বিদেশে বিকাশ ব্যবহার করতে যা আপনার জানা দরকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিদেশে তাদের অর্জিত অর্থ দেশে পাঠানোর জন্য বিভিন্ন প্রকার উপায় অবলম্বন করে থাকেন। দেশে মোবাইল ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে বিকাশ নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিকাশ বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের বিকাশ একাউন্ট খুলে সেটি ব্যবহার করার সুবিধা প্রদান করেছে। 

বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করে এখন মূহুর্তের মাধ্যমেই প্রিয়জনের কাছে নিশ্চিন্তে টাকা পাঠানো যাবে। বিদেশ থেকে বিকাশ একাউন্ট ব্যবহার করার জন্য একজন বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্রধারী গ্রাহক তার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং বসবাসরত দেশের মোবাইল নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন। 

কোন কোন দেশ থেকে বিকাশ একাউন্ট খোলা যাবে?

বর্তমানে প্রবাসীরা ১২ টি দেশের মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠান ও পেওনিয়ার থেকে নিজ মোবাইলে থাকা বিকাশ একাউন্টে টাকা এনে দেশে থাকা প্রিয়জনদের বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন। বাংলাদেশের বাইরে যেসকল দেশে বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে সেগুলো হলো যুক্তরাজ্য, ইতালি, দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত, বাহরাইন, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়া। 

বিদেশে থাকা ব্যাক্তিদের বিকাশ নাম্বার পরিবর্তন 

প্রবাসী ব্যক্তিদের ন্যাশনাল আইডি কার্ড দিয়ে যদি বাংলাদেশের নাম্বার দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলা থাকে তাহলে সেটি তারা পরিবর্তন করতে পারবেন। বিকাশ নাম্বার পরিবর্তন করার জন্য নিম্নোক্ত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে- 

  • বিকাশ অ্যাপ খুলে বিকাশ নাম্বার পরিবর্তন এ ট্যাপ করুন। 
  • নোটিফিকেশনটি চেক করুন।
  • বর্তমান বাংলাদেশি মোবাইল নাম্বার দিন।
  • নতুন বিদেশি মোবাইল নাম্বার দিন।
  • বিদেশী মোবাইল নাম্বারে পাঠানো ভেরিফিকেশন কোড নিশ্চিত করুন।
  • প্রমাণ হিসেবে পাসপোর্টের দেশ ত্যাগ অথবা বিদেশে প্রবেশের স্ট্যাম্পের ছবি প্রদান করুন।
  • যাচাই করতে আপনার চেহারার ছবি তুলুন।
  • বিদেশী মোবাইল নাম্বারে এসএমএস এ পাওয়া অস্থায়ী পিন দিন।
  • ৫ ডিজিটের নতুন পিন নাম্বার নির্বাচন করুন। 
  • বিদেশি মোবাইল নাম্বার ও পিন নাম্বার দিয়ে লগ ইন করুন। 
  • আপনার নাম ও প্রোফাইল ছবি সেট করুন।
  • এভাবে বিদেশ থেকে ব্যবহার করুন বিকাশ অ্যাপ।

নিচের বিকাশের অফিসিয়াল ছবিটি দেখে আরও ভাল আইডিয়া পেতে পারেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে ক্যাম্পাসে ফেরার ইঙ্গিত চুয়েট ভিসির


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তিনি পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস পেয়েছেন। দ্রুত সুস্থ হয়ে তাকে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে পদত্যাগ এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে না ফেরার বিষয়ে কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি দেওয়ার খবরকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। পরে হাসপাতাল থেকে গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান তিনি।এর আগে বিকালে চুয়েট ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবন থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
উপাচার্য জানান, দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ থাকায় তিনি ও তার সঙ্গে থাকা আরও ১০ জনের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। তাদের মধ্যে দুজন অ্যালামনাই সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সরকারি চিকিৎসক ও সিভিল সার্জনের পরামর্শে তাকেও হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে তিনি জানান, সরকার আমাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে।
এদিকে পদত্যাগ এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে না ফেরার বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে অসত্য দাবি করে একটি বিবৃতি দিয়েছে উপাচার্য। এ প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আমি পদত্যাগ করেছি এবং ভবিষ্যতে চুয়েট ক্যাম্পাসে পদার্পণ করব না, এ রকম কোনো বক্তব্য আমি দিইনি। যখন আমাকে নিয়ে আসা হচ্ছিল, তখন আমার কথা বলার মতো পরিস্থিতি ছিল না।
এর আগে মঙ্গলবার বিকালে চুয়েট ক্যাম্পাসে যান চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মধ্যস্থতায় উপাচার্যসহ অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের বের করে আনা হয়।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আহনাফ শাহরিয়ার অর্ণবের দাবি, ‘ভিসি হিসেবে এই চুয়েট ক্যাম্পাসে তিনি আর কখনো ফিরে আসবে না’ এই শর্তে জেলা প্রশাসক উপাচার্যকে নিয়ে গেছেন।
এদিকে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন এর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন কর্মচারী সমিতির সদস্যরা।

জবিতে পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞা, প্রতিবাদে গরু ভোজের আয়োজন


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পশু জবাইয়ে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে গরু ভোজের আয়োজন করতে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। আগামী শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি পোস্টে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়। এতে অংশগ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পশু জবাই থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেয় প্রশাসন। এর পরিপ্রেক্ষিতে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে গরু ভোজের আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ