আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ভোলায় মুক্তবুলি ম্যাগাজিনের প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা

রিপন শান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাঠক যারা লেখক তারা’ এই স্লোগানে বরিশাল থেকে নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক ম্যাগাজিন মুক্তবুলি। জনপ্রিয় এই ম্যাগাজিনের লেখকদের নিয়ে ভোলার কুনজেরহাট বাজারে প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ জুন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলে এই আয়োজন।

 

 

মুক্তবুলি ম্যাগাজিনের উপদেষ্টা সম্পাদক কবি ফিরোজ মাহমুদের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক আযাদ আলাউদ্দীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অংশ নেন একাধিক গ্রন্থের লেখক কবি নীহার মোশারফ, ছোটদের সময় পত্রিকার সম্পাদক ও শিশু সাহিত্যিক মামুন সারওয়ার, বাংলা একাডেমির সদস্য কবি বোরহান মাসুদ, প্রখ্যাত গীতিকার বিলাল হোসাইন নূরী, দৈনিক বাংলার কণ্ঠের সাহিত্য সম্পাদক কবি মো. মহিউদ্দিন মহিন, কবি এরশাদ সোহেল, কবি আল মুনির, কবি মাসুম শাহ প্রমুখ। এর আগে ১৭ জুন ঈদের রাতে কুনজেরহাট বাজারে সাহিত্য আড্ডার প্রস্তুতি সভায় অংশ নেন মুক্তবুলি ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক কবি রিপন শান সহ লেখকরা।
আড্ডার আলোচকরা মুক্তবুলি ম্যাগাজিনের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। এবিষয়ে ব্রিফিং করেন প্রকাশক ও সম্পাদক আযাদ আলাউদ্দীন। তিনি বলেন- এক সময় বরিশাল শহর থেকে অনেক সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশিত হতো। এখন মাঝে মধ্যে দু’একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশিত হলেও ধারাবাহিকতা রক্ষা করে নিয়মিত প্রকাশ শুধুমাত্র ‘মুক্তবুলি’। এটি বরিশাল থেকে প্রকাশিত হলেও সারাদেশে- বিশেষ করে সব বিভাগীয় শহরে পাওয়া যায় বলে উল্লেখ করেন তিনি। আযাদ আলাউদ্দীন বলেন- কোন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সহযোহিতা ছাড়াই একটি সাহিত্য পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশ করা অনেক কঠিন ও কষ্টসাধ্য কাজ।
সাহিত্য আড্ডায় উপস্থিত লেখকরা বলেন- আমরা দীর্ঘদিনের সাহিত্য চর্চার অভিজ্ঞতায় দেখেছি- একটি সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করা খুব সহজ, কিন্তু এটিকে নিয়মিত চালিয়ে রাখা অনেক চ্যালেঞ্জের, সেই চ্যালেঞ্জে উত্তীর্ন হয়েছে মুক্তবুলি। তারা পত্রিকাটির মান আরো উন্নয়নের জন্য বাস্তবমুখী বেশ কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন।
সম্পাদক আযাদ আলাউদ্দীন লেখকদের সব পরামর্শ আন্তরিকতার সাথে গ্রহণ করেন এবং জুলাই মাসের শেষ দিকে বরিশালে অনুষ্ঠিতব্য লেখক সম্মেলনে উপস্থিত অধিকাংশ লেখকের মতামতের ভিত্তিতে তা বাস্তবায়ন করবেন বলে লেখকদের অবহিত করেন।

 

 

 

দুপুরের ভোজন শেষে দ্বিতীয় পর্বের শুরুতেই গীতিকার বিলাল হোসাইন নূরীর লেখা ও ওবায়দুল্লাহ তারেকের সুর করা মুক্তবুলি থিম সং ইউটিউব চ্যানেল থেকে পরিবেশিত হয়। গানটি শুনে লেখকরা মুগ্ধ হন এবং গীতিকার ও সুরকারকে ধন্যবাদ জানান। এরপর উপস্থিত লেখকরা তাদের স্বরচিত লেখা পাঠ ও পর্যালোচনা করেন। ##

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিশুরাই আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে তাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। যে শিক্ষা মানুষকে মানুষ হতে সাহায্য করে না, তা কুশিক্ষা। জে.এম সেন হল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও বিবেকানন্দ সঙ্গীত নিকেতনের বার্ষিক অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন।

তারা আরো বলেন, শিক্ষার বিস্তার ও সংস্কৃতির প্রসার একটি জাতিকে সভ্য জাতিতে পরিনত করে। বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতন এই গুরু দায়িত্ব পালন করছে। স্কুল পরিচালনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দুলাল কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন ও সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ, প্রধান অতিথি বিশিষ্ট সমাজসেবী অজয়কৃষ্ণ দাশ মজুমদার, বিশেষ অতিথি শিক্ষাবিদ প্রফেসর রীতা দত্ত, শিক্ষানুরাগী মিহির কান্তি নাথ।

স্বাগত বক্তব্য প্রদান সম্পাদক তাপস হোড়, অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নারায়ন চৌধুরী। প্রিয়ম কৃষ্ণ দে’র উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক অনুষ্ঠানের কর্মসূচিতে ছিল চিত্রপ্রদর্শনী, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও শিশু শিল্পীদের পরিবেশিত সঙ্গীত ও নৃত্যানুষ্ঠান।

আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোড দোকান মালিক সমবায় সমিতি’র নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ ২০২৬-২৮ শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১৯ জানুয়ারি সকাল ১০.০০ ঘটিকায় সি ইপিজেড ব্যারিস্টার কলেজ সংলগ্ন আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোডস্থ মাঠে অন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ রানা এর সভাপতিত্বে ও উপদেষ্টা বাবু শ্যামল বিশ্বাস এর সঞ্চালনায় হাফেজ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শপথ বাক্য পাঠ করান নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অন্তবর্তী কমিটির সদস্য প্রকাশ কান্তি দাশ।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রবিএ গীতা পাঠ করেছেন শ্রী আপেল দেবনাথ মহোদয় এবং প্রবিএ এিপিটক পাঠ করেছেন সন্জয় চাকমা।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন সভাপতি মোহাম্মদ কাউসার,সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি মো: আজাদ,সহ সাধারণ সম্পাদক অনিক দে,অর্থ সম্পাদক ইকবাল বাহার,সহ অর্থ সম্পাদক সুমন সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় কুমার দে, সমাজ ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রবিউল হক সুমন,প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মো: ইব্রাহীম, সদস্য দীপন চাকমা,আজিজ মিয়া।
উপদেষ্টা সদস্য হলেন – সাইফুল ইসলাম মিয়া,বাবু শ্যামল বিশ্বাস, হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন, স্বপন গোলদার,মনির হোসেন,আফজাল হোসেন।
এছাড়া উপ কমিটির সদস্য হলেন যারা,

মোহাম্মদ আবুল কাশেম,নাঈম উদ্দিন রানা,মোহাম্মদ হিরো, মোহাম্মদ নুর আলম,ইয়াছিন উদ্দিন, শাকিল বড়ুয়া।এতে উপস্থিত ছিলেন দোকান মালিক সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্যদের শুভেচ্ছা বক্তব্য, উপস্থিত সদস্যদের সাথে পরিচয় শেষে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ আব্দুর রহিম। তিনি ব্যবসায়ীদের একতা সততার উপর গুরুত্ব দিয়ে সংগঠন এর উন্নয়নে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন

সমিতির নিয়ম কানুন মেনে চলা, একে অপরের সহযোগী হিসেবে কাজ করা,রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে দিকে গুরুত্ব দিয়ে সকলকে সততার সঙ্গে ব্যবসায় পরিচালনা আহবান জানিয়ে ধৈর্য্য সহকারে অনুষ্ঠানে থাকায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সভাপতি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ