আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

সভায় সিডিএ চেয়ারম্যান

কর্মপরিকল্পনা হতে হবে দেশের জন্য, চট্টগ্রামের জন্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ বলেছেন, মতামত, পরামর্শ ভিন্ন হতে পারে কিন্তু কর্মপরিকল্পনা হতে হবে দেশের জন্য, চট্টগ্রামের জন্য।’ গতকাল মঙ্গলবার সকালে সিডিএর সভা কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি নিজের একক সিদ্ধান্তে কিছু করবেন না বলে মন্তব্য করে বলেন, আমি একক সিদ্ধান্তে কিছু করবো না। আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য সবাই এক হয়ে কাজ করবো। চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড় প্রকল্পের আওতায় ‘বঙ্গবন্ধু টানেল জংশন’ উন্নয়ন শীর্ষক কাজের প্রস্তাবিত খসড়া নকশা সংক্রান্তে এ মতবিনিময় সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোডে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু টানেল জংশনে যানজট নিরসনে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনা গ্রহণের দিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানিয়ে সিডিএ চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমরা কেউ কারো প্রতিপক্ষ নই। এজন্য আমার যেখানে যেতে হবে আমি সেখানে যাবো। তাই আপনারা সবাই একটা বিষয় লক্ষ্য রাখবেন, এ পরিকল্পনাগুলো দীর্ঘস্থায়ী হতে হবে। যাতে আগামী পঞ্চাশ বছর পরেও কাজে আসে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস্, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহফুজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজীব দাশ, সহকারী প্রকৌশলী নিয়াজ মোহাম্মদ মামুন, সহকারী অফিসার মো. আলমগীর খান, সিএমপির ডিসি (ইএন্ডডি) এস. এম. মোস্তাইন হোসেন, ডিসি ট্রাফিক (বন্দর) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী মাহমুদুল হোসেন খান, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি বাংলাদেশের (বিমানবন্দর) সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল আলীম, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সিকিউরিটি অফিসার (বিএনএসএসইউ) লে. কর্নেল দীপঙ্কর রায়, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু টানেল কর্তৃপক্ষের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জামাল উদ্দীন, সড়ক ও জনপদ চট্টগ্রাম উপ-বিভাগের এসডিই মো. নিজাম উদ্দিন, পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মো. শাহাজান আলম, মো. মেহেদী হাসান, মো. মোস্তাফা, বিধুভূষণ পাল, মো. মেরাজুল ইসলাম ও আশরাফুল ইসলাম।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ