আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

তরুণ সমাজকে দেশপ্রেমে জাগ্রত করতে না পারলে স্বাধীনতা প্রকৃত মর্মবানী উপলদ্ধি করা যাবে না-চবির ভিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

 

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের বলেছেন  স্বাধীনতার মূল মর্মবানী অনুধাবনে তরুন সমাজ সক্ষম হয়নি বা তাদের কাছে সে তথ্য পৌঁছানো যায়নি। এর কারণে তরুন সমাজ এখন শুধুমাত্র নিজেকে ব্যস্ত, দেশ, সমাজ ও পরিবারকে নিয়ে ভাববার কোন সময় তাদের থাকছে না। আর সুযোগ পেলেই বিদেশ পাড়ি দেন। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার  ত্রুটি, দুর্বলতা, শিক্ষকদের আধুনিক ও পরিবর্তনশীল বিষয়ে সাথে খাপ-খাওয়াতে না পারা, তরুণদের মধ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও নেতৃত্বের বিকাশের সীমাবদ্ধতা  এবং দেশে দক্ষ প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠির তৈরীর ঘাটতির কারনে হতাশার পরিমান বেশি। বিপুল পরিমান তরুণজনগোষ্ঠি জনশক্তি না হয়ে হতাশাগ্রস্ত বেকার হয়ে জাতির জন্য বোঝা হয়ে আছে। তিনি আরও বলেন, কীভাবে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে পরিণত হতে পারে, কীভাবে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের প্রতিটি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে বিশ্বের বুকে নিজের নাম উজ্জ্বল করতে পারে সেই বিষয়ে সকলের সমন্তি প্রয়াসের ওপর আলোকপাত করেন। এক্ষেত্রে তরুণদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুবকদেরকে দেশগঠনে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, বর্তমান তরুণদেরও একইভাবে সংগঠিত হতে হবে। তাদেরকে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। এমনকি স্থানীয় সমস্যাগুলোর পাশাপাশি আন্তজাতিক সমস্যা মোকাবিলায় নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে হবে। ২০ই এপ্রিল রোজ শনিবার, চট্টগ্রামের মুরাদপুরস্থ উইশ ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্টে বেসরকারি সংস্থা কেয়ার ফর এসেস্টস,রিসোর্সেস এন্ড অবলিগেশনস (করো) কর্তৃক “পিপল ম্যাটার, উই ম্যাটার,আওয়ার ওপিনিয়ন ম্যাটারস, ডেমোক্রেসি ম্যাটারস” শীর্ষক সেমিনার, ‘স্বাধীনতার ৫৩ বছর-প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক অনলাইন ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণী এবং করো’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

করো’র সহপ্রতিষ্ঠাতা মো: খালেদ সাইফুল্লাহ ও সাফা ইফতিসামের যৌথ সঞ্চালনায় সহপ্রতিষ্ঠাতা আরাফাত বিন ইউসুফের স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে সভাপতিত্ব করেন করো’র প্রতিষ্ঠিতা ও গবেষক এ এন এম নূরউদ্দিন। প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন করো’র ইন্টার্ন ও চবি শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার। আলোচনায় অংশনেন ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি ও তরুণ সংগঠক এম এ হানিফ নোমান ও ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম  বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সদস্য সচিব মোঃ খায়রুল ইসলাম। বিশেষ  অতিথির বক্তব্যে ক্যাব ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন তরুনদের মাঝে আশা জাগাতে করো’র এই সুন্দর এবং স্বপ্নচারী উদ্যোগের প্রশংসা করার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তরুণদের আলোচনার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন,”আমরা গ্লোবাল বিষয় নিয়ে যতটা কথা বলি, লোকাল বিষয় নিয়ে ততটা কথা বলি না। আমাদের লোকাল বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করা দরকার এবং এসব বিষয়ে ফোকাস করা উচিত। আমাদের তরুণদের পড়াশোনার প্রতি ব্যাপক অনীহা রয়েছে এবং তাদের মধ্যে ব্যবহারিক জ্ঞানের ব্যাপক অভাব রয়েছে। আপনি যদি সমাজকে পরিবর্তন করতে চান, সেক্ষেত্রে বাধা আসবেই। আপনাকেই সেই বাধাগুলো মোকাবিলা করতে হবে। আর প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়ক শিক্ষা কারিকুলাম তৈরীতে শিক্ষবিদদের পরামর্শ নিয়ে সুগঠিত কারিকুলামের মাধ্যমে করো’র যাত্রা শুরু হলে আশা করি এটি সমাজে একটা পরিবর্তন নিয়ে আসবেই।

 

সেমিনার শেষে ‘স্বাধীনতার ৫৩ বছর-প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক অনলাইন ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শুরু হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের হাত থেকে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মাধ্যমে উক্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়। উক্ত অনলাইন ইভেন্টে দেশের ৪০ জেলা থেকে বিভিন্ন বয়সের এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সৃজনশীল মেধাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের লেখা এবং ভিডিও কন্টেন্ট জমা দেয়। শিক্ষার্থীদের জমাকৃত লেখা এবং ভিডিও কন্টেন্টের মধ্যে ফুটে উঠে স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নের চিত্র, সেই সাথে এদেশের প্রতি তরুণদের বিভিন্ন প্রত্যাশা এবং দাবি জানানো হয়। পরবর্তীতে ২৭শে মার্চ ২০২৪ উক্ত প্রতিযোগিতার নিয়মানুসারে উভয় প্রতিযোগিতা থেকে প্রথম ৫ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ