আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) দরগাহ্ জামে মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য্য বর্ধন করার দায়িত্ব পেলেন

প্রেস রিলিজ

সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম’কে হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) দরগাহ জামে মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিলেন হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) দরগাহ্ পরিচালনা কমিটি। চট্টগ্রামের জালালাবাদে অবস্থিত সুলতানুল আরেফিন হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামী (র:) একটি ঐতিহ্যবাহী দরগাহ্। অত্র দরগাহ্ শরীফের পাদদেশে মোঘল সম্্রাট বাদশা আকবরের শাসনামলে হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) জামে মসজিদ নির্মিত হয়েছিল। উক্ত মসজিটি দীর্ঘদিনের পুরাতন হওয়ার কারণে বর্তমানে মসজিদটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। গত ৫ এপ্রিল ২০২৪ খ্রি: সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম অত্র দরগাহ্ শরীফ জেয়ারত করেন। তিনি অত্র মসজিদটির বেহাল অবস্থা সরেজমিনে স্বচক্ষে দেখেছেন। দরগাহ্ পরিচালনা কমিটি গত ২৩ মে ২০২৪ খ্রি: তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনকে অত্র মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারন ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য অনুরোধ করেছেন।এছাড়াও মাননীয় জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম মহোদয় টেলিফোনে এ বিষয়ে সাবেক মেয়রকে অনুরোধ করেছেন। সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) এর দরগাহ্ জামে মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারন ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের লক্ষে দক্ষ প্রকৌশলী ও আর্কিটেক্ট দ্বারা ডিজাইন সম্পাদন করে অত্র মসজিদটির সংস্কার কাজ ২১ মে ২০২৪ খ্রি: থেকে শুরু করেছেন। তাঁর এ কাজে অত্র দরগাহ্ পরিচালনা কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জনাব মোহাম্মদ আবদুল মালেক, সহসভাপতি সহকারী কমিশনার (ভুমি) জনাব ইউসুফ হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, সাব ইন্সপেক্টর জনাব নুরুন নবী, মোহাম্মদ ইসমাইল, মোহাম্মদ আবদুর রহমান খাদেম, ওয়াকফ পরিদর্শক ডিএম খালেদ হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক নওশের আলী খান, কাজী মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান হাশেমি, সাংবাদিক আলী আহম্মদ শাহীন ও ভারপ্রাপ্ত মতোওয়াল্লী সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার সহ সংশ্লিষ্টরা সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম ইতোমধ্যে ৩৬টি মসজিদ সহ ১০৩টি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে পরিচালনা করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) দরগাহ্ জামে মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের সুযোগ পেয়ে সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মনজুর আলম, তাঁর পুত্র আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১০ জুন ২০২৬খ্রি. বুধবার বাদ মাগরিব গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফ এর ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল-২০২৬ উপলক্ষে ২য় প্রস্তুতি সভা কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচ্য বিষয় ছিল মাহফিল এর অতিথি ও বক্তা নির্ধারণ, অনুষ্ঠানের দাওয়াত ও প্রচার, সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে, বিবিধ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ ছালেহ সুফিয়ান, কাজী হাবিবুল হোসাইন, মো.ফজলুল হক, মো. শওকত হোসাইন, মো. খোরশেদ আলম, মো.রুকুনুজ্জামান টুটুল, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, এসএম জাবেদ হোসাইন, হারুনুর রশিদ, কাজী আশরাফ হোছাইন, মো. জিয়াউল হাসান সাইফ, মো. শাহীন মুরাদ রাজা, সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব, মো. আকতার মিঞা সমন্বয়কারী, মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রিমন, দিদারুল আলম লোকমান, মো. মুজিবুর রহমান রাসেল, লায়ন ডা.বরুণ কুমার আচার্য বলাই, বাবু প্রবোধপাল, দেবরাজ পাল, সৈযদ আবু আহমদ, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. নুরমিয়া, মো. রানা সরকার, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. কামাল উদ্দীন, মো. শাহজাহান মনজু, মো. ইদ্রিস আলী, মুহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, মু. আমান উল্লা খান চৌধুরী লিটন প্রমূখ।

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। আজ বৃহস্পতিবার ২৮ মে সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। নামাজ শেষে তিনি ঈদের খুতবা প্রদান করেন এবং কোরবানির তাৎপর্য, ত্যাগের শিক্ষা ও মাংস বণ্টনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান তুলে ধরেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির নেতা সোলায়ামান আলম শেঠসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।একই স্থানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।
এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ