আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

৮২ হাজার বেতনে ওয়েভ ফাউন্ডেশনে চাকরির সুযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বেসরকারি সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশন সম্প্রতি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ৮ পদে ২২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ওয়েভ ফাউন্ডেশনের ঠিকানায় আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

এক নজরে ওয়েভ ফাউন্ডেশনে চাকরি

প্রতিষ্ঠানের নাম

ওয়েভ ফাউন্ডেশন

চাকরির ধরন

বেসরকারি চাকরি

প্রকাশের তারিখ

০৬ জুলাই ২০২৩

পদ ও লোক সংখ্যা

৮টি পদ ও ২২২ জন

চাকরির খবর

ঢাকা পোস্ট জবস

আবেদন করার মাধ্যম

অনলাইন

আবেদন শুরুর তারিখ

০৬ জুলাই ২০২৩

আবেদনের শেষ তারিখ

২০ জুলাই ২০২৩

অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

https://wavefoundationbd.org/

আবেদন করার লিংক

অফিশিয়াল নোটিশের নিচে

পদের নাম: উপ-পরিচালক। পদ সংখ্যা: ১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে বাস্তবায়ন উপ-পরিচালক পদে কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪৮ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকুল্যে ৮২ হাজার। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ও ভাতা ১০৭,৫০৩ টাকা।

পদের নাম: উপ-পরিচালক (উদ্যোক্তা উন্নয়ন)। পদ সংখ্যা: ১টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচিতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, পরিচালনা, বাস্তবায়ন ও মনিটরিং কাজে উপ-পরিচালক পদে কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪৮ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৮২ হাজার। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ১০৭,৫০৩ টাকা।

পদের নাম: প্রোগ্রাম ম্যানেজার। পদ সংখ্যা: ৫টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কমপক্ষে ৪০/৪৫টি শাখা সমন্বয়ে ৪ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪৫ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৬৮ হাজার। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ৮৭,৬৭৩ টাকা।

পদের নাম: রিজিওনাল ম্যানেজার। পদ সংখ্যা: ৫টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কমপক্ষে ২০টি শাখা সমন্বয়ে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ১০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪৫ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৬০ হাজার। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ৮০,২৭৭ টাকা।

পদের নাম: এরিয়া ম্যানেজার। পদ সংখ্যা: ১০টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কমপক্ষে ৫টি শাখা সমন্বয়ে ৩ বছরের অভিজ্ঞতাসহ মোট ৭ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: ৪০ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৪৩,৮০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ৫৯,২৭৭ টাকা।

পদের নাম: ইউনিট ম্যানেজার। পদ সংখ্যা: ২০টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির ইউনিট ম্যানেজার পদে এমআরএ সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩৮ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ৩১,৫০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ৩৯,৯৩৯ টাকা।

পদের নাম: কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার। পদ সংখ্যা: ৯০টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক। ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে এমআরএ সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১ বছরের মাঠ পর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ১৯,৫০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ২৭,৭৯৯ টাকা।

পদের নাম: অ্যাসিসটেন্ট কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার। পদ সংখ্যা: ৯০টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম স্নাতক। মোটরসাইকেল চালনায় দক্ষদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

বেতন-ভাতা: শিক্ষানবিসকালে সর্বসাকূল্যে ১৬,৮০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর মোট বেতন ২৩,২২১ টাকা।

অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা: সকল পদের জন্য উৎসব ভাতা, বৈশাখী ভাতা ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আবাসন সুবিধা থাকবে। ৬ মাস পর কাজের ফলাফল মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্থায়ী নিয়োগের সুযোগ থাকবে। চাকরি স্থায়ীকরণের পর বর্ধিত বেতনসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে।

আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষার সনদ ও জাতীয় পরিচয় পত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি, অভিজ্ঞতার সনদ, এক কপি ছবি এবং ওয়েভ ফাউন্ডেশন শিরোনামে ২০০ টাকার ডিডি/পে-অর্ডারে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। ঠিকানা: প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগ, ওয়েভ ফাউন্ডেশন, ২২/১৩বি, ব্লক-বি, খিলজী রোড, মুহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।

আবেদনে শেষ তারিখ: ২০ জুলাই, ২০২৩।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাতছাড়া হচ্ছে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের ৪১ একর ভূমি।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ রেলওেয়ে পূর্বঞ্চলের ৪১ একর ভূমি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগরের ফৌজদার হাট স্টীল মিল রেল লাইনের উপর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণের কাজ চলমান থাকায় বিশাল এই ভূমি রেল কর্তৃপক্ষের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। এদিকে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখতে রেল লাইনের পাশ্ববর্তী জায়গার ১০ জন মালিক গতকাল বাংলাদেশ রেলওয়ে(পূর্বঞ্চল) জেনারেল ম্যানেজার বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেছেন।


ওই আবেদনে জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের এ লাইন চালুর জন্য ওইসব মালিকদের ভূমি হুকুম দখল করে। পরবর্তী পর্যায়ে রেল লাইন নির্মিত হলে বেশ কয়েক বছর রেল চলাচল করে। হঠাৎ স্টীল মিল বন্ধ হলে লাইনটির উপর দিয়ে রেল চলাচল না করায় বিভিন্ন পর্যায়ে রেল লাইনের অংশ বিশেষ তুলে নেয়ায় রেল লাইন বিলুপ্ত হয়ে যায়।

তবে ফৌজদার হাট স্টীল মিল রেল লাইনের জায়গাগুলো যাদের থেকে হুকুম দখল করেছে সরকার সংঙ্গত কারণে পাশ্ববর্তী লাগোয়া জায়গা হওয়ায় উক্ত জায়গাগুলোতে এরা চাষাবাদ করে আসছে। বর্তমানে ওই রেললাইনের উপর দিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণ করে চলেছে। এ ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষের আর.এম.ডি এর অনেক কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানালেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মাণ করলে ৪১ একর ভূমি রেল কর্তৃপক্ষের হাতছাড়া হয়ে যাবে বলে আবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

জায়গার মালিকরা জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে রাস্তা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে উক্ত রেল লাইনের একপাশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হোক। কাজেই রেল লাইনের এ রাস্তার ৪১ একর ভূমি রক্ষা করার স্বার্থে সিটি কর্পোরেশনকে অনুমতি না দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) সুবক্তগীন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হালিশহর এলাকায় নির্মিত হচ্ছে রাস্তাটি। পরিত্যক্ত এই রেল লাইনের উপর কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণ করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কারো মতে স্থানীয়দের জমি একোয়ার করা হয়েছে রেল লাইনের জন্য, রেল লাইন হয়েছিল কিন্তু স্টীল মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই রেল লাইনটির গুরুত্বও কমে যায়। আবার কারো মতে এই রেল লাইন যেহেতু নেই এখানে রাস্তা নির্মিত হলে জনগনের যাতায়তে সুবিধা অনেকটাই ভালো হবে।

সরকার একসময় স্টীল মিল থেকে ফৌজদার হাট পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ করে। এই রেললাইন দিয়ে স্টীল মিলের উৎপাদিত পণ্য পরিবহন করতো। স্টীল মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এ রেল লাইনটি কার্যত অচল হয়ে যায়। তবে ওই রেল লাইনের পাশে রেল স্থাপনার কিছু নিদর্শন রয়ে গেছে।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্টীল মিল সাইডিং এ প্রকল্পে ৪১ একরের বেশী জায়গা রয়েছে। তবে ভুমি সংস্থাটির হাতে নেই। রেল লাইন না থাকায় বেদখল হয়ে গেছে অধিকাংশ ভুমি। এরই মধ্যে এ রেল লাইনের পশের কিছু জায়গা লীজ দিয়েছিল রেলওয়ে ভূ সম্পত্তি বিভাগ।

সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর এ রেল লাইনের একাংশের ১ একর ৮১ শতক জায়গা লীজ প্রদান করার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। পরবর্তীতে লীজ গ্রহীতা দরপত্রের টাকা জমা দিতে না পারায় রেল কর্তৃপক্ষ কোন সিদ্ধান্ত নিতে এখনো পারেনি। রেল কর্তৃপক্ষ পূর্বাঞ্চলের ভূমি অনেক স্থানে বেদখল রয়েছে এমন অভিযোগ নতুন কিছু না। আবার কখনো অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করার পর আবার বেদখলের ঘটনাটিও চলমান রয়েছে।

রেল সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করেন, রেল কর্তৃপক্ষ কোন জায়গায় লীজ প্রদান করেন, তা যেন লাইনের একপাশ থেকে দেয়া হয়। যদি লাইনের মাঝখানের জায়গা লীজ দেয়া হয় কিংবা কোন সংস্থাকে দেয়া হয়, তাহলের পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ পুনরায় রেল লাইন স্থাপন করতে চাইলেও আর সুযোগ থাকবেনা। কাজেই লীজ কিংবা কোন সংস্থাকে রেল লাইনের কোন জায়গা প্রদান করা হয়, তাহলে ওই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বে-টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহন করেছে। অদূর ভবিষ্যতে এ রেল লাইনটি পুনরায় চালু করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে, এমনটি আশংকা করছেন রেল ও বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে পূর্বাঞ্চল স্টীল মিল সাইডিং প্রকল্পের রেল লাইনের উপর এরই মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হালিশহর কলসীর দীঘির পাড় থেকে আনন্দ বাজার পর্যন্ত রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। অথচ রেল কর্তপক্ষ জনেইনা তাদের পরিত্যক্ত রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মানের জন্য কোন আন্তঃবিভাগীয় সভা বা সিদ্ধান্তক্রমে রেলভূমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে হস্তান্তরের কোন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তাদের মনে হয়না।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান সোহেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পতেঙ্গা সৈকত দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবে চসিক : মেয়র


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামের অমূল্য সম্পদ। বারবার সতর্ক করার পরও যারা সৈকত দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে সিটি করপোরেশন। শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সি-বিচ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার পর তিনি এ কথা জানান।

মেয়র বলেন, ‘পতেঙ্গা দেশের ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের জন্য প্রধান আকর্ষণ। সৈকতকে সুশৃঙ্খল ও সুন্দর রাখা সব মানুষের দায়িত্ব। জনসাধারণের পথ বা বিচ ওয়াকওয়ে কেউ দখল করে ব্যবসা করতে পারবে না। যারা পর্যটকদের জোর করে খাবার খাওয়ায় বা বিল চাপিয়ে দেয়, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, সৈকতের পেছনের অংশে পর্যাপ্ত দোকান ও খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। তাই সৈকতে স্থায়ী ব্যবসা বা হোটেল গড়ে জনস্বার্থ বিপন্ন করা গ্রহণযোগ্য নয়। মেয়র জানান, ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অভিযান চালানো হয়েছে, এরপরও অবৈধ দখলকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই কার্যক্রম জেলা প্রশাসন, সিডিএ, টুরিস্ট পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে পরিচালিত হবে।এদিন মেয়র জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলা সচেতনতামূলক কর্মসূচিতেও অংশ নেন। তিনি বলেন, ‘পতেঙ্গা শুধু পর্যটনকেন্দ্র নয়, এটি চট্টগ্রামের গর্ব। প্লাস্টিক দূষণ সৈকতের সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি। আমরা এমন দায়িত্বশীল সংস্কৃতি গড়তে চাই, যেখানে প্রত্যেকে সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখবে।’
ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহকারী রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সরদার এম. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রতিদিন এখানে জমা হওয়া প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানাই।’

এদিন তরুণ স্বেচ্ছাসেবীরা সৈকত পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করেন, সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড ও পরিবেশবান্ধব ডাস্টবিন স্থাপন করেন এবং আগত পর্যটকদের প্লাস্টিক কম ব্যবহারের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্থানীয় সংগঠনের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে দেখান, ছোট উদ্যোগ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
কর্মসূচিটি ইউএনডিপি বাংলাদেশের ‘প্লাস্টিক সার্কুলারিটি প্রজেক্ট’-এর অংশ, যা দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির লক্ষ্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও টাঙ্গাইল জেলায় ১৫,০০০ টন প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদে রূপান্তরিত করা।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ