আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে চসিক প্রকৌশলীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:

সড়ক দুর্ঘটনা কোনো দৈব বিষয় নয়। এর পিছনে নানান কারণ কাজ করে যেগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব। সড়ক ডিজাইনে ত্রæটি, ফিটনেসবিহীন যান চলাচল, চালকের অদক্ষতাসহ বিভিন্ন কারণেই রোড ক্র্যাশ হতে পারে।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) প্রকৌশলীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মশালায় একথা বলেন প্রধান প্রকৌশলী শাহিন-উল ইসলাম চৌধুরী। কর্মশালার উদ্বোধনী অন্ষ্ঠুানে তিনি বলেন, নগরীর সড়কগুলোকে নিরাপদ করতে চসিক, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), পুলিশ সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আশা করেন, এই কর্মশালা চসিক প্রকৌশলীদের ভবিষ্যতে নিরাপদ সড়ক নির্মাণে সহায়তা করবে।আজ বৃহস্পতিবার নগরীর লালদিঘীতে চসিক লাইব্রেরি ভবনের হলরুমে চসিক প্রকৌশলীদের জন্য ‘কোলাবোরেটিভ ডিজাইন লার্নিং-অন গ্রাউন্ড টেস্ট’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট (ডব্লিউআরআই)। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রকৌশলীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মশালা সিরিজের এটা তৃতীয় কর্মশালা।

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসরণ করে স¤প্রতি নগরীর ‘কাপ্তাই রাস্তার মাথা’ ইন্টারসেকশনের ডিজাইন করেছে ডব্লিউআরআই। ডিজাইনটির কার্যকারিতা যাচাই করার জন্য আগামী সাতদিন তা অস্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে চসিক প্রকৌশলীদের সার্বিক ধারণা প্রদান করতে কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।

চট্টগ্রাম নগরীতে রোড ক্র্যাশে মৃত্যু প্রতিরোধে ব্লæমবার্গ ফিলানথ্রপিস ইনিশিয়েটিভ ফর গ্লোবাল রোড সেফটি’র (বিআইজিআরএস) সাথে কাজ শুরু করেছে চসিক। বিআইজিআরএসের অংশীদার হিসাবে, প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক এবং স্থানীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে নিরাপদ সড়ক ডিজাইন ও নির্মাণে শহরগুলিকে সহায়তা করে থাকে।

এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম শহরে ইন্টারসেকশন ও সড়ক ডিজাইনের বিষয়ে চসিক প্রকৌশলীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এর আগে ‘ক্রিয়েটিং স্রি বটস ফর অল’ এবং ‘কোলাবোরেটিভ ডিজাইন লার্নিং-ইন্টারসেকশন ডিজাইন’ শীর্ষক কর্মশালা আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মাসুদ আহমেদ ও ডেপুটি কমিশনার (ট্রাফিক উত্তর) জয়নুল আবেদীন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালার শুরুতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যান প্রস্তুতি প্রকল্পের উপ-দলনেতা ড. মোহাম্মদ নুরুল হাসান চট্টগ্রাম নগরীতে নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

কর্মশালায় ডব্লিউআরআই-এর পরামর্শক স্থপতি ফারজানা ইসলাম তমা অংশগ্রহণকারী প্রকৌশলীদের সামনে ‘কাপ্তাই রাস্তার মাথা’ ইন্টারসেকশনের ডিজাইন প্রক্রিয়া তুলে করেন। তিনি বলেন, ‘সড়কের যেকোনো ডিজাইন স্থায়ীভাবে বাস্তবায়নের পূর্বে পরীক্ষামূলকভাবে এর কার্যকারিতা যাচাই করা উচিৎ। এর ফলে ডিজাইনের কোনো ত্রæটি থাকলে তা সমাধান করা যায়। ‘কাপ্তাই রাস্তার মাথা’র ক্ষেত্রেও আগে পরীক্ষামূলকভাবে সাতদিন ডিজাইনটি যাচাই করা হবে। এটি সফল হলে চসিক তা স্থায়ীভাবে বাস্তবায়ন করবে।’
এরপর অংশগ্রহণকারী প্রকৌশলীরা কর্মশালার আলোচনার ভিত্তিতে একটি ইন্টারসেকশন ডিজাইন করেন। পরে তারা সরেজমিনে ‘কাপ্তাই রাস্তার মাথা’ ইন্টারসেকশনটি পরিদর্শন করেন। এসময় তারা সেখানে ইন্টারসেকশনের নতুন ডিজাইনের ট্রায়াল উদ্বোধন করেন। কর্মশালায় চসিকের ২৬ জন, সিডিএ’র ২ জন ও সড়ক বিভাগের একজন প্রকৌশলী এবং সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের ১০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

————
প্রান্ত/বাবুল, ১০.১০ টা ঘন্টা, ২০২৪।।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাত্র এক ঘণ্টায় পানি নেমে গেছে, এটি ইতিবাচক দিক—সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর চলমান খাল সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের কারণে সাময়িকভাবে কিছু এলাকায় পানি জমলেও পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, “এবার পানি দীর্ঘসময় স্থায়ী হয়নি। মাত্র ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘণ্টার মধ্যেই পানি নেমে গেছে, যা আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা।


শনিবার রাতে প্রবর্তক মোড় এলাকায় পরিদর্শনে এসে মেয়র বলেন, খাল সংস্কার ও বাঁধ অপসারণের কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। তবে নগরবাসী ও গণমাধ্যমকে সহায়তার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড ও সিডিএ’কে অন্তত পাঁচ থেকে সাত দিন সময় দিতে হবে।তিনি জানান, হিজড়া খাল, জামালখান খাল, মুরাদপুর খাল ও রামপুর খালসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় ৩০টি বাঁধ অপসারণের কাজ চলছে। এসব কাজ সম্পন্ন করতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পাঁচ দিন সময় চাওয়া হলেও শনিবার আবারও বৃষ্টি হওয়ায় কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে তাই তিনি অতিরিক্ত আরও দুই দিন সময় লাগতে পারে। প্রয়োজনে আরও কয়েকদিন সময় বাড়ানো হতে পারে।

মেয়র বলেন, “যেকোনো ভারী বৃষ্টিতে কিছু সময়ের জন্য পানি জমতেই পারে। কিন্তু সেটি দীর্ঘসময় স্থায়ী হলেই কেবল তাকে জলাবদ্ধতা বলা যায়। আগে অনেক এলাকায় দুই থেকে তিন দিন পর্যন্ত পানি থাকত, এখন এক ঘণ্টার মধ্যেই নেমে যাচ্ছে। এটিকে ইতিবাচকভাবে দেখতে হবে।তিনি আরও বলেন, চলমান বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে চসিক ইতোমধ্যে ১৫ এপ্রিল থেকে নালা-নর্দমা ও খাল পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করেছে, যা আগামী ছয় মাস অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি নগরীর ২১টি খাল খননের জন্য ডিপিপি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, সিডিএর অধীনে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড বিভিন্ন খাল ও সেতু সংলগ্ন এলাকায় কাজ করছে। তবে নগরবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় কিছু স্থানে সাময়িকভাবে কাজ স্থগিত রেখে বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে, যাতে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে।তিনি বলেন, “রিটেইনিং ওয়াল ও শিটপাইলের কিছু কাজ এখনই শেষ করা সম্ভব হবে না। কারণ এগুলো সরিয়ে ফেললে রাস্তা ও খালের ক্ষতি হতে পারে। তাই ধাপে ধাপে কাজ সম্পন্ন করা হবে।

মেয়র আরও জানান, আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ২৫ মে থেকে ভারী বর্ষণ শুরু হতে পারে। তাই এর আগেই ২০ মে’র মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করছে।
জলাবদ্ধতায় সাময়িক ভোগান্তির জন্য নগরবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করে মেয়র বলেন, “আমরা সবাই মিলে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তাই চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে ইতিবাচকভাবে দেখা এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সময় দেওয়া জরুরি।”

তিনি দাবি করেন, আগে যেসব এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা ছিল, তার অনেকগুলোতেই এবার পানি জমেনি। তবে হিজড়া খাল, কাট্টলী, গেইটস মোড়, চকবাজার ও জামালখান এলাকার কিছু অংশে পানি জমার বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের চট্টগ্রামস্থ সহকারী হাইকমিশনের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন আজ বুধবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দীর্ঘ চার বছর বাংলাদেশে কর্মরত থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ডা. রাজীব রঞ্জনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় মেয়র বলেন, “বৈচিত্র্যই ভারতের বড় শক্তি। ভারতের এক একটি রাজ্য থেকে আরেকটি রাজ্যের পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির ভিন্নতা রয়েছে। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশকে ঐক্যবদ্ধ করে চলতে পারার কারণেই ভারত বিশ্বের বুকে একটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আমি ব্যক্তি জীবনে অনেকবার ভারতে গিয়েছি, এমনকি পড়াশোনার জন্যও গিয়েছি।তিনি আরও বলেন – বাংলাদেশের অনেক মানুষ ধর্মীয়, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারতে যান। তাদের ভিসা প্রসেসিং সহজ হলে এবং ভিসা প্রদানের গতি বাড়লে উভয় দেশের মানুষই উপকৃত হবে।”

বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, “চট্টগ্রাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি নগরী। কারণ চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ এখনো অনেকটাই সংরক্ষিত আছে। বিশেষ করে ভাটিয়ারী, পতেঙ্গা ও ফয়’স লেক এলাকা অত্যন্ত নয়নাভিরাম। চট্টগ্রাম শহরের পাহাড় এবং নদীও অপূর্ব সুন্দর। পর্যটনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ যদি এই সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে, তবে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান।সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মেয়র মহোদয় বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনারকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ