তরুণ সমাজকে দেশপ্রেমে জাগ্রত করতে না পারলে স্বাধীনতা প্রকৃত মর্মবানী উপলদ্ধি করা যাবে না-চবির ভিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

 

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের বলেছেন  স্বাধীনতার মূল মর্মবানী অনুধাবনে তরুন সমাজ সক্ষম হয়নি বা তাদের কাছে সে তথ্য পৌঁছানো যায়নি। এর কারণে তরুন সমাজ এখন শুধুমাত্র নিজেকে ব্যস্ত, দেশ, সমাজ ও পরিবারকে নিয়ে ভাববার কোন সময় তাদের থাকছে না। আর সুযোগ পেলেই বিদেশ পাড়ি দেন। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার  ত্রুটি, দুর্বলতা, শিক্ষকদের আধুনিক ও পরিবর্তনশীল বিষয়ে সাথে খাপ-খাওয়াতে না পারা, তরুণদের মধ্যে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও নেতৃত্বের বিকাশের সীমাবদ্ধতা  এবং দেশে দক্ষ প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠির তৈরীর ঘাটতির কারনে হতাশার পরিমান বেশি। বিপুল পরিমান তরুণজনগোষ্ঠি জনশক্তি না হয়ে হতাশাগ্রস্ত বেকার হয়ে জাতির জন্য বোঝা হয়ে আছে। তিনি আরও বলেন, কীভাবে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশে পরিণত হতে পারে, কীভাবে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের প্রতিটি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে বিশ্বের বুকে নিজের নাম উজ্জ্বল করতে পারে সেই বিষয়ে সকলের সমন্তি প্রয়াসের ওপর আলোকপাত করেন। এক্ষেত্রে তরুণদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুবকদেরকে দেশগঠনে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন, বর্তমান তরুণদেরও একইভাবে সংগঠিত হতে হবে। তাদেরকে নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। এমনকি স্থানীয় সমস্যাগুলোর পাশাপাশি আন্তজাতিক সমস্যা মোকাবিলায় নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে হবে। ২০ই এপ্রিল রোজ শনিবার, চট্টগ্রামের মুরাদপুরস্থ উইশ ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্টে বেসরকারি সংস্থা কেয়ার ফর এসেস্টস,রিসোর্সেস এন্ড অবলিগেশনস (করো) কর্তৃক “পিপল ম্যাটার, উই ম্যাটার,আওয়ার ওপিনিয়ন ম্যাটারস, ডেমোক্রেসি ম্যাটারস” শীর্ষক সেমিনার, ‘স্বাধীনতার ৫৩ বছর-প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক অনলাইন ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণী এবং করো’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

করো’র সহপ্রতিষ্ঠাতা মো: খালেদ সাইফুল্লাহ ও সাফা ইফতিসামের যৌথ সঞ্চালনায় সহপ্রতিষ্ঠাতা আরাফাত বিন ইউসুফের স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন। এছাড়াও উক্ত অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে সভাপতিত্ব করেন করো’র প্রতিষ্ঠিতা ও গবেষক এ এন এম নূরউদ্দিন। প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন করো’র ইন্টার্ন ও চবি শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার। আলোচনায় অংশনেন ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি ও তরুণ সংগঠক এম এ হানিফ নোমান ও ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম  বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সদস্য সচিব মোঃ খায়রুল ইসলাম। বিশেষ  অতিথির বক্তব্যে ক্যাব ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন তরুনদের মাঝে আশা জাগাতে করো’র এই সুন্দর এবং স্বপ্নচারী উদ্যোগের প্রশংসা করার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে তরুণদের আলোচনার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন,”আমরা গ্লোবাল বিষয় নিয়ে যতটা কথা বলি, লোকাল বিষয় নিয়ে ততটা কথা বলি না। আমাদের লোকাল বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করা দরকার এবং এসব বিষয়ে ফোকাস করা উচিত। আমাদের তরুণদের পড়াশোনার প্রতি ব্যাপক অনীহা রয়েছে এবং তাদের মধ্যে ব্যবহারিক জ্ঞানের ব্যাপক অভাব রয়েছে। আপনি যদি সমাজকে পরিবর্তন করতে চান, সেক্ষেত্রে বাধা আসবেই। আপনাকেই সেই বাধাগুলো মোকাবিলা করতে হবে। আর প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়ক শিক্ষা কারিকুলাম তৈরীতে শিক্ষবিদদের পরামর্শ নিয়ে সুগঠিত কারিকুলামের মাধ্যমে করো’র যাত্রা শুরু হলে আশা করি এটি সমাজে একটা পরিবর্তন নিয়ে আসবেই।

 

সেমিনার শেষে ‘স্বাধীনতার ৫৩ বছর-প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক অনলাইন ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শুরু হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের হাত থেকে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার মাধ্যমে উক্ত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়। উক্ত অনলাইন ইভেন্টে দেশের ৪০ জেলা থেকে বিভিন্ন বয়সের এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সৃজনশীল মেধাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের লেখা এবং ভিডিও কন্টেন্ট জমা দেয়। শিক্ষার্থীদের জমাকৃত লেখা এবং ভিডিও কন্টেন্টের মধ্যে ফুটে উঠে স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নের চিত্র, সেই সাথে এদেশের প্রতি তরুণদের বিভিন্ন প্রত্যাশা এবং দাবি জানানো হয়। পরবর্তীতে ২৭শে মার্চ ২০২৪ উক্ত প্রতিযোগিতার নিয়মানুসারে উভয় প্রতিযোগিতা থেকে প্রথম ৫ জনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চিংড়ি প্রকল্পের দখল নিয়ে শেষ রাতে গোলাগুলি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিংড়ি প্রকল্পের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধসহ গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সরল ইউনিয়নের উত্তর সরল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন তাজুরঘোনা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, গোলাগুলির ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ থেকে ১০ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে এর মধ্যে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি থাকলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, স্থানীয়ভাবে তৈরি একনলা বন্দুক দিয়ে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, এলাকায় নতুন করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে শান্ত থাকার এবং অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাজুরঘোনা এলাকার একটি চিংড়ি প্রকল্পের মালিকানা ও দখল নিয়ে স্থানীয় কবির গ্রুপ ও মনসুর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাতে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে একপক্ষ অন্যপক্ষকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে কয়েকজন পথচারীসহ সংঘর্ষে লিপ্ত ব্যক্তিরা গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী দল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। অভিযানে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) মো. ইব্রাহীম, আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান ও বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হকসহ জেলা পুলিশের একটি বড় দল অংশ নেয়।

মৃদুল আচার্য্যরে মৃত্যুতে শোক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উত্তর কাট্টলী আচার্য্য পাড়া নিবাসী স্বর্গীয় বিনন্দ গোপাল আচার্যের জ্যৈষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশ ন্যাশনাল এষ্ট্রোলজার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জ্যোতিষ ভাস্কর শয়ন আচার্য্যরে পিতা মৃদুল আচার্য্য সন্ধ্যায় ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে স্বর্গলোকে গমন করেছেন। ইহধাম ত্যাগকালে তিনি ৩ পুত্র ও নাতি নাতনীসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য বলাই, সাধারণ সম্পাদক লায়ন সলিল আচার্য্য ও সূর্যগিরি আশ্রমের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনাজ্ঞাপন করা হয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ