আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চেম্বার সকাশে অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্য প্রতিনিধিদল নদীমাতৃক বাংলাদেশেও রয়েছে শিপবিল্ডিং এর চাহিদা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র পরিচালকমন্ডলীর সাথে অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্য প্রতিনিধিদল গতকাল রোববার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। এ চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব, ওকলে শিপিং’র রিচার্ড ওকলে, অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের পরিচালক মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান, চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ ও সেক্রেটারী ইনচার্জ প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারুক উপস্থিত ছিলেন।
ওকলে শিপিং’র রিচার্ড ওকলে বলেন-বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক জাহাজের অনেক চাহিদা রয়েছে। আবার অস্ট্রেলিয়াও শিপবিল্ডিং সেক্টর উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এছাড়াও নদীমাতৃক বাংলাদেশেও রয়েছে শিপবিল্ডিং এর চাহিদা। তাই এই সেক্টরের সম্ভাবনা নিয়ে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগকারীরা।
অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের পরিচালক মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন-অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির অফুরন্ত সম্ভাবনা। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম আগামী অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস এক্সপোর আয়োজন করছে। এক্সপোতে আরএমজি, টেক্সটাইল, লেদার, ফুটওয়্যার, পাটজাতপণ্য, ফার্মাসিউটিক্যালস, আইটি, রিসাইক্লে প্রোডাক্টস, ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমসহ দেড় শতাধিক স্টল অংশগ্রহণ করবে। এতে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা নেটওয়ার্কিং এর সুযোগ পাবেন যা রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এসময় তিনি চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের উক্ত এক্সপোতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।
চেম্বার নেতৃবৃন্দ বলেন-বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতির দেশ। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের তৈরিপোশাকের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাদুকা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যও রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছোট ছোট জাহাজ রপ্তানি হচ্ছে। ফলে শিপ বিল্ডিং সেক্টরে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে দেশে-বিদেশে বিনিয়োগের। নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সুবিধা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ কাজে লাগিয়ে শিপবিল্ডিং, ব্লু ইকোনমি-সহ রপ্তানিমূখী বিভিন্ন সেক্টরে অস্ট্রেলিয়ান বিনিয়োগকারীদের আহবান জানান। এছাড়া অস্ট্রেলিয়াতে অনুষ্ঠেয় এক্সপোতে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ