আজঃ বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

চিটাগাং চেম্বারের সাথে চট্টগ্রাম এওটিএস এলুমনি সোসাইটির মতবিনিময়

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জাপান উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র পরিচালকমন্ডলীর সাথে চট্টগ্রাম এওটিএস এলুমনি সোসাইটির প্রতিনিধিদল গতকাল শনিবার সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ চেম্বার কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ, পরিচালকবৃন্দ মাহফুজুল হক শাহ, বেনাজির চৌধুরী নিশান, মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন, চট্টগ্রাম এওটিএস এলুমনি সোসাইটি’র সভাপতি লতিফ আনোয়ার চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি এ.আর.এম. শামীম উদ্দিন, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ট্রেজারার মোহাম্মদ রহিম উল্যাহ, পাবলিসিটি সেক্রেটারী এ.এ.মোঃ আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী, আরএন্ডডি ও পাবলিকেশন সেক্রেটারী এ. টি. কায়সার আহমেদ চৌধুরী ও চেম্বার সেক্রেটারী ইনচার্জ প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারুক বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যদের মধ্যে সহ-সভাপতি সৈয়দ শাহ মোঃ কেরামাতুল আজিম, নির্বাহী সদস্যবৃন্দ সৈয়দ নুরুল বাশার, মোহাম্মদ সাইফ উল্যাহ মনসুর, মোঃ কামরুল হাসান ও জাফর আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন-জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জাপান সরকার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। দেশের মেগা প্রকল্প বিশেষ করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মাণ ও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর-সহ উল্লেখযোগ্য প্রকল্পে জাপানীরা কাজ করে যাচ্ছেন। এছাড়াও এসোসিয়েশন ফর ওভারসীস টেকনিক্যাল কো-অপারেশন এন্ড সাস্টেনাবল পার্টনারীশীপস (এওটিএস)’র মাধ্যমে জাপান সরকার দেশের উৎপাদনশীল ও সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানে মানবসম্পদ উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন-প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছেন। এসব উন্নয়নের সুফল পেতে বিদেশী বিনিয়োগ যেমন দরকার তেমনি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলাও প্রয়োজন। কারণ দেশে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে না উঠলে বিদেশীরা বিনিয়োগে আগ্রহী হবে না। তাই চট্টগ্রামের এওটিস এলুমনি সোসাইটির সাথে চিটাগাং চেম্বার যৌথভাবে দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করতে পারে।

চট্টগ্রাম এওটিএস এলুমনি সোসাইটি’র সভাপতি লতিফ আনোয়ার চৌধুরী বলেন-এওটিএস এলমুনি সোসাইটি চট্টগ্রামে দক্ষ মানবসম্পদ, ম্যানুফ্যাকচারিং ও সার্ভিস সেক্টরে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রশিক্ষণমূলক সেমিনার ও ওয়ার্কশপের আয়োজন করে থাকে। তিনি বলেন-জাপানীরা মনে করে একটি কোম্পানীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যদি প্রশিক্ষিত হয় তাহলে প্রতিষ্ঠান গতিশীল হবে। তাই জাপানীরা এওটিএস এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত হস্তান্তরের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। তিনি চেম্বারের সাথে অংশীদারীত্বের ভিত্তিতে আগামীতে চট্টগ্রামে বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ, ওয়ার্কশপ ও সেমিনার আয়োজনে সহযোগিতা কামনা করেন।

অন্যান্য বক্তারা বলেন-যেকোন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় অনেক দুর্বলতা থাকে। আবার শিল্পকারখানাগুলোর অনেক সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। তাই দেশের শিল্পের চাহিদানুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তিগতভাবে প্রশিক্ষিত করতে গবেষণা প্রয়োজন। এজন্য শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী এনজিএস প্রোগ্রাম, কাইজেন, ফাইভ এস, জাপানের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক নির্ণয় এবং জাপানী ভাষা শিক্ষা কোর্স চাহিদানুযায়ী চেম্বার এবং এওটিএস চট্টগ্রাম সোসাইটি যৌথভাবে আয়োজনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থায় দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সৌদি আরব থেকে নতুন করে আরও ১ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল কেনা হয়েছে। এই নতুন আমদানিকৃত তেল লোহিত সাগর হয়ে সরাসরি চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে আনা হবে বলে জানা গেছে। একই সাথে হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা ১ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (ক্রুড অয়েল) দ্রুত ছাড় করিয়ে আনতে ইরানের সঙ্গে নিবিড় কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

ইস্টার্ন রিফাইনারির সাবেক মহা-ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম বলেন, এই পরিমাণ জ্বালানি দেশে পৌঁছালে সংকট অনেকটা কাটলেও বাড়তি চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে আরও ডিজেল আমদানির প্রয়োজন হতে পারে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত মার্চ মাসে বিকল্প উৎস থেকে অন্তত ৩৯টি জ্বালানি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের তৎপরতারই প্রতিফলন।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) এর তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক মাসের মধ্যে এই বিশাল পরিমাণ জ্বালানি দেশে পৌঁছালে চলমান সংকট অনেকটাই লাঘব হবে। বর্তমানে ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামক একটি জাহাজে ১ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়ে আছে। জাহাজটি বর্তমানে সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে অবস্থান করলেও ইরানের বিশেষ ছাড়পত্র না পাওয়ায় এটি বাংলাদেশে আসতে পারছে না।যদিও ইরান সম্প্রতি বাংলাদেশের ৬টি জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে, তবে এই তেলের জাহাজটি সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
এ বিষয়ে বিএসসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, এই জটিলতা নিরসনে কূটনৈতিক চ্যানেলগুলো সক্রিয় করা হয়েছে এবং ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা চলছে। জাহাজটি অনুমতি পেলে সরাসরি চট্টগ্রামে এসে পৌঁছাবে। হরমুজ প্রণালির এই জটিলতা এড়াতে এবার ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে বাংলাদেশ। নতুন করে কেনা ১ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল লোহিত সাগরের কাছাকাছি অবস্থিত সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই বন্দরটি হরমুজ প্রণালির বাইরে হওয়ায় তেল পরিবহনে কোনো ধরনের সামরিক বা রাজনৈতিক বাধার আশঙ্কা নেই।
ইস্টার্ন রিফাইনারি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২০ এপ্রিল এই তেল জাহাজে লোড করার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দুই জাহাজ মিলিয়ে মোট ২ লাখ মেট্টিক টন অপরিশোধিত তেল চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই তেল রাষ্ট্রায়ত্ত ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধনের পর বাজারজাত করা হবে।পরিশোধন প্রক্রিয়ার পর এই ২ লাখ মেট্টিক টন ক্রুড অয়েল থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি পাওয়া যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ৫২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ৩২ হাজার মেট্রিক টন পেট্রোল, ১৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন, ৪৮ হাজার মেট্টিক টন ফার্নেস অয়েল এবং ৪২ হাজার মেট্রিক টন কেরোসিন।

ফের অনিশ্চয়তায় সিসিসিআই নির্বাচন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) নির্বাচন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে উচ্চ আদালতের নির্দেশে নির্ধারিত ৪ এপ্রিলের নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেছে। তবে আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।
তথ্যটি নিশ্চিত করে রিটকারী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বেলালের পক্ষে আইনজীবী আশফাকুর রহমান বলেন, আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তি করে সিদ্ধান্ত দিতে বলেছেন। পাশাপাশি হাইকোর্টের সর্বশেষ আদেশ আমলে না নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

চেম্বার সূত্রে জানা যায়, ৩ মার্চ প্রায় পাঁচ মাস স্থগিত থাকার পর চট্টগ্রাম চেম্বারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের নতুন তফশিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তফশিল অনুযায়ী আগামী ৪ এপ্রিল নগরের আগ্রাবাদ এলাকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। ২৬ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনি মতামতের ভিত্তিতে সাধারণ ও সহযোগী গ্রুপের ১৮ জন পরিচালক নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে আদালতের নতুন আদেশে সেই নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেল।

এর আগে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের আটটি সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশ দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল হাইকোর্টে রিট করেন এবং এফবিসিসিআইতেও অভিযোগ করেন।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্ট দুই শ্রেণিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে রুল জারি করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ৪ সেপ্টেম্বরের চিঠির ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে আপিলের পর ৩০ অক্টোবর আদালত দুই সপ্তাহের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেন।

পরবর্তীতে গত ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ছয়টি টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের ছয় প্রতিনিধিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধেও আপিল করেন রিটকারী মোহাম্মদ বেলাল। সেই আপিলের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত এফবিসিসিআইয়ের ট্রাইব্যুনালে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং মৌখিকভাবে বলেন, ৪ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। এভাবে ২৪ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়। পরে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে একজন সভাপতি ও দুজন সহসভাপতি নির্বাচিত হন।এবার টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ছয়জন পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ছিলেন। তবে দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে নির্ধারিত সময়েও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং নতুন তফশিল ঘোষণার পরও তা আবার স্থগিত হয়ে গেছে।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ