আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

মাদকাসক্ত ভাতিজার হাতে চাচা খুন

ওবায়দুর রহমান গৌরীপুর ময়মনসিংহ।

ময়মনসিংহ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে চাচা আব্দুল বারেক হাদিস (৫৫)কে মারধর করে খুন করার অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত ভাতিজা শাকিব উল্লাহ(৩২) ও রাজিবউল্লাহ(২৮) এর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার তাতিরপায়া গ্রামে। চাচা আব্দুল বারেক হাদিস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দিবাগত রাতে মারা যায়।
এর আগে মারামারির ঘটনায় গৌরীপুর থানায় নিহতের ছেলে আনোয়ার (২০) বাদী হয়ে ৩ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে। যার মামলা নং- ৫, তারিখ- ০৬/০৬/২০২৪ইং।
নিহত আব্দুল বারেক হাদিস মাওহা ইউনিয়নের তাতিরপায়া গ্রামের মৃত শাহনেওয়াজের ছেলে। খুনী শাকিব উল্লাহ (৩২) নিহতের আপন ভাই আব্দুল মোতালেব এর ছেলে।
স্থানীয় ও মামলাসূত্রে জানা গেছে, খুনি শাকিব উল্লাহ’র ভাই রাজিবুল্লাহ (২৮) আনুমানিক ৪ বছর পূর্বে এক সন্তানের জননী আপন চাচাতো ভাই বিল্লাল এর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে ও গত ৫মাস পূর্বে ভাই মুনসুর আলী ও চাচাতো বোন সুলেমাকে পিঠিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এসব ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলো চাচা হাদিস।
প্রতিবাদের ঘটনায় পূর্ব থেকেই শাকিব ক্ষুব্ধ ছিলো চাচার প্রতি। মঙ্গলবার রাতে নিহত ব্যক্তি এশার নামাযের পর তার প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে পুকুর পাড়ে যায়। খুনি শাকিব পুকুর পাড়ে মাছ ধরার কোঁচ নিয়ে বসে নেশা করছিল। হাদিস মিয়া ফিরার পথে সাকিবউল্লাহ তাঁর মুখে অনবরত টর্চ মারতে থাকে। মুখে টর্চ মারার ঘটনার প্রতিবাদ করায় শাকিব তাঁর হাতে থাকা কোচের লাঠি দিয়ে চাচার মাথায়, হাত ও পায়ে বেদম প্রহার করে রক্তাক্ত আহত করে। এ ঘটনার পর পরিবারের লোকজন হাদিসকে গুরুতর আহতবস্থায় উদ্ধার করে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখানেও তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার গভীর রাতে আহত হাদিস মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা মাদকাসক্ত খুনি শাকিব উল্লাহর ও তার ভাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন।
গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন চন্দ্র রায় বলেন, মারামারির ঘটনায় গৌরীপুর থানায় ইতোমধ্যে মামলা হয়েছে। যা বর্তমানে হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে। ঘটনার মূল আসামী ২ ভাইকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ