আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) দরগাহ্ জামে মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য্য বর্ধন করার দায়িত্ব পেলেন

প্রেস রিলিজ

সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম’কে হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) দরগাহ জামে মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিলেন হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) দরগাহ্ পরিচালনা কমিটি। চট্টগ্রামের জালালাবাদে অবস্থিত সুলতানুল আরেফিন হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামী (র:) একটি ঐতিহ্যবাহী দরগাহ্। অত্র দরগাহ্ শরীফের পাদদেশে মোঘল সম্্রাট বাদশা আকবরের শাসনামলে হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) জামে মসজিদ নির্মিত হয়েছিল। উক্ত মসজিটি দীর্ঘদিনের পুরাতন হওয়ার কারণে বর্তমানে মসজিদটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। গত ৫ এপ্রিল ২০২৪ খ্রি: সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম অত্র দরগাহ্ শরীফ জেয়ারত করেন। তিনি অত্র মসজিদটির বেহাল অবস্থা সরেজমিনে স্বচক্ষে দেখেছেন। দরগাহ্ পরিচালনা কমিটি গত ২৩ মে ২০২৪ খ্রি: তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনকে অত্র মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারন ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য অনুরোধ করেছেন।এছাড়াও মাননীয় জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম মহোদয় টেলিফোনে এ বিষয়ে সাবেক মেয়রকে অনুরোধ করেছেন। সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) এর দরগাহ্ জামে মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারন ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের লক্ষে দক্ষ প্রকৌশলী ও আর্কিটেক্ট দ্বারা ডিজাইন সম্পাদন করে অত্র মসজিদটির সংস্কার কাজ ২১ মে ২০২৪ খ্রি: থেকে শুরু করেছেন। তাঁর এ কাজে অত্র দরগাহ্ পরিচালনা কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জনাব মোহাম্মদ আবদুল মালেক, সহসভাপতি সহকারী কমিশনার (ভুমি) জনাব ইউসুফ হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, সাব ইন্সপেক্টর জনাব নুরুন নবী, মোহাম্মদ ইসমাইল, মোহাম্মদ আবদুর রহমান খাদেম, ওয়াকফ পরিদর্শক ডিএম খালেদ হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক নওশের আলী খান, কাজী মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান হাশেমি, সাংবাদিক আলী আহম্মদ শাহীন ও ভারপ্রাপ্ত মতোওয়াল্লী সৈয়দ মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার সহ সংশ্লিষ্টরা সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম ইতোমধ্যে ৩৬টি মসজিদ সহ ১০৩টি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করে পরিচালনা করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। হযরত সুলতান বায়েজীদ বোস্তামি (র:) দরগাহ্ জামে মসজিদ সংস্কার, সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্য্য বর্ধনের সুযোগ পেয়ে সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মনজুর আলম, তাঁর পুত্র আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রকাশ চেয়ারম্যান বাবাজানের পবিত্র চল্লিশা শরীফের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওলাদে রাসুল (দ.),আওলাদে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী, মাইজভান্ডার দরবার শরীফের মহান আধ্যাত্মিক সাধক মজ্জুবে রহমান, ছানিয়ে ওয়াইজ আল করনী, হযরত শাহসুফি সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রকাশ চেয়ারম্যান বাবাজানের পবিত্র চল্লিশা শরীফ আগামী ৫ই ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হবে।

এই উপলক্ষে ফটিকছড়ি আজিমনগরে আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মন্জিলে বড় শাহজাদী সৈয়দা কিশোয়ারা রহমান এবং ছোট শাহজাদী সৈয়দা মাহবুবা রহমানের উপস্থিতিতে ১ম প্রস্তুুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় খেদমত পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ আাশেক ভক্তবৃন্দ।

বাংলাদেশকে শান্তির ও নিরাপদ জনপদ কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশকে একটি শান্তির ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে কবুল করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানিয়েছেন মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.)।গতকাল শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্সূফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর ১২০তম বার্ষিক উরস্ শরীফের আখেরি মোনাজাতে মহান আল্লাহর কাছে তিনি উক্ত ফরিয়াদ করেন।

পবিত্র উরস্ উপলক্ষে দরবারে সমবেত লাখো আশেক ভক্তের উপস্থিতিতে হওয়া মোনাজাতে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের প্রতিটি সংকট-সমস্যার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মহান অলি’র উছিলায় হে আল্লাহ আপনি আমাদের তৌফিক দান করুন।”
বিশ্বের দিকে দিকে নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের মুক্তি কামনা করে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী বলেন, “বিশ্বের শক্তিধর দেশ দূর্বল রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ক্রমাগত অন্যায়, অবিচার, জুলুম করছে, নিরস্ত্র নারী-পুরুষদের হত্যা করছে। এসব অত্যাচারীর হাত থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করুন।”

হালাল রুজির মাধ্যমে পিতামাতার উপযুক্ত খেদমত করার তৌফিক কামনা করে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী বলেন, “পরিবার-পরিজন নিয়ে আমাদের একটি শান্তিময়, স্বচ্ছল ও নিরাপদ জীবন দান করুন৷ শ্রমজীবী- পেশাজীবি-বুদ্ধিজীবী-ব্যবসাজীবি’র উন্নত জীবন দান করুন।”

হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রবর্তিত ত্বরীকা এবং তাঁর গাউসিয়ত আজমিয়তের শান-মান মানুষের সামনে যথাযথ ভাবে তুলে ধরার তৌফিক কামনা করে তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের আনাচে-কানাচে যুগে যুগে আল্লাহর দ্বীনের পতাকাকে উড্ডীন রাখার জন্য যেসব বান্দা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের পথেই আমাদের পরিচালিত করুণ।”

পবিত্র উরস্ উপলক্ষে জাতি-ধর্ম-বর্ণ, ধনী-গরিব, দল-মত নির্বিশেষে আল্লাহ’র মহান এই অলি’র দরবারে যারা হাজির হয়েছেন তাদের সকলের উপস্থিতি কবুল করার ফরিয়াদ জানিয়ে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী মোনাজাতে আরও বলেন, “হে আল্লাহ আমরা আপনার কাছে শূন্য হাতগুলো তুলে দিয়েছি। আমাদের ত্রুটিপূর্ণ ইবাদত বন্দেগী কবুল করুন। হে আল্লাহ আপনি হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক:)-কে আমাদের মাঝে আপনার বন্ধুরুপে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। মহান এই অলি’র পবিত্র উরস্ মোবারকের উছিলায় নেয়ামত হাসিলের তৌফিক দিন। উরস্ উপলক্ষে আপনার বান্দারা অগণিত সামাজিক, মানবিক, শিক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে ইবাদত বন্দেগী করেছেন। তাদের সকল প্রচেষ্টা ও হাজিরী কবুল করুন।”

প্রসঙ্গত, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের ১০ই মাঘের প্রধান এই উরসকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরের মতো এবারও লাখ লাখ আশেক ভক্ত জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশার মানুষ ভেদাভেদ ভুলে সমবেত হয়েছেন। গতকাল শনিবার বা’দ ফজর শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)-রওজা শরিফ গোসল ও গিলাফ চড়ানোর মাধ্যমে উরস শরিফের উক্ত আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। উক্ত উরস্ শরীফ উপলক্ষে শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের উদ্যোগে যথাযথ ভাব-গাম্ভীর্যের ভিতর দিয়ে ইতঃমধ্যে ১০ দিনব্যাপী ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ