আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

জিএমপি পূবাইল থানা পুলিশ কর্তৃক অভিযান হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার – ৪

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

জিএমপি পূবাইল থানার এসআই (নিঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম ও তার সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিতিত্তে পূবাইল  থানাধীন সাতানীপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালানা করে রবিউল (২৮) হত্যাকান্ডের সহিদ জড়িত ৪ জন আসামীকে গ্রেফতার করে পূবাইল থানা পুলিশ।পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো মৃত হাফিজুর রহমান ছেলে মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৪৫)শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী থানার বালুঘাট এলাকার মোঃ আবুল কালাম আজাদ এর ছেলে মোঃ হুমায়ুন কবির (১৯), ৩। শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী থানার বালুঘাট এলাকার মোঃ আবুল কালাম আজাদ এর মেয়ে মোসাঃ কারিমা (২২) বর্তমানে জিএমপি পূবাইল থানার ৪১নং ওয়ার্ড এর সাতানীপাড়া এলাকার (গফুরের বাড়ীর ভাড়াটিয়া) এবং ৪। শরীয়তপুর জেলার নড়ীয়া থানার আইটপাড়া গ্রামের মোঃ বাবুল এর ছেলে মোঃ লিটন (৪৬). বর্তমানে জিএমপি পূবাইল থানার ৪১নং ওয়ার্ড এর সাতানীপাড়া এলাকার ভাড়া থাকেন।পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামরুজ্জামান আরও জানান, আসামীগন অজ্ঞাতনামাআরও ০৪/০৫ জন আসামীগন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রবিউলকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাঁশের মোটা লাঠি দিয়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। পেনিসে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। ডান হাতের বাহুতে কামড় দিয়ে জখম করে এবং দুই চোখে আঘাত করে রক্ত জমাট বাঁধা জখম করে ঘরে ফেলে রাখে। পরবর্তীতে রবিউল এর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ৯ মে ২০২৪  সকাল অনুমান সাড়ে ৮টায় তাকে দ্রুত শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল, টঙ্গী, গাজীপুর নিয়ে গিয়ে ভর্তি করালে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক রবিউল এর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। তৎক্ষণাত এ্যাম্বুলেন্স যোগে ঢাকা হাসপাতালে নেওয়ার পথে উত্তরা জসিম উদ্দিন রোডে পৌঁছালে রবিউল মৃত্যুবরণ করেন।উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে পূবাইল থানার মামলা নং-৮ তারিখ-১১/০৫/২৪  ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হলে জিএমপি পূবাইল থানার এসআই (নিঃ) মোঃ রফিকুল ইসলাম ও তার সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোপন সংবাদের ভিতিত্তে ৪ জনকে আসামীকে গ্রেফতার করেন।তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার পূর্বক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসামীগন হত্যাকান্ডের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে। আসামীদের বিরুদ্ধে যাবতীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ