আজঃ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নোয়াখালী:

সুবর্ণচরে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র ছাত্রী দের সংবর্ধনা

এসএম রফিক মাহমুদ নোয়াখালী উত্তর জেলা প্রতিনিধি:

সুবর্নচর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলা চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাসার কর্তৃক জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে,

বৃহস্পতিবার ২০ জুন বিকেল লর্ড লিও নার্ড চেশায়ার উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুবর্ণচর উপজেলার কৃতি সন্তান চট্টগ্রামের সহকারী পুলিশ সুপার, আবু জাফর মোঃ ওমর ফারুক,

অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাসার এর সভাপতিত্বর এবং বিশিষ্ট সমাজ সেবক শিক্ষানুরাগি মোঃ রফিক উল্লাহ, এল এল বি, এর সঞ্চালনায় ২০২৪ সালের এস এস সি ও দাখিল পরীক্ষায় চরক্লার্ক ইউনিয়নস্থ জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র ছাত্রী দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেণী গার্লস ক্যাডেট কলেজের সহকারী অধ্যাপক মিজান বিন মজিদ,

উপস্থিত ছিলেন চরক্লার্ক ইউনিয়ন এর কৃতি সন্তান পুলিশ অফিসার (ডিবি) নুর আহমেদ বাবুল,
লর্ড লিও নার্ড চেশায়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশ কান্তি দেবনাথ, কেরামতপুর এম এস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাছির উদ্দীন হেলাল, থানার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল মান্নান,
কেরামতপুর বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম,
চরবাটা আরজি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহিম,
বাংলা বাজার দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শেখ ফরিদ, জনতা বাজার দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা মোহাম্মদ মাহমুদউল্লাহ,
অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক মাস্টার আবদুল হালিম, মাস্টার আবদুল কাইয়ুম, সেনা কর্মকর্তা সাইফ উদ্দিন সজল, নোভা সিটি স্কান হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফিরোজ মাহমুদ, ফার্মাশিয়া কোম্পানির সিলেট এরিয়া কর্মকর্তা নুর করিম বিএসসি, প্রাইমারি শিক্ষক আবদুল বাকের, চরক্লার্ক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রশিদ মেম্বার, সুবর্ণ প্রবাসী ফাউন্ডেশন এর পরিচালক সিরাজ ইবনে মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির,
সমাজ সেবক ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ সাংবাদিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন চরক্লার্ক ইউনিয়ন এর ছাত্র ছাত্রীরা কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন জিপিএ ৫ পেয়ে, আমি গর্বিত আমার এলাকার ছেলে মেয়েরা শিক্ষায় এগিয়ে যাচ্ছে,
তারাই একদিন এদেশের সুনাগরিক,

ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের সহকারী অধ্যাপক মিজান বিন মজিদ উনার বক্তব্যে বলেন চরক্লার্ক ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাসার এর অর্থায়নে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আলোচনা বা কথা বলতে পেরে খুবই ভালো লেগেছে,
আমি চরক্লার্ক ইউনিয়নস্থ কৃতি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি এবং চরক্লার্ক ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাসার চেয়ারম্যান কে এমন মহতি উদ্যোগ চলমান রাখতে অনুরোধ করেন। ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন
ভবিষ্যতে সুশিক্ষিত সুনাগরিক হও,
পরে প্রধান অতিথির হাত থেকে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র ছাত্রী দের ক্রেস্ট, গোল্ড মেডেল,সার্টিফিকেট প্রদান করেন,
ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাসার উনার সভাপতির বক্তব্যে বলেন আমি কথা দিয়েছিলাম ছাত্ররা যদি ভালো রেজাল্ট অর্জন করতে সক্ষম হয় আমি আমার নিজের সামর্থ্যের মধ্যে তাদের পুরষ্কিত করবো,
চেষ্টা করছি , ভবিষ্যতে এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে তাদের পাসে আছি ,
উল্লেখ্য চরক্লার্ক ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল বাসার এর আগেও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এর সাথে জড়িয়ে নিজেকে একজন নিবেদিত সক্রিয় সমাজ সেবকের পরিচয় দিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামফলক উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বৈরাচার ও তার দোসরদের নির্দেশে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে স্থাপিত নামফলকটি উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছেন আওয়ামী দলকানা নামধারী সাংবাদিকরা। এর ফলে নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা। এসব সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও স্বৈরাচারের মন জয় করতে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছিল। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে।

শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভিআইপ লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি এসব তথ্য জানান। এসময় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নামফলকটি আগের স্থানে যথাযতভাবে স্থাপন করা হবে বলে উল্লেখ করেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, প্রেসক্লাবের বর্তমান কমিটি গত ১০ ডিসেম্বর’২০২৬ ইং ২০২৬-২০২৭ সেশনের জন্য প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর জানতে পারে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অডিটরিয়াম ও ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মানকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সে সময় দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেকসহ সাংবাদিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ওই অনুষ্ঠানের ছবি তোলেন তৎকালীন নামকরা সাংবাদিক ও পরবর্তীতে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গনি মনসুর। তখন থেকেই সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদ্বোধনের ভিত্তিপ্রস্তর ফলকটি ক্লাবের সামনের দেয়ালে খোদাই করে লাগানো ছিল। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আগমনের সময় উক্ত ভিত্তিপ্রস্তরটি খুলে ফেলা হয় বলে জানা যায়। এরপর থেকে ভিত্তিপ্রস্তরটি কোথায় ছিল কেউ বলতে পারছিলেন না। বিগত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির নেতাদের কাছে এ সব বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তারা আমাদেরকে আওয়ামী সরকার বিরোধী আখ্যায়িত করে হুমকি ধামকি দেন।

এতে আরও বলা হয়, সাংবাদিকতার প্রতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাসী ছিলেন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে বিপুল অবদান রাখেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া সাংবাদিকদের সার্বিক কল্যাণ চাইতেন। বিদেশে রাষ্ট্রীয় সফরে গেলে তিনি চট্টগ্রামের সংবাদপত্র, সম্পাদক ও সাংবাদিকদের দু-তিনজন প্রতিনিধি সব সময় সঙ্গে নিয়ে যেতেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে শহীদ জিয়া আর্থিক সমর্থন দিয়েছেন। শেরশাহ কলোনীতে সাংবাদিকদের জন্য জমি প্রদান করেন। তারই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে ১৫ লক্ষ টাকা অনুদান দিয়েছেন।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক কমিটির কর্মকর্তারা মহান স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ফলকটি ফেলে দেয়। এর মাধ্যমে তারা চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রী-এমপিদের নির্দেশে এই ইতিহাস মুছে দেয়ার এই অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তাদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায় ও তাদের মন জয় করতে ওইসব নামধারী সাংবাদিকরা পেশাকে জলাঞ্জলি দিয়ে দলবাজিতে ব্যস্ত ছিল এবং গণমানুষের আশা ভরসার বিপরীতে অবস্থান নেয়। তারা চতুর্থ স্তম্ভ সাংবাদিকতাকে কলংকিত করেছে। তারা প্রকৃত ইতিহাস মুছে দিতে চেয়েছিল।

আমরা অনুসন্ধানে জানতে পেরেছি, ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অডিটরিয়ামের যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তার হাত ধরে এই প্রতিষ্ঠান তিলে তিলে গড়ে ওঠে। কালক্রমে আওয়ামী দলকানারা সেটি মুছে দেয়। নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা।

নেতৃবৃন্দরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ থাকা প্রেসক্লাবের বিভিন্ন সময়ে ক্লাবের দেয়ালে সাটানো ভিত্তিপ্রস্তরগুলোর উদ্ধারের জন্য বর্তমান কমিটি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বিগত ০৫/০২/২০২৬ ইং প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাতসহ কমিটির কর্মকর্তারা প্রেসক্লাবের আন্ডারগ্রাইন্ডে গোডাউন পরিদর্শনে গিয়ে নোংরা ও ময়লাযুক্ত পরিবেশে জিয়াউর রহমানের ভিত্তিপ্রস্তরটি খুজে পেয়ে উদ্ধার করে। ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে নামফলকটিতে সযত্নে ক্লাবের অফিসে রাখা হয়েছে।

প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্যদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বাংলা ১১ ফাল্গুন ১৩৮৪ (শুক্রবার) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার পর থেকে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইতিহাসের অংশ এই নামফলকটি এক সময় প্রেসক্লাবের সামনেই ওয়ালে সাটানো ছিল। কারা এটি সরালো? কোন উদ্দেশ্যে? ঐতিহাসিক এই নিদর্শন সরিয়ে ফেলার হোতাদের বিরুদ্ধে কি করা যায়?

তবে আইনেও এ ধরনের অপরাধের জন্য শাস্তির বিধানের কথা উল্লেখ আছে। ভিত্তিপ্রস্তর বা এ ধরনের স্থাপনার ফলক সরিয়ে ফেলা, ভাঙা বা বিকৃত করা আইনত গুরুতর অপরাধ, যা সাধারণত সম্পত্তি বিনষ্ট (Criminal Trespass/Mischief) হিসেবে গণ্য হয়। এর শাস্তি হিসেবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে। এই ভিত্তিপ্রস্তরটি কারা ক্লাবের দেয়াল থেকে সরিয়ে নিল এবং কারা এই ঘটনায় জড়িত তা নির্নয় করা প্রয়োজন বলে জানান নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনের এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত ও ওসমান গণি মনসুর, সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও রফিকুল ইসলাম সেলিম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি প্রার্থী আমীর খসরু চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি প্রার্থী আমীর খসরু চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত।

আলোচিত খবর

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে।শেখ আব্দুর রশিদ বলেন- নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ