আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

ভোক্তা অধিকার সুরক্ষাসহ সামাজিক অনাচার রোধে তরুনদের ভূমিকা রাখার আহবান

প্রেস রিলিজ

ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ঈদ পূর্নমিলনী ও চড়ইভাতি অনুষ্ঠানে বক্তাগন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

ভোক্তা অধিকার বলতে অনেকেরই ধারনা “রমজানে নিত্যপণ্যের বাজার ও হোটেল রেস্তোরায় ভেজাল খাবার বিক্রি বন্ধ” সংক্রান্ত কার্যক্রম। অথচ ক্যাব মনে করে, “মানুষের জীবন ও জীবিকার সাথে জড়িত অধিকারগুলোর সুরক্ষা দেয়াই ভোক্তা অধিকার”। মানুষ রাজনৈতিক দলের নেতা বা কর্মী হবার জন্য যে ধরনের আগ্রহী সেভাবে সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত হতে সেভাবে আগ্রহী নয়। কারন রাজনৈতিক দলের নেতা বা কর্মী হতে পারলেই বিপুল অর্থ ভিত্তের মালিক হওয়া খুবই সহজ। সেকারণে করোনায় সময় একটি মাক্স বিতরণ করে ছবি তুলে করোনা যোদ্ধা আবার প্রচন্ড তাপদাহে এক গ্লাস সরবরত দিয়ে ভিড়িও করে মানবতাবাদী হওয়ার দৌড়ে অনেকেই সামিল হচ্ছেন। কিন্তু নিত্যনৈমত্তিকভাবে মানুষ কষ্ঠ পাচ্ছে অথবা মানুষে ভোগান্তির সীমা নেই, সে বিষয়ে কোন কিছু করতেই কারোও আগ্রহ নেই। সবাই সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে মরিয়া হয়ে উঠছে। আর সেপ্রতিযোগিতায় সরকারী দপ্তরগুলো থেমে নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হবার জন্য নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে আসছেন, অথচ তাকে যে কারণে চাকুরীতে নিয়োগ দেয়া হয়েছে সে দায়িত্বপালনের কোন খবর নেই। তাই সমাজের ঘুনে ধরা এসমস্ত শিকলগুলো ভাঙ্গতে হলে তরুন সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। কারন দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে সবগুলো আন্দোলন ও পরিবর্তনে তরুন সমাজই দেশকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। ০৪ মে ২০২৪ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পাম বাগানে ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগর ও বিশ্ববিদ্যালয় এর আয়োজনে ঈদ পূর্নমিলনী ও চড়ইভাতি অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বক্তাগন উপরেক্ত মন্তব্য করেন।

ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর সভাপতি ফজলে রাব্বি তৌহিদের সভাপতিত্বে ও ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগর’র সভাপতি আবু হানিফ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর ও এডাব চট্টগ্রামের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, ক্যাব নেতা ও চট্টগ্রাম সিটিকরপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগরের চান্দগাও থানা সভাপতি মোহাম্মদ জানে আলম, সদরঘাট থানা সভাপতি শাহীন চৌধুরী, চকবাজারের আবদুল আলিম, ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্ঠা জামিল নওশাদ, ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারন সম্পাদক খাইরুল ইসলাম, সদস্য সাকিব আহমেদ শুভ, ক্যাব যুব গ্রুপ চট্টগ্রাম মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি নিলয় বর্মন প্রমুখ।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই ঈদ পূর্নমিলনী ও চড়ইভাতি অনুষ্ঠানে অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে ছিলো আকর্ষনীয় র‌্যাফল ড্র, হাড়িভাঙ্গা ও বিস্কুট খাওয়া প্রতিযোগিতা এবং বালিশ খেলা। এতে অন্যান্যদের মধ্যে মাওয়া আকতার জ্যোতি, তানিয়া সুলতানা, জুমা, সানজানা, খালেদ সাইফুল্লাহ, মোহাম্মদ জানে আলম প্রমুখ বিভিন্ন ইভেন্টে পুরস্কৃত হন। মনোজ্ঞ এ অনুষ্ঠানে ক্যাব যুব গ্রুপসহ ক্যাব সদস্য/সদস্যাসহ শতাধিক অংশগ্রহনকারী অংশনেন করেন। ক্যাব যুব গ্রুপের এই ব্যতিক্রমধর্মী ঈদ পূর্নমিলনী ও চড়ইভাতি তরুন সমাজকে দেশও জাতিগঠনমুলক কাজে আরও বেশি অংশগ্রহনের ক্ষেত্রে উৎসাহিত করবে এবং প্রচন্ড তাপদাহ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক কোমল ও দুষণবিহীন পরিবেশে একদিন সময় কাঠানো সকলের জন্য তারুণ্য ও উদ্দীপনা জাগাতে অনেকখানি ভুমিকা রেখেছে বলে অনেক অংশগ্রহনকারী মনে করছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

বিএসএফের টাকার টোপে সীমান্তের দরিদ্ররা সহযোগিতা করছেন পুশ-ইনে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীমান্তজুড়ে পুশ-ইন ইস্যু নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলা দিয়ে নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে কড়া নজরদারির কারণে অনেক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও এ কাজে সীমান্ত এলাকার কিছু দরিদ্র মানুষকে অর্থের প্রলোভনে ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্তে গিয়ে জানা গেছে, সীমান্তঘেঁষা নদীপথগুলো এখন নতুন কৌশলের অংশ হয়ে উঠেছে। আগে যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া কিংবা স্থলপথে কড়াকড়ি ছিল, এখন সেখানে নদীপথকে ব্যবহার করে রাতের অন্ধকার কিংবা ভোরের সময় পুশ-ইনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এমন একাধিক ঘটনার তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও এসেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী দরিদ্র কিছু বাংলাদেশিকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এসব কাজে ব্যবহার করছে বিএসএফ।

সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন কার্যক্রমে কিছু বাংলাদেশি নাগরিকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী- একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিএসএফের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এসব পুশইনে সহায়তা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একজনকে পুশ-ইন করতে পারলে দেওয়া হচ্ছে ১০ হাজার টাকা। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে।

তবে সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না এবং যেকোনো পুশ-ইনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ