আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

রূপগঞ্জের সড়ক মহাসড়কে কোনক্রমেই থামছে না নিষিদ্ধ যানবাহন

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রূপগঞ্জের হাইওয়ে সড়কে হাইওয়ে পুলিশেকে মাসোহারা দিয়েই চলছে নসিমন,করিমন, ভ্যানগাড়ি, অটোরিক্সা ও সিএনজি। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও একমাত্র পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে হাইওয়ে সড়কে চলছে এ নিষিদ্ধ যানবাহন। এমন অভিযোগ উঠেছে হাইওয়ে পুলিশের উপর।
দেশে সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে মহামান্য আদালত হাইওয়ে সড়কে থ্রী-হুইলার যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একমাত্র হাইওয়ে পুলিশের মাসোহারার কারণেই হাইকোটের রায় অমান্য করে নিষিদ্ধ যানবাহনের চালকরা ব্যস্ততম সড়ক কিংবা মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। অনুমোদন না থাকার পরেও কিভাবে এসব থ্রী-হুইলার যানবাহন মহাসড়কে চলে এমন প্রশ্ন সচেতন মহলের। জানাযায়, হাইওয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে সড়কে চালাচ্ছে নিষিদ্ধ যানবাহনের চালকরা। সরেজমিনে ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়, রূপগঞ্জের প্রতিটি সড়ক, মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কে। উপজেলা ভূলতা, কাঞ্চন, রূপসী,বরপা, বরাবর, যাত্রামুড়া, গোলাকান্দাইল, নতুন বাজার, এলাকায় মহাসড়কের উপর গড়ে তোলা হয়েছে অবৈধ থ্রী-হুইলার (তিন চাকার) স্ট্যান। এ সব অবৈধ গাড়ী চলাচলের কারনে সড়ক, মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কসহ উপজেলায় প্রতিদিন ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ঢাকা, গাজীপুর, ভূলতা বাইপাস সড়কের কাঞ্চন টোলপ্লাজা, কালাদী এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের মায়ার বাড়ি ও কাঞ্চনের চাঁন টেক্সটাইল এলাকায় কয়েকশ নিষিদ্ধ থ্রী-হুইলার যানবাহন চলাচল করে হাইওয়ে পুলিশের মাসোহারার বৃত্তিতে। হাইওয়ে পুলিশের দেওয়া বিভিন্ন ফল,ফুল ও পশুপাখির ছবির স্টিকার দিয়েই অবৈধ গাড়ি সড়কে চলাচলের অনুমোদন নেওয়া হয়। সেগুলোর খবর নিয়ে জানা যায়। নসিমন, ভটভটি, অটোরিক্সা, ভ্যান গাড়ি এই সমস্ত নিষিদ্ধ যানবাহন মাসোহারায় অনুমোদন দেওয়া হয় । নসিমন ও টমটম চালকরা বলেন, এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের কালাদীতে অটো রিক্সা টমটম, নসিমন গাড়ি থেকে প্রতিমাসে এক হাজার টাকা করে দিতে হয় হাইওয়ে পুলিশের নিয়োজিত মঞ্জু ও শাওনকে টাকা দিলেই স্টিকার লাগিয়ে দেয় তারা। প্রতি মাসে বিভিন্ন ধরনের স্টিকার যেমন ফুল, বাঘ, সিংহ ও বাণিজ্য মেলার ভবনের ছবি দিয়ে স্টিকার লাগিয়ে চলে এসব অনুমোদনহীন গাড়ি। টাকা না দিয়ে কোন থ্রী-হুইলার (তিন চাকার) গাড়ী সড়কে চলাচল করতে পারেনা। মঞ্জু এবং শাওনের মাধ্যমে স্টিকার বিক্রি করে পুলিশ টাকা নেয় বলে জানান ভুক্তভোগী চালকরা।
অটো রিক্সা চালক কবির বলেন, আমাদের কী দোষ আমার প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে দিয়ে সড়কে গাড়ি চালাই। পুলিশ আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সড়ক, মহাসড়ক ও হাইওয়ে সড়কে গাড়ি চালাতে দেয়। এরকমই অভিযোগ উঠেছে হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে।
এমনই তথ্য বেরিয়ে এসেছে চালক ও ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে।
অভিযোগ অস্বীকার করে ভূলতা হাইওয়ে পুলিশে ইনচার্জ আলী আশরাফ মোল্লা বলেন, হাইওয়ে পুলিশ কোন যানবাহনে স্টিকার দেয়না। আমরা কোন মাসোহারা নেই না। যেসকল গাড়ি আইন অমান্য করে মহাসড়কে চলাচল করে তাদেরকে আটক করি এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ