আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার গণমিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা, মুক্তি ও দেশনায়ক তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ফরমায়েসি রায় বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল ও চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান হাটহাজারীর গণমানুষের নেতা ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিনকে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) নির্বাচিত করায় দেশনায়ক তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শুভেচ্ছা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি ওয়াসা মোড়স্থ জমিয়তুল ফালাহ্ থেকে শুরু হয়ে আলমাস সিনেমা হল, কাজির দেউড়ী নাসিমন বিএনপির কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মুনাজাত করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি ইদ্রিস চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইকবাল চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপি’র আহ্বায়ক আলহাজ্ব জাকের হোসেন, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান, আনোয়ারা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, মীরসরাই উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মো. মাঈনুদ্দিন, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. রফিক উল আলম, বায়েজিদ থানা বিএনপি সভাপতি আবদুল্লাহ আল হারুন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের জসিম, হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপি’র সদস্য সচিব মো. অহিদুল আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল শুক্কুর, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র নেতা মাহবুবুর রানা, মো. মহসিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. আকবর আলী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম জনি, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জাসাস সভাপতি কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল, চট্টগ্রাম মহানগর জাসাস সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ শিপন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. আলাউদ্দিন মহসিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. রহমত উল্লাহ মেম্বার, মো. ইসমাইল, মো. ইলিয়াছ চৌধুরী, মো. ইউসুফ, আবুল হাশেম চৌধুরী, নুর খান, এস.এম. ফারুক, নিজাম উদ্দিন হাকিম, জাকির হোসেন, বিএনপি নেতা আবু মুছা, বায়েজিদ থানা বিএনপি নেতা এয়াকুব চৌধুরী, মফজল কোম্পানী, বেলাল, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি নুর আহমদ গুড্ডু, আবদুর রাজ্জাক, আমজাদ হোসেন, মো. শাহেদ আকবর, ফজলুল হক সুমন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. মোশারফ হোসাইন, আঁখি সুলতানা, আনোয়ারা উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাস্টার রফিক, বিএনপি নেতা সরোয়ার আলমগীর মাসুদ, ভিপি ইলিয়াছ, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শওকত উল্লাহ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম তালুকদার, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ভূজপুর যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল আমিন আজাদ, হাটহাজারী উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জিএম সাইফুল ইসলাম, চকবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি নুরুল আলম শিপু, হাটহাজারী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. এমরান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন তালুকদার, হাটহাজারী উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব গাজী আবদুল মুবিন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল নেতা এনামুল হক রাজু, মো. আবু তৈয়ব আলী, জসিম উদ্দিন, হাটহাজারী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুদ্দিন নাহিদ, ফটিকছড়ি উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোরশেদ হাজারী, ফটিকছড়ি পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক মঈনুল্লাহ উজ্জ্বল, নাজিরহাট পৌরসভা যুবদলের আহ্বায়ক ওমর ফারুক চৌধুরী ডিউক, সদস্য সচিব মো. ইব্রাহিম, খুলশী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রায়হান আলম, হাটহাজারী পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মো. ইলিয়াছ মেহেদী, সাধারণ সম্পাদক মো. আরেফিন সাইফুল, হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মান্নান দৌলত, হাটহাজারী পৌরসভা ছাত্রদল আহ্বায়ক রেজাউল করিম চৌধুরী রকি, সদস্য সচিব মো. শাহেদ খান, হাটহাজারী উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. নাসির মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক মো. আজিম, হাটহাজারী পৌরসভা শ্রমিক দল সভাপতি মো. রুবেল, সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল, ধলই ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো. আজম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির মেম্বার, গুমানমর্দ্দন ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো. হোসেন মেম্বার, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, লাঙ্গলমোড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সোলায়মান মেম্বার, ছিপাতলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন, গড়দুয়ারা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর, উত্তর মাদার্শা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নুরুল আলম মফিজ, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম টিটু, দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান বাদশা মেম্বার, বুড়িশ্চর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো. মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক এস.এম. ফারুক, শিকারপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শেখ মহিউদ্দিন, চিকনদন্ডী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইসা শফি, ১নং চসিক দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান মনজু, হাটহাজারী পৌরসভা মহিলা দল সভানেত্রী পারভীন জাহান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রাজনীতি, নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের রাজনীতি আজ এক গভীর বিশ্বাস সংকটে উপনীত। রাজনীতি কি সত্যিই জনগণের কল্যাণের জন্য, নাকি ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার কৌশল—এই প্রশ্নটি এখন আর তাত্ত্বিক নয়, এটি বাস্তব ও জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ দেখছে, নির্বাচনের নামে প্রক্রিয়া আছে, কিন্তু ভোটাধিকার নিয়ে আস্থা নেই; রাষ্ট্র আছে, কিন্তু জবাবদিহিতা দুর্বল।এই বাস্তবতায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবল একটি সাংবিধানিক আয়োজন নয়, বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রশ্নে একটি বড় পরীক্ষা।

একটি নির্বাচন তখনই গ্রহণযোগ্য হয়, যখন জনগণ সেখানে স্বাধীনভাবে অংশ নিতে পারে, বিকল্প বেছে নেওয়ার সুযোগ পায় এবং ভোটের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন থাকে না। ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের কাঠামোতে অনুষ্ঠিত নির্বাচন জনগণের প্রকৃত রাজনৈতিক মতামত কতটা প্রতিফলিত করবে—এই প্রশ্নের স্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য উত্তর এখনো মেলেনি।

গণতন্ত্রের মূল শক্তি অংশগ্রহণ। অথচ অংশগ্রহণহীন বা সীমিত অংশগ্রহণের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না; বরং তা সংকটকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়। এই বাস্তবতায় জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। কিন্তু দেশের ভেতরের রাজনৈতিক বাস্তবতা আন্তর্জাতিক সুনামের চেয়েও কঠিন। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা—এই তিনটি বিষয়ের ওপরই নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করছে।

প্রশ্ন হলো, তিনি কি রাজনৈতিক চাপের ঊর্ধ্বে উঠে একটি সত্যিকার অর্থে নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে পারবেন? নাকি এই নির্বাচনও অতীতের মতোই ‘প্রক্রিয়াগত’ নির্বাচনের তালিকায় যুক্ত হবে? এই প্রশ্নের উত্তর শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সদিচ্ছায় নয়, রাষ্ট্রযন্ত্রের সম্মিলিত আচরণের ওপর নির্ভর করছে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, ড. ইউনুস যদি দৃঢ় অবস্থান নিয়ে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে পারেন, তবে নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য পথে এগোতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকদের প্রশ্ন—তিনি কি রাজনৈতিক চাপ, দলীয় প্রভাব এবং ক্ষমতাকেন্দ্রিক বাস্তবতা সামাল দিতে পারবেন?

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়; এটি একটি দীর্ঘ আন্দোলনের প্রতীক। গত প্রায় ১৭ বছর ধরে দলটি নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে রয়েছে। এই আন্দোলনের কেন্দ্রে ছিল একটি মৌলিক দাবি—ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার।

সমালোচকরা বিএনপির আন্দোলন নিয়ে নানা প্রশ্ন তুললেও একটি বাস্তবতা অস্বীকার করার উপায় নেই—দেশে আজ যে নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক, আস্থাহীনতা ও আন্তর্জাতিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, তা বিএনপির দীর্ঘদিনের দাবিকেই প্রমাণ করে। বিএনপির আন্দোলন ক্ষমতার জন্য নয়—এটি একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তনের দাবি।

অতীতে নির্বাচন না হওয়ার দাবিতে আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হলেও বাস্তবতা হলো, সেই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যও ছিল অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা। গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস না করার রাজনৈতিক অবস্থানই বিএনপির মূল শক্তি।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই সহজ নয়। এই লড়াইয়ে দমন, মামলা, গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক চাপ এসেছে বারবার। তবুও বিএনপি রাজপথ ছাড়েনি। কারণ গণতন্ত্র কোনো দল বা ব্যক্তির সম্পত্তি নয়—এটি জনগণের অধিকার।

আজ যারা বিএনপির আন্দোলনকে ‘দ্বন্দ্বের রাজনীতি’ বলে আখ্যা দেন, তাদের মনে রাখা দরকার—গণতন্ত্রের ইতিহাস কখনোই নির্বিঘ্ন ছিল না। গণতন্ত্র এসেছে সংগ্রামের মধ্য দিয়েই। প্রশ্ন হলো, সেই সংগ্রামকে রাষ্ট্র কি স্বীকৃতি দেবে, নাকি দমন করবে?

দেশের তরুণ ভোটাররা আজ সবচেয়ে বেশি হতাশ। তারা চায় একটি ভোট, যার মূল্য থাকবে; একটি সরকার, যার কাছে জবাবদিহিতা থাকবে। বিএনপির আন্দোলন এই তরুণ সমাজের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গেই যুক্ত—কারণ ভোটাধিকার ছাড়া কোনো ভবিষ্যৎ নিরাপদ নয়।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হতে পারত। কিন্তু অংশগ্রহণ, আস্থা ও নিরপেক্ষতা ছাড়া কোনো নির্বাচনই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ খুলে দিতে পারে না।

এই বাস্তবতায় বিএনপির আন্দোলন কোনো দলীয় স্বার্থের নয়—এটি রাষ্ট্র ও জনগণের অধিকারের প্রশ্ন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, গণতন্ত্র কখনো দানে আসে না, তা আদায় করে নিতে হয়।এই নির্বাচন কি সত্যিই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ খুলবে, নাকি রাজনৈতিক অনিশ্চয়তাকে আরও দীর্ঘ করবে?
jahangirfa@yahoo .com

ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেয়ায় আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি’ সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবীরা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেয়ায় কোন প্রকার আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি। আইনের সকল বিধিবিধান মেনে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন। একটি গোষ্ঠী এনিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে যা আইনসঙ্গত নয়।বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন সরওয়ার আলমগীরের আইনজীবী এডভোকেট রেজাউল করিম রণি।

তিনি বলেন, হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ মঙ্গলবার সরওয়ার আলমগীরের রিট শুনানী শেষে তাঁর প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করে অবিলম্বে প্রতীক বরাদ্দের জন্য রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ দেন। আদেশ অনুযায়ী আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্রের মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ দেন রিটার্নিং অফিসার। সুপ্রীম কোর্টের ৪৪ ডিএলআর (এডি) ২১৯ পৃষ্টার আদেশ অনুযায়ী আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্রের ভিত্তিতে অর্ডার কার্যকর করা বৈধ। এটা মানতে সকলে বাধ্য।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হাসান আলী চৌধুরী বলেন, রিটার্নিং অফিসার সরওয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ সম্পূর্ণ আইনের মধ্য দিয়েছেন। তিনি কোন বেআইনি কাজ করেননি।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন আপিল আদেশে সকালে সরওয়ার আলমগীের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করলেও বিকালে অবৈধ ঘোষণা করে। সেটাও আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্রের মাধ্যমেই করা হয়েছে।

এডভোকেট রেজাউল করিম রণি বলেন, সরওয়ার আলমগীরের প্রার্থীতা ঠেকাতে জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন নানাভাবে চেষ্টা করেছেন। একের পর এক মামলা করেছেন। তিনি ঋণখেলাপি ছিলেন না। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী তিনি ৫টি ব্যাংকের ঋণ রিসিউল করেছেন। কোন কোন ব্যাংকে অনেক আগেই ঋণ পরিশোধ করেছেন। তারপরও ব্যাংকের পক্ষ হয়ে নুরুল আমিন মামলা করেছেন। অথচ যারা পাওনাদার তারা কোন মামলা করেনি। ব্যাংক এশিয়া ও প্রিমিয়ার লিজিং তাদের মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ড ফটিকছড়ি  (চট্টগ্রাম -২) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে। একইদিন বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি ছাড়াই লয়ার সার্টিফিকেট জমা দিয়ে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে এক সপ্তাহ ভোটের প্রচারণার মাঠের বাইরে থাকার পর মঙ্গলবার হাইকোর্টের আদেশে বিএনপির প্রার্থী  সরওয়ার আলমগীর তার প্রার্থীতা ফিরে পান। কিন্তু একটি গোষ্ঠী লয়ার সার্টিফিকেট ও হাইকোর্টের অনলাইন ডকুমেন্টস অনুযায়ী বিএনপির প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দেবার কারণে চট্টগ্রামের  জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মিঞাকে নিয়ে অপপ্রচার শুরু করে ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক  এডভোকেট হাসান আলী বলেন, ‘ লয়ার সার্টিফিকেটকে গুরুত্ব দেবার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবজারভেশন আছে। মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও আসিফ হাসানের বেঞ্চ বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা ও প্রতীক ফিরিয়ে দেবার নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনার লয়ার সার্টিফিকেট ও  অনলাইনে কোর্ট অর্ডারের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মিঞা সরওয়ার আলমগীরকে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন। এখানে আইনের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। ‘
আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, গত ১৮ জানুযারী নির্বাচন কমিশনের আপিল বোর্ড একই দিন দুই ধরনের আদেশ দিয়েছেন। একবার সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন।

পরে আবার চেম্বার জজের স্থগিতাদেশ সামনে এনে মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। গত ১৮ জানুয়ারী জামাতের প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে নির্বাচন কমিশনে লয়ার সার্টিফিকেট ও অনলাইনের স্কিনশট উপস্থাপন করা হয়েছিলো, চেম্বার জজের স্বাক্ষরিত কোন নির্দেশনা নির্বাচন কমিশনে না পৌঁছার পরও সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিলো। তখন বিষয়টি নিয়ে কথা না তুললেও হাইকোর্টের রায়ে বিএনপির প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেবার পর এই বিষয়ে  বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে একটি গোষ্ঠী। তারা আসলে নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করছেন। ‘
আইনজীবীরা বলেন, ব্যাংকের একটি মামলায় জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন চেম্বার জজ আদালতে ৮ সপ্তাহের স্থগিতাদেশ আদেশ দিলে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্র জমা দেন তারা। এটার ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করে। আইনজীবী প্রত্যয়ণপত্র তাদের বেলায় বৈধ হলে আমাদের বেলায় অবৈধ হবে কেন? এক দেশে কি দুই আইন হয়?

প্রিমিয়ার লিজিং লিমিটেডের সাথে সরওয়ার আলমগীরের মালিকানাধীন এনএফজেড টেরি টেক্সটাইলের পুরোনো আইনী লড়াইকে পূঁজি করে জামাতের প্রার্থী নুরুল আমিন নির্বাচনে মাঠের বাইরে রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানটি চেম্বার জজ আদালতে  তাদের পিটিশন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এছাড়া বিবদমান এনএফজেড টেরি টেক্সটাইলের ঋন রিসিডিউল করেছেন। চট্টগ্রাম জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা  সরওয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার করার দিন বিএনপির প্রার্থীন সব ঋন রিসিডিউল করা ছিলো । তিনি ঋণ খেলাপী ছিলেন না, এখন ঋণ খেলাপী নন। এবিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ রয়েছে। এতকিছুর পর প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে  অপপ্রচার করা, গণমাধ্যমকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। ‘
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হাসান আলী, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট  এনামুল হক, এডভোকেট  রেজাউল করিম রনি, এডভোকেট ইউসুফ আলম মাসুদ, এডভোকেট হাসান উদ্দিন প্রমুখ ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ