আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

বিদেশে বিকাশ ব্যবহার করতে যা আপনার জানা দরকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে তাদের অর্জিত অর্থ দেশে পাঠানোর জন্য বিভিন্ন প্রকার উপায় অবলম্বন করে থাকেন। দেশে মোবাইল ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে বিকাশ নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিকাশ বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের বিকাশ একাউন্ট খুলে সেটি ব্যবহার করার সুবিধা প্রদান করেছে। 

বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করে এখন মূহুর্তের মাধ্যমেই প্রিয়জনের কাছে নিশ্চিন্তে টাকা পাঠানো যাবে। বিদেশ থেকে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করার জন্য একজন বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্রধারী গ্রাহক তার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বসবাসরত দেশের মোবাইল নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন। 

কোন কোন দেশ থেকে বিকাশ একাউন্ট খোলা যাবে?

বর্তমানে প্রবাসীরা ১২ টি দেশের মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠান ও পেওনিয়ার থেকে নিজ মোবাইলে থাকা বিকাশ একাউন্টে টাকা এনে দেশে থাকা প্রিয়জনদের বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন। বাংলাদেশের বাইরে যেসকল দেশে বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে সেগুলো হলো যুক্তরাজ্য, ইতালি, দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত, বাহরাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া। 

বিদেশে থাকা ব্যাক্তিদের বিকাশ নাম্বার পরিবর্তন 

প্রবাসী ব্যক্তিদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড দিয়ে যদি বাংলাদেশের নাম্বার দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলা থাকে তাহলে সেটি তারা পরিবর্তন করতে পারবেন। বিকাশ নাম্বার পরিবর্তন করার জন্য নিম্নোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে- 

  • বিকাশ অ্যাপ খুলে বিকাশ নাম্বার পরিবর্তন এ ট্যাপ করুন। 
  • নোটিফিকেশনটি চেক করুন।
  • বর্তমান বাংলাদেশি মোবাইল নাম্বার দিন।
  • নতুন বিদেশি মোবাইল নাম্বার দিন।
  • বিদেশী মোবাইল নাম্বারে পাঠানো ভেরিফিকেশন কোড নিশ্চিত করুন।
  • প্রমাণ হিসেবে পাসপোর্টের দেশ ত্যাগ অথবা বিদেশে প্রবেশের স্ট্যাম্পের ছবি প্রদান করুন।
  • যাচাই করতে আপনার চেহারার ছবি তুলুন।
  • বিদেশী মোবাইল নাম্বারে এসএমএস এ পাওয়া অস্থায়ী পিন দিন।
  • ৫ ডিজিটের নতুন পিন নাম্বার নির্বাচন করুন। 
  • বিদেশি মোবাইল নাম্বার ও পিন নাম্বার দিয়ে লগ ইন করুন। 
  • আপনার নাম ও প্রোফাইল ছবি সেট করুন।
  • এভাবে বিদেশ থেকে ব্যবহার করুন বিকাশ অ্যাপ।

নিচের বিকাশের অফিসিয়াল ছবিটি দেখে আরও ভাল আইডিয়া পেতে পারেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রজন্মের উদ্ভাবনী মিলনমেলা।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিসারিজ অডিটোরিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স অনুষ্ঠান। হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনটি  স্কুল-কলেজের তরুণ উদ্ভাবক ও নেতৃত্বকে একত্রিত করে সৃজনশীলতা ও সামাজিক উদ্ভাবন উদযাপনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, সিইও ও চেয়ারম্যান, পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড; সারফুদ্দিন, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; মো. মুফিদুর রহমান, প্রভাষক, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; এবং মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা;অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও পরিচালক;আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নার্গিস ফাতেমা-এর মূল বক্তব্য, যেখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া নিজের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করে যে, প্রভাবশালী ধারণার সূচনা যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

এ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল নিবন্ধন করে, যার মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি দল অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় টিম “ইকোজিরকন (EcoZircon)” সেরা দল নির্বাচিত হয়, টিম “টম অ্যান্ড জেরি (Tom & Jerry)”  প্রথম রানার-আপ এবং টিম “অ্যাকোয়া ফাইবার (Aqua Fiber)” দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ অনিক (২০২৫–২৬)-এর নেতৃত্বে। এতে কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ চিফ অব স্টাফ এবং কারিন সাফফানা চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুরো আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট টিম-এর প্রধান নিশাত তাহসিন চৌধুরী লামিয়া ও তানজিফ হাসান, পাশাপাশি জাজেস অ্যান্ড পার্টিসিপ্যান্টস ম্যানেজমেন্ট টিম-এর প্রধান শাজিয়া রহমান ও রাহবার করিম।

হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবারও প্রমাণ করেছে যে এটি তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ এবং সাহসী চিন্তা ও সীমাহীন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম।

গ্রন্থাগার সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন ঃ চুয়েট ভিসি


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, গ্রন্থাগার কেবল বই সংরক্ষণের স্থান নয় বরং এটি সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন। যে জাতির গ্রন্থাগার যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত ও অগ্রসর। একটি জাতির মেধা, মনন, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও লালনকারী হিসেবে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের ভূমিকা সুদূরপ্রসারী এবং দীর্ঘস্থায়ী।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উদ্যোগে “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬”-এর আলোচনা সভা ও “অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরি” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন চুয়েটের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ আবির। চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান জনাব মোহাঃ নাসিরুজ্জামান।

এতে সঞ্চালনা করেন সহকারী লাইব্রেরিয়ান শারমিন সুলতানা তমা।উল্লেখ্য, “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬” উপলক্ষে এক বণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিকালে অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরির উপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকার।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ