আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

রোগীদের সাথে নার্সদের ভালো ব্যবহার স্বাস্থ্য বিভাগের সম্মান বৃদ্ধি পাবে

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল নার্সিং কর্মকর্তাদের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস উপলক্ষে গতকাল রোববার সকালে বেলুন-শান্তির পায়রা উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন, বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কেটে আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল’র ২০৪তম জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে-“আমাদের নার্স, আমাদের ভবিষ্যৎ ঃ অর্থনৈতিক শক্তি- নার্সিং সেবায় ভিত্তি”। অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ওয়াজেদ চৌধুরী অভি। এর পর বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনঃরায় হাসপাতালে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে অতিথিবৃন্দরাসহ, নার্সিং সুপারভাইজার, সিনিয়র স্টাফ নার্স, নার্স ও কর্মচারীরা অংশ নেন। হাসপাতালের সকল নার্সিং কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবসের আয়োজন করেন।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সেবা তত্ত্বাবধায়ক রাশনা দাশের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র স্টাফ নার্স দীপ্তি ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কনসালট্যান্ট (সার্জারী) ডা. বিজন কুমার নাথ। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. গোলাম মোস্তফা জামাল, হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি) ডা. রওশন আরা শিমুল ও সহকারী পরিচালক (নার্সিং) ঝর্ণা দত্ত। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সহকারী জেলা হেলথ নার্স সালমা আক্তার, হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স চায়না রানী শীল ও সিনিয়র স্টাফ নার্স মোঃ আবদুল মুকিত। আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে আধুনিক নার্সিংয়ের প্রবর্তক ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল’র ২০৪-তম জন্মবার্ষিকী ও আন্তর্জাতিক নার্সেস দিবস পালন করা হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কনসালট্যান্ট (সার্জারী) ডা. বিজন কুমার নাথ বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান আরও বৃদ্ধি করতে বর্তমান সরকার নার্সিং পেশাকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে। নার্সিং পেশ অত্যন্ত মহৎ ও সেবাধর্মী একটি কাজ। এ পেশাকে গুরুত্ব দিয়ে বর্তমান সরকার নার্সদেরকে দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি রোগীদের সাথে নার্সদের ভালো ব্যবহার, যোগাযোগ ও নিয়মিত উপস্থিতি স্বাস্থ্য বিভাগের সম্মানটুকুও বৃদ্ধি পাবে। কারণ ভালো ব্যবহার পেলে রোগীরা অর্ধেক সুস্থতা অনুভব করে। রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা প্রাপ্তি দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে। এজন্য সবাইকে আরও আন্তরিক হয়ে রোগীদেরকে সেবা দিতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের রোগীরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দেশে যায়। সে সকল দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবায় রোগীরা সন্তুুষ্ট। সেখানকার হাসপাতালের নার্সরা রোগীদের সাথে ভালো আচরণের মাধ্যমে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে সেবা দেয়। আমাদের দেশেও সরকারী-রেসরকারী অনেক নার্সিং ইনস্টিটিউট রয়েছে। সেগুলো থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে নার্সগণ রোগীদের সেবার উদ্দেশ্যে হাসপাতাল-ক্লিনিকে চাকুরী করছে। তাই উন্নত চিকিৎসা-সেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার-নার্সসহ আমাদেরকে সেবার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। সেবার মানসিকতা ও আন্তরিকতা নিয়ে নার্সদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। সবসময় রোগীর পাশে থাকতে হবে। রোগীর সমস্যাকে নিজের সমস্যা মনে করে নিজের অবস্থান থেকে আন্তরিকভাবে সেবা দিতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. গোলাম মোস্তফা জামাল বলেন, চিকিৎসকগণ হাসপাতালে রোগীদেও চিকিৎসা দেন আর নার্সগণ রোগীদের যাবতীয় সেবা দিয়ে থাকেন। ফলে আমাদের দেশে বর্তমানে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার অনেকাংশে হ্রাস পাচ্ছে। বাংলাদেশে বিশ্বমানের নার্স গড়ে তোলার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের গৃহীত ও বাস্তবায়িত কার্যক্রমসমূহ সর্বস্তরে প্রশংসিত হয়েছে। নার্সদের কারণে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে স্বাস্থ্য বিভাগের ভাবমুর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। নার্সিং পেশাকে একটি আদর্শ পেশা হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নার্সদের কঠিন পরিশ্রম ও তাদের সেবা ছাড়া কোনো রোগীর সুস্থ হয়ে উঠা কঠিন। আজ সেই মানুষদের শ্রদ্ধা জানানোর দিন। মানুষকে সেবা দেয়ার জন্য বর্তমান সরকার আমাদেরকে অনেক সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। স্বাস্থ্যসেবা জণগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে বিপুল সংখ্যক নার্স নিয়োগ, নতুন পদ সৃজন, বিশেষায়িত নার্স গড়ে তোলা, নার্সিং খাতের নানাবিধ প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল করা, হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে নার্সিং সেবার মান বৃদ্ধি করাসহ নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। আধুনিক নার্সিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা, সমাজ সংস্কারক ও পরিসংখ্যানবিদ মহিয়সী নারী ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল’র জীবনী থেকে শিক্ষা নিয়ে সমাজের দরিদ্র-অসহায় মানুষের সেবায় নার্সদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।
উল্লেখ্য যে, ১৮২০ সালে ১২ মে ইতালির এর আভিজাত পরিবারে ফ্লোরেন্স নাইটিংগেলের ১৯৭৪ সাল থেকে তাঁর জন্মদিনটি ‘ইন্টারন্যাশনাল নার্সেস ডে’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। ডার্বিশায়া থেকে ১৭ বছর বয়সে লন্ডনে আসেন ফ্লোরেন্স। সেই সময় লন্ডনের হাসপাতালের অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। কারণে কোনও সেবিকা সে সময় কাজ করতেন না। সে সময় নার্সিং পেশাকে সামাজিকভাবে মর্যাদা দেওয়া হত না। তা সত্ত্বেও নাইটিংগেল লড়াই করেন। তিনি ১৮৫১ সালে নার্সের প্রশিক্ষণ নিতে জার্মানিতে যান। তারপর তিনি নজে ১৮৬০ সালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য স্থাপন করেন নাইটিংগেল ট্রেনিং স্কুল। তারপর ১৮৬৭ সালে নিউইয়র্কে চালু হয় উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ।
এভাবে একে জন সমক্ষে আসতে শুরু করে এই পেশার গুরুত্ব। ভারতেও তাঁরই প্রচেষ্টায় এই পেশার খ্যাতি বাড়তে থাকে। ১৮৮৩ সালে তাঁর এই কাজের জন্য তিনি রয়েল রেডক্রস সম্মান লাভ করেন। একের পর এক সম্মান পান ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল। তারপর ১৮৬০ সালে লন্ডনে বিশ্বে প্রথম তৈরি হয় নার্সিং শেখানোর স্কুল। যে স্কুল নির্মাণে তাঁর ভূমিকা ছিল বিস্তর। যুগ যুগ ধরে সেবিকাদের পরিশ্রম চাক্ষুস করেছেন সকলে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চমেক কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় যুক্ত হলো আরও ৪টি আধুনিক ডায়ালাইসিস মেশিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে যুক্ত হলো আরও ৪টি আধুনিক ডায়ালাইসিস মেশিন। হাসপাতালটির নেফ্রোলজি বিভাগে কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় নতুন করে ডায়ালাইসিস মেশিনগুলো যুক্ত হয়। এ নিয়ে বিভাগটিতে ডায়ালাইসিস মেশিনের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮টিতে। সোমবার নতুন মেশিন সংযোজন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেএসআরএম’র ডিএমডি নবাব সিরাজউদ্দৌলা।
  2. এসময় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নতুন ডায়ালাইসিস মেশিনগুলো চালু হওয়ার ফলে কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও দ্রুত হবে। একইসঙ্গে হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।
  3. চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন জানান, নতুন এই মেশিনগুলোর মাধ্যমে প্রতিদিন আগের চেয়ে অধিক সংখ্যক কিডনি রোগী উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রব, নেফ্রোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. নুরুল হুদা, ড্যাব চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি ডা. তমিজ উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়েজুর রহমান এবং ড্যাব চমেক শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী প্রমুখ।
  4. জানা গেছে, চমেক হাসপাতালে নেফ্রোলজি বিভাগ ছাড়াও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্যানডোর ডায়ালাইসিস সেবা দিয়ে থাকে। স্যানডোরের ৩১টি মেশিনের পাশাপাশি নেফ্রোলজি বিভাগে ছিল ১৪ ডায়ালাইসিস মেশিন। যা দিয়ে ভর্তুকি মূল্যে ডায়ালাইসিস করতে পারেন রোগীরা।প্রসঙ্গত, দেশের অন্যতম শিল্প প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম এর অর্থায়নে এই চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো চমেক হাসপাতালের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে (নেফ্রোলজি বিভাগ) স্থাপন করা হয়েছে।

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ