আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

আধ্যাত্মিক সাধক হযরত মোহছেন আউলিয়া (র.) মাজার কমপ্লেক্স শুভ উদ্বোধন

সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের অর্থায়নে পুনঃ নির্মিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হোছনেআরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের উদ্যোগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলমের অর্থায়নে আধুনিক ও ইসলামিক স্থাপত্য শিল্পের আদলে অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরমভাবে পুনঃনির্মিত হয়েছে বার আউলিয়ার অন্যতম আধ্যাত্মিক সাধক হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া (র.) মাজার কমপ্লেক্স। ১৮ জুন ২০২৪ খ্রি. বাদে মাগরিব, খতমে কোরানে পাক, খতমে মাজমুয়ায়ে সাল্লাতে রাসূল (সা.) মিলাদকিয়াম ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অত্র মাজার শরীফ শুভ উদ্বোধন হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম মাজার জিয়ারত, নতুন গিলাব জড়িয়ে এবং মোনাজার্তে মধ্য দিয়ে নবনির্মিত আধুনিক স্থাপত্যের এ মাজার শরীফ শুভ উদ্বোধন করেন। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পবিত্র মাজার শরীফ উদ্বোধনীতে মোস্তফা হাকিম পরিবারের আলহাজ¦ এম.এ. তাহের, হযরত গরীবুল্লাহ (র.) মজারের মোতোয়াল্লী শফর আলী, হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (র.) মাজারের মোতোয়াল্লী হাবিবুর রহমান, হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া (র.) মাজারের মোতোয়াল্লী এস এম ফজলুল করীম সহ অন্যান্য মোতোয়াল্লীবৃন্দ, সাবেক কমিশনার নেওয়াজ খান, সমাজসেবক হারুন ইউছুফ, আলহাজ¦ হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সভাপতি আলহাজ¦ মোহাম্মদ নিজামুল আলম, নির্বাহী পরিচালক আলহাজ¦ মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, পরিচালক-আলহাজ¦ মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ¦ মোহাম্মদ সাহিদুল আলম, সমাজসেবক জাহিদুল হক সিবলুসহ হযরত মোহছেন আউলিয়ার আওলাদ, ওয়ারিশ, খাদেম, ওলামায়ে কেরাম, হাফেজ সহ অগণিত আশেক ভক্ত ও সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। পুননির্মিত আধুনিক স্থাপত্যের পবিত্র মাজার শরীফ শুভ উদ্বোধনী বক্তব্যে সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, সংশ্লিষ্ট সরকারী দপ্তরের অনুমতি নিয়ে দীর্ঘ প্রায় এক বছর সময় ধরে পবিত্র এই মাজার নির্মিত হয়েছে। আল্লাহ তা’য়ালার রহমতের নির্দশন এই মাজার। তিনি বলেন, আগামী ১০ বছর এই মাজার শরীফের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে আলহাজ¦ হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট। সাবেক মেয়র আরো বলেন, মাজার শরীফের পালা কমিটি, খাদেম, মোতোয়াল্লীবৃন্দ আছেন উনারা উনাদের দায়িত্ব যথানিয়মে পালন করে যাবেন। তাদের কার্যক্রমের বিষয়ে আমাদের কোনই বক্তব্য নেই। তিনি বলেন, মাজার শরীফের আশপাশে জায়গা পাওয়া গেলে ওরশ শরীফের সুবিধা হবে। জায়গা ক্রয় করার জন্য মাজার কমিটির প্রতি অনুরোধ থাকবে। তিনি আরো বলেন, ওরশ শরীফের জন্য জায়গা ক্রয়ের ক্ষেত্রে আমরাও শরীক হবে। জনাব মনজুর আলম বলেন, আমাদের যাবতীয় সেবা আল্লাহ, আল্লাহর রাসুল ও অলি আউলিয়াদের সন্তুষ্ঠির জন্য। পরে পবিত্র ওরশ শরীফ উপলক্ষে তবারুক বিতরণ করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জামিয়া আহমদিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা অছিয়ুর রহমান এবং মিলাদ পরিচালনা করেন মাওলানা ইউনুস রজভী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১০ জুন ২০২৬খ্রি. বুধবার বাদ মাগরিব গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফ এর ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল-২০২৬ উপলক্ষে ২য় প্রস্তুতি সভা কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচ্য বিষয় ছিল মাহফিল এর অতিথি ও বক্তা নির্ধারণ, অনুষ্ঠানের দাওয়াত ও প্রচার, সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে, বিবিধ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ ছালেহ সুফিয়ান, কাজী হাবিবুল হোসাইন, মো.ফজলুল হক, মো. শওকত হোসাইন, মো. খোরশেদ আলম, মো.রুকুনুজ্জামান টুটুল, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, এসএম জাবেদ হোসাইন, হারুনুর রশিদ, কাজী আশরাফ হোছাইন, মো. জিয়াউল হাসান সাইফ, মো. শাহীন মুরাদ রাজা, সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব, মো. আকতার মিঞা সমন্বয়কারী, মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রিমন, দিদারুল আলম লোকমান, মো. মুজিবুর রহমান রাসেল, লায়ন ডা.বরুণ কুমার আচার্য বলাই, বাবু প্রবোধপাল, দেবরাজ পাল, সৈযদ আবু আহমদ, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. নুরমিয়া, মো. রানা সরকার, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. কামাল উদ্দীন, মো. শাহজাহান মনজু, মো. ইদ্রিস আলী, মুহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, মু. আমান উল্লা খান চৌধুরী লিটন প্রমূখ।

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। আজ বৃহস্পতিবার ২৮ মে সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। নামাজ শেষে তিনি ঈদের খুতবা প্রদান করেন এবং কোরবানির তাৎপর্য, ত্যাগের শিক্ষা ও মাংস বণ্টনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান তুলে ধরেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির নেতা সোলায়ামান আলম শেঠসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।একই স্থানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।
এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ