আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

রাউজানে ভূমিসেবা সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

মিলন বৈদ্য শুভ রাউজান চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম জেলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

“স্মার্ট ভূমিসেবা স্মার্ট নাগরিক” এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে রাউজানে ভূমিসেবা সপ্তাহ উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ জুন সকাল ১০টায় রাউজান উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এম.পি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাউজানে প্রতিটি নাগরিকের ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে উপজেলা ভূমি অফিস সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। ভূমি বিষয়ক আইন সম্পর্কে নতুন প্রজন্মদের মাঝে সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। দেশে যে হারে জনসংখ্যা বাড়ছে সে হারে জমি বাড়ছে না তাই কৃষি জমি রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্যজাই মারমার সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিদুয়ানুল ইসলাম। বক্তব্যে তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। সে লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ভূমি মন্ত্রণালয়। বর্তমানে ই-নামজারি, অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর আদায়, অনলাইন কেইস ম্যানেজমেন্ট ও ই-পর্চার মতো উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। রাউজানে ভূমিসেবা বর্তমানে শতভাগ অনলাইনে প্রদান করছে। ক্যাসলেস অফিস পরিচালনা করা হচ্ছে। ভূমি বিষয়ক আইন কানুনসমূহ জানা এবং ভূমিসেবা প্রাপ্তি সহজতর করতে এই ধরণের জনসচেতনতামূলক সভা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করি। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবদুল ওহাব, রাউজান পৌরসভার মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ। উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান চৌধুরী, লায়ন এম সরোয়ার্দী সিকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, বিএম জসিম উদ্দিন হিরু, সৈয়দ আবদুল জব্বার সোহেল, লায়ন সাহাবুদ্দিন আরিফ, প্রিয়তোষ চৌধুরী, রোকন উদ্দিন, বাবুল মিয়া, নুরুল আবছার, চন্দন কুমার মল্লিকসহ পৌর কাউন্সিলরবৃন্দ, শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ