্রামে নারীর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


‎থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে একটি বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে হয়রানি করার অপরাধে বিবি মরিয়ম বেগম নামে চট্টগ্রামের এক নারীকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

‎আজ (বুধবার) চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত-৬ এর ম্যাজিস্ট্রেট জনাব এস এম আলাউদ্দীন মাহমুদ এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বিবি মরিয়ম নগরীর আকবরশাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকার একাধিক মামলার আসামি ‘চটপটি আলাউদ্দিনের’ স্ত্রী ও ডাকাত ফয়সা‌লের মা । আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আদালত ও পুলিশ প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর আকবরশাহ থানায় বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেনের ছেলে মোক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন বিবি মরিয়ম।

অভিযোগে তিনি দাবি করেন, মোক্তার হোসেন তার দুই ছেলে মো. ফয়সাল উদ্দীন ও ফাহাদ উদ্দীনকে মারধর এবং পরিবারকে হুমকি দিয়েছেন।
আদালতের নির্দেশে আকবরশাহ থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এম সাকের আহমেদ ঘটনাটি সরেজমিনে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পুলিশের তদন্তে বিবি মরিয়মের অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রমাণিত হয়।

‎পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন এবং রাষ্ট্রপক্ষের লিখিত যুক্তিতর্ক অনুযায়ী, উত্তর কাট্টলী এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেনের মালিকানাধীন জমিটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছিল স্থানীয় সন্ত্রাসী আলাউদ্দিন ও তার পরিবার। এই নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ এবং পরবর্তীতে আপিল বিভাগের ‘লার্জার বেঞ্চ’ বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেনের পক্ষে রায় বহাল রাখেন এবং নির্বিঘ্নে নির্মাণকাজের অনুমতি দেন।

‎আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে মোক্তার হোসেন তার জমিতে ইটভর্তি ট্রাক আনলে বিবি মরিয়মের ছেলে ফয়সাল ওরফে ‘গুটি ফয়সাল’ ও তার সহযোগীরা মোক্তার হোসেনের ওপর অতর্কিত ও বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলায় মোক্তার হোসেন মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

এই বর্বরোচিত হামলা ও নিজেদের অপরাধ ঢাকা দিতে এবং মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে ফাঁসাতে পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর থানায় উল্টো মিথ্যা জিডি করেন বিবি মরিয়ম।
‎অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিবি মরিয়মের স্বামী আলাউদ্দিন ওরফে চটপটি আলাউদ্দিন হত্যা মামলাসহ ১৪টিরও বেশি মামলার আসামি ও আওয়ামীলী‌গের একজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী।

‎তার ছেলে ফয়সালও র‌্যাব কর্তৃক ডাকাতির প্রস্তুতিকালে হাতেনাতে ধৃত এবং একাধিক মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় তৎকালীন সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এই চক্রটি বারবার মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে আসছিল। এমনকি অভিযুক্তদের পক্ষে তৎকালীন এমপির লিখিত সুপারিশের কারণে ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘদিন পুলিশি প্রতিকার পায়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

‎পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বিবি মরিয়মের অভিযোগটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় এবং প্রকৃত ভুক্তভোগী মোক্তার হোসেনকে ফাঁসানোর চেষ্টা করায়, আদালত দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় মামলাটি আমলে নেন। বিজ্ঞ আদালত ৫ জন সাক্ষীর জেরা ও জবানবন্দি পর্যালোচনা করে আজ এই রায় প্রদান করেন।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস)’র সাধারণ সভা ও আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস) এর সাধারণ সভার মধ্যে দিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে প্রকৌশলী মোঃ সোহরাব হোসেন আহ্বায়ক ও প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি আজ ৫ মে, মঙ্গলবার বিকাল ৩.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত আগ্রাবাদস্থ বিদ্যুৎ ভবন চট্টগ্রাম কার্যালয়ে গঠিত হয়। উক্ত সাধারণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী মোঃ সিহাব উদ্দীন, প্রকৌশলী মোঃ সোরহাব হোসেন, প্রকৌশলী মোঃ সাজিদ, প্রকৌশলী মোঃ রায়হানুর রহমান রুহেল, প্রকৌশলী মোঃ সজীব উদ্দীন, প্রকৌশলী মোঃ ওলিউল ইসলাম, প্রকৌশলী মোঃ নূর ইসলাম, প্রকৌশলী আলাউদ্দীন সোহাগ, প্রকৌশলী মোঃ আনিছুর রহমান সহ অসংখ্য ডিপ্লোমা প্রকৌশলীনেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতিকে আওয়ামী লীগের লেজুড়বৃত্তি সংগঠনে পরিণত করেছিল ডিপ্লোমা প্রকৌশলী নামধারী কিছু চিহ্নিত সুবিধাভোগী।

১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনের সকল সেক্টরকে ফ্যাসিস্টমুক্ত-স্বতন্ত্র পেশাজীবী এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ গঠনে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীনেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ। সাধারণ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দাবি দাওয়া আদায়ে স্বতন্ত্র সংগঠন হিসেবে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ সাধারণ প্রকৌশলীদের পাশে থাকতে সর্বদা বদ্ধপরিকর। নতুন কমিটি গঠনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস) ফ্যাসিস্ট মুক্ত হইল।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ