রোগীদের সাথে নার্সদের ভালো ব্যবহার স্বাস্থ্য বিভাগের সম্মান বৃদ্ধি পাবে

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নার্সিং কর্মকর্তাদের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস উপলক্ষে গতকাল রোববার সকালে বেলুন-শান্তির পায়রা উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন, বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কেটে আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল’র ২০৪তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে-“আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ ঃ অর্থনৈতিক শক্তি- নার্সিং সেবায় ভিত্তি”। অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ চৌধুরী অভি। এর পর বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনঃরায় হাসপাতালে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে অতিথিবৃন্দরাসহ, নার্সিং সুপারভাইজার, সিনিয়র স্টাফ নার্স, নার্স ও কর্মচারীরা অংশ নেন। হাসপাতালের সকল নার্সিং কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবসের আয়োজন করেন।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক রাশনা দাশের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র স্টাফ নার্স দীপ্তি ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কনসালট্যান্ট (সার্জারী) ডা. বিজন কুমার নাথ। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. গোলাম মোস্তফা জামাল, হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি) ডা. রওশন আরা শিমুল ও সহকারী পরিচালক (নার্সিং) ঝর্ণা দত্ত। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সহকারী জেলা হেলথ নার্স সালমা আক্তার, হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স চায়না রানী শীল ও সিনিয়র স্টাফ নার্স মোঃ আবদুল মুকিত। আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে আধুনিক নার্সিংয়ের প্রবর্তক ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল’র ২০৪-তম জন্মবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালন করা হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কনসালট্যান্ট (সার্জারী) ডা. বিজন কুমার নাথ বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান আরও বৃদ্ধি করতে বর্তমান সরকার নার্সিং পেশাকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। নার্সিং পেশ অত্যন্ত মহৎ ও সেবাধর্মী একটি কাজ। এ পেশাকে গুরুত্ব দিয়ে বর্তমান সরকার নার্সদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি রোগীদের সাথে নার্সদের ভালো ব্যবহার, যোগাযোগ ও নিয়মিত উপস্থিতি স্বাস্থ্য বিভাগের সম্মানটুকুও বৃদ্ধি পাবে। কারণ ভালো ব্যবহার পেলে রোগীরা অর্ধেক সুস্থতা অনুভব করে। রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রাপ্তি দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। এজন্য সবাইকে আরও আন্তরিক হয়ে রোগীদেরকে সেবা দিতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দেশে যায়। সে সকল দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবায় রোগীরা সন্তুুষ্ট। সেখানকার হাসপাতালের নার্সরা রোগীদের সাথে ভালো আচরণের মাধ্যমে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে সেবা দেয়। আমাদের দেশেও সরকারী-রেসরকারী অনেক নার্সিং ইনস্টিটিউট রয়েছে। সেগুলো থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নার্সগণ রোগীদের সেবার উদ্দেশ্যে হাসপাতাল-ক্লিনিকে চাকুরী করছে। তাই উন্নত চিকিৎসা-সেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার-নার্সসহ আমাদেরকে সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। সেবার মানসিকতা ও আন্তরিকতা নিয়ে নার্সদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। সবসময় রোগীর পাশে থাকতে হবে। রোগীর সমস্যাকে নিজের সমস্যা মনে করে নিজের অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে সেবা দিতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. গোলাম মোস্তফা জামাল বলেন, চিকিৎসকগণ হাসপাতালে রোগীদেও চিকিৎসা দেন আর নার্সগণ রোগীদের যাবতীয় সেবা দিয়ে থাকেন। ফলে আমাদের দেশে বর্তমানে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার অনেকাংশে হ্রাস পাচ্ছে। বাংলাদেশে বিশ্বমানের নার্স গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের গৃহীত ও বাস্তবায়িত কার্যক্রমসমূহ সর্বস্তরে প্রশংসিত হয়েছে। নার্সদের কারণে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে স্বাস্থ্য বিভাগের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। নার্সিং পেশাকে একটি আদর্শ পেশা হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নার্সদের কঠিন পরিশ্রম ও তাদের সেবা ছাড়া কোনো রোগীর সুস্থ হয়ে উঠা কঠিন। আজ সেই মানুষদের শ্রদ্ধা জানানোর দিন। মানুষকে সেবা দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার আমাদেরকে অনেক সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। স্বাস্থ্যসেবা জণগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বিপুল সংখ্যক নার্স নিয়োগ, নতুন পদ সৃজন, বিশেষায়িত নার্স গড়ে তোলা, নার্সিং খাতের নানাবিধ প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করা, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নার্সিং সেবার মান বৃদ্ধি করাসহ নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা, সমাজ সংস্কারক ও পরিসংখ্যানবিদ মহিয়সী নারী ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল’র জীবনী থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজের দরিদ্র-অসহায় মানুষের সেবায় নার্সদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।
উল্লেখ্য যে, ১৮২০ সালে ১২ মে ইতালির এর আভিজাত পরিবারে ফ্লোরেন্স নাইটিংগেলের ১৯৭৪ সাল থেকে তাঁর জন্মদিনটি ‘ইন্টারন্যাশনাল নার্সেস ডে’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। ডার্বিশায়া থেকে ১৭ বছর বয়সে লন্ডনে আসেন ফ্লোরেন্স। সেই সময় লন্ডনের হাসপাতালের অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। কারণে কোনও সেবিকা সে সময় কাজ করতেন না। সে সময় নার্সিং পেশাকে সামাজিকভাবে মর্যাদা দেওয়া হত না। তা সত্ত্বেও নাইটিংগেল লড়াই করেন। তিনি ১৮৫১ সালে নার্সের প্রশিক্ষণ নিতে জার্মানিতে যান। তারপর তিনি নজে ১৮৬০ সালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য স্থাপন করেন নাইটিংগেল ট্রেনিং স্কুল। তারপর ১৮৬৭ সালে নিউইয়র্কে চালু হয় উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ।
এভাবে একে জন সমক্ষে আসতে শুরু করে এই পেশার গুরুত্ব। ভারতেও তাঁরই প্রচেষ্টায় এই পেশার খ্যাতি বাড়তে থাকে। ১৮৮৩ সালে তাঁর এই কাজের জন্য তিনি রয়েল রেডক্রস সম্মান লাভ করেন। একের পর এক সম্মান পান ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল। তারপর ১৮৬০ সালে লন্ডনে বিশ্বে প্রথম তৈরি হয় নার্সিং শেখানোর স্কুল। যে স্কুল নির্মাণে তাঁর ভূমিকা ছিল বিস্তর। যুগ যুগ ধরে সেবিকাদের পরিশ্রম চাক্ষুস করেছেন সকলে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বন্দরে ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে আসছে রেসিং কার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে বিএমডব্লিউ রেসিং কারসহ বিভিন্ন ধরনের গাড়ি আমদানির আনা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) এমন তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘এম/এস আয়াজ অটো ইন্টারন্যাশনাল’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আরব জাপান ইউজড কারস অ্যান্ড স্পেয়ার পার্টস কোম্পানি’ থেকে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ঘোষণা দিয়ে একটি চালান বন্দরে আনেন।

গতকাল কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায়, ওই চালানে সিকেডি (খণ্ড ) অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ স্পোর্টস বা রেসিং কার, আরেকটি বিএমডব্লিউ ৭৪০আই মডেলের সামনের অর্ধাংশ এবং অর্ধেক কেটে আনা পাঁচটি ইসুজু ট্রাক রয়েছে। গাড়িটির মডেল এস ড্রাইভ ২৩আই, ইঞ্জিন সক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি।

কায়িক পরীক্ষায় প্রথমে সিকেডি অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ দুই আসনের স্পোর্টস বা রেসিং কার পাওয়া যায়। গাড়িটির মডেল এস ড্রাইভ ২৩আই, ইঞ্জিন সক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি। আরও পাওয়া যায় বিএমডব্লিউ ৭৪০আই এর সামনের অর্ধাংশ। ২০১৬ মডেলের ওই গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষমতা প্রায় ৩০০০ সিসি।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাস্টমস আইন ২০২৩ এবং বিদ্যমান আমদানি নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিএমডব্লিউ গাড়িটির বাকি অংশের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু, চাটখিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভাঙচুর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফাতেমা হাসান রিমি নামে দুই মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতালটিতে ভাঙচুর চালিয়েছেন শিশুটির স্বজনেরা।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৩টা থেকে রাত পৌনে ৮ পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যান চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ।নিহত রিমি উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর মুন্সিমিয়া চৌকিদার বাড়ির রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির সন্তান।

নিহতের স্বজনেরা জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে হামে আক্রান্ত রিমিকে চিকিৎসার জন্য চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ সময় শিশুটির হামে আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট কর্তব্যরত চিকিৎসককে দেখানো হয়। পরে কর্তব্যরত নার্স শিশুটিকে ইনজেকশন ও স্যালাইন দেন। ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়ার কিছুক্ষণ পর রিমির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে হাসপাতালে অক্সিজেন নেই বলে জানানো হয়। পরে বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়।শিশুটির মা উম্মে সালমার অভিযোগ, চিকিৎসক ও নার্সের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণেই তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে চাটখিল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং নিহত শিশুর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ইউএনও ও ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তারা।

চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিন আক্তার বলেন, শিশুটি গত এক মাস ধরে অসুস্থ ছিল এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্যালাইন চলার সময় শিশুটির মা তাকে বুকের দুধ খাওয়ালে তা শ্বাসনালীতে আটকে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান। শিশুটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের মতো ছিল। তবে সে হামে আক্রান্ত ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, শিশুর মৃত্যুর পর স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। এতে তৃতীয় কোন পক্ষের ইন্ধন রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।

চাটখিল থানার ওসি আবদুল মোন্নাফ বলেন, নিহত শিশুর স্বজনেরা থানায় এসেছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।চাটখিল ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাওয়ার আগে নিহত শিশুর স্বজনেরা হাসপাতালে কিছু ভাঙচুর চালিয়েছেন।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ