আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

৮২ হাজার বেতনে ওয়েভ ফাউন্ডেশনে চাকরির সুযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বেসরকারি সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশন সম্প্রতি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ৮ পদে ২২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ওয়েভ ফাউন্ডেশনের ঠিকানায় আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

এক নজরে ওয়েভ ফাউন্ডেশনে চাকরি

প্রতিষ্ঠানের নাম

ওয়েভ ফাউন্ডেশন

চাকরির ধরন

বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ

০৬ জুলাই ২০২৩

পদ ও লোক সংখ্যা

৮টি পদ ও ২২২ জন

চাকরির খবর

ঢাকা পোস্ট জবস

আবেদন করার মাধ্যম

অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ

০৬ জুলাই ২০২৩

আবেদনের শেষ তারিখ

২০ জুলাই ২০২৩

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

https://wavefoundationbd.org/

আবেদন করার লিংক

অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

পদের নাম: উপ-পরিচালক। পদ সংখ্যা: ১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে বাস্তবায়ন উপ-পরিচালক পদে কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪৮ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকুল্যে ৮২ হাজার। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ও ভাতা ১০৭,৫০৩ টাকা।

পদের নাম: উপ-পরিচালক (উদ্যোক্তা উন্নয়ন)। পদ সংখ্যা: ১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, পরিচালনা, বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কাজে উপ-পরিচালক পদে কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪৮ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৮২ হাজার। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ১০৭,৫০৩ টাকা।

পদের নাম: প্রোগ্রাম ম্যানেজার। পদ সংখ্যা: ৫টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কমপক্ষে ৪০/৪৫টি শাখা সমন্বয়ে ৪ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪৫ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৬৮ হাজার। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ৮৭,৬৭৩ টাকা।

পদের নাম: রিজিওনাল ম্যানেজার। পদ সংখ্যা: ৫টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কমপক্ষে ২০টি শাখা সমন্বয়ে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪৫ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৬০ হাজার। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ৮০,২৭৭ টাকা।

পদের নাম: এরিয়া ম্যানেজার। পদ সংখ্যা: ১০টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কমপক্ষে ৫টি শাখা সমন্বয়ে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ৭ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪০ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৪৩,৮০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ৫৯,২৭৭ টাকা।

পদের নাম: ইউনিট ম্যানেজার। পদ সংখ্যা: ২০টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির ইউনিট ম্যানেজার পদে এমআরএ সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩৮ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৩১,৫০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ৩৯,৯৩৯ টাকা।

পদের নাম: কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার। পদ সংখ্যা: ৯০টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে এমআরএ সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১ বছরের মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ১৯,৫০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ২৭,৭৯৯ টাকা।

পদের নাম: অ্যাসিসটেন্ট কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার। পদ সংখ্যা: ৯০টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক। মোটরসাইকেল চালনায় দক্ষদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ১৬,৮০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ২৩,২২১ টাকা।

অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা: সকল পদের জন্য উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আবাসন সুবিধা থাকবে। ৬ মাস পর কাজের ফলাফল মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্থায়ী নিয়োগের সুযোগ থাকবে। চাকরি স্থায়ীকরণের পর বর্ধিত বেতনসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে।

আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষার সনদ ও জাতীয় পরিচয় পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি, অভিজ্ঞতার সনদ, এক কপি ছবি এবং ওয়েভ ফাউন্ডেশন শিরোনামে ২০০ টাকার ডিডি/পে-অর্ডারে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। ঠিকানা: প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগ, ওয়েভ ফাউন্ডেশন, ২২/১৩বি, ব্লক-বি, খিলজী রোড, মুহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।

আবেদনে শেষ তারিখ: ২০ জুলাই, ২০২৩।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নারীদের শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, আমাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচীর মধ্যে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন অন্যতম। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদেরকে স্বনির্ভর, আত্মপ্রত্যয় এবং শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে মেয়েদের জন্য এইচ.এস.সি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এছাড়া নারীদের সার্বিক কল্যাণে তিনি অনেকগুলো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছিলেন। তাঁরই সুযোগ্য পুত্র বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্সমতায় আসার পর নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও বেগবান করতে প্রত্যেক নারীকে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা কাজও শুরু করেছেন।


সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পর্যায়ে ৩ ক্যাটাগরিতে ৪ জন অদম্য নারীকে ফুল, ক্রেস্ট ও সনদপত্রসহ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা হচ্ছেন-শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবদুল হালিমের মেয়ে আসমা আকতার রুনা, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের মেয়ে শমলা বেগম, সফল জননী নারী ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর গ্রামের আমিন আহমদ ভূঁঞার স্ত্রী বেগম তাজকেরা চৌধুরী ও সফল জননী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার চান্দনপুর পাখাচং গ্রামের আবদুল কাদেরের মেয়ে বিলকিছ বেগম। অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা তাদের জীবন-সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন।

অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে কথা বলে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা মেরামতের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বিএনপি ৩১ দফা ঘোষনা করেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই মাসে জাতির সামনে প্রকাশ করা হয়েছিল। বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফার ৮টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ শুরু করেছে। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-ফ্যামিলি কার্ড। এটি পাবেন পরিবারের প্রধান নারী। কোন রাজনৈতিক বিবেচনা বা জনপ্রতিনিদিদের মাধ্যমে নয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এডমিন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ তালিকার মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে, যাতে পরবর্তীতে কোন সরকার এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে। পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি জেলার ১৪টি ওয়ার্ড/উপজেলার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পতেঙ্গা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুর ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সবক’টি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অদম্য নারীদের বক্তব্যের আলোকে তিনি বলেন, আজকের অদম্য নারীদের মধ্যে এ পুরস্কার সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে-ইউনিয়নে-পৌরসভা-উপজেলা-থানা-নগর ও জেলা পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের প্রতিটি নারী সম্মানের হকদার। বাংলাদেশে যত নারী আছেন তারা কোন না কোন জায়গায় অদম্যতার পরিচয়ে ঠিকে আছেন। অদম্য নারীদের জীবন-যুদ্ধে হার না মানার কাহিনীর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দরকার এবং সমাজের অন্যান্য নারীদেরকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমরা বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে চাই, চট্টগ্রামের জন্য অনেক কিছু করতে চাই, এজন্য সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, সংবিধানে সকলের সমান অধিকার। ১৯ কোটি মানুষের দেশে ৪ কোটি মানুষও যদি কর্মক্ষম বা অর্থনীতির বাইরে থাকে তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা কাঙ্খিত উন্নয়ন কোনভাবে সম্ভব নয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীরা উদ্যেক্তা হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে এবং উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশকে যদি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, সমতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদেরকে সাথে নিয়ে পথ চলতে হবে। উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে নারী-পুরুষের সমতা আনায়ন অত্যন্ত জরুরী।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো.জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ নাজিমুল হক, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অদম্য নারী পুরস্কার কর্মসূচীর অতিরিক্ত পরিচালক ও কর্মসূচী পরিচাল মোঃ মনির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিচালক (উন্নয়ন) নুসরাত সুলতানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত অদম্য নারীগণ, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ