আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বহিবিশ্ব:

ফ্রান্সে জাতীয় নির্বাচন আজ, প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ চলছে

বহিবিশ্ব নিউজ ডেস্ক:

ফ্রান্স:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফ্রান্সের জাতীয় পরিষদের ৫৭৭ জন সদস্যকে নির্বাচিত করতে রোববার (৩০ জুন) ভোট দেবেন দেশটির জনগণ। ফ্রান্সের নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, আজ প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ করা হবে। সকাল ছয়টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। তবে প্যারিস এবং অন্যান্য বড় শহরগুলোতে ভোটকেন্দ্রগুলো সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত খোলা রাখা হবে।

ফ্রান্সের জাতীয় পরিষদের নির্বাচন সাধারণত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরে অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই হচ্ছে জাতীয় পরিষদ নির্বাচন। বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশটিতে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জনপ্রিয়তা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।

কূটনীতি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বিষয়ক সংস্থা থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর ইউরোপিয়ান পার্সপেক্টিভ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রধান ইমানুয়েল ডুপুই বলেন, ‘এই নির্বাচন ফ্রান্সের শাসন ব্যবস্থায় একটি নতুন পদ্ধতির সূচনা এবং প্রেসিডেন্টের এজেন্ডার সমাপ্তি টানবে। ম্যাক্রোনিজম ইতোমধ্যেই ভেঙে পড়েছে এবং এই নির্বাচন দিয়ে তা সম্পূর্ণ নির্মূল হয়ে যাবে।’নিজ দেশে অনুষ্ঠিত ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে ডানপন্থীদের কাছে ধরাশায়ী হয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ আগাম জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণা ম্যাক্রোঁর ঘনিষ্ঠ মিত্রদেরও হতবাক করে দেয়। কারণ, আগামী ২০২৭ সালের আগে ফ্রান্সে কোনো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল না। ম্যাক্রোঁর ঘোষণা অনুযায়ী রোববার (৩০ জুন) অনুষ্ঠিত হবে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ। দ্বিতীয় ধাপে ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ৭ জুলাই।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ৯ জুন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে মেরিন লে পেনের ডানপন্থি জাতীয় সমাবেশ (আরএন) দলের কাছে শোচনীয় পরাজয় ঘটে। জনমত জরিপে দেখা গেছে, ডানপন্থী জাতীয় সমাবেশ দল (আরএন) ৩৬ শতাংশ ভোট পেয়ে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে। পরের স্থানে বামপন্থী ব্লক নুভাউ ফ্রন্ট পপুলায়ার (এনএফপি) ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ম্যাক্রোঁর মধ্যপন্থী জোট-এনসেম্বল ২১ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ভোটের ফলাফল যদি জরিপের মতো হয়ে থাকে তাহলে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জন্য তা সুখকর হবে না।ফ্রান্সের জাতীয় পরিষদের ৫৭৭টি আসন আছে। প্রতিটি নির্বাচনি জেলার জন্য একটি করে আসন বরাদ্দ। নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য একটি দলের প্রয়োজন হয় ২৮৯টি আসন। বিদায়ী সরকারে ম্যাক্রোঁর জোটের আসন ছিল মাত্র ২৫০টি। ফলে আইন পাসের জন্য অন্য দলের সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হতো তাদের।

৫৭৭ আসনের যেকোনো একটিতে নির্বাচিত হতে হলে দুটি শর্ত পূরণ করতে হবে। প্রথমত, নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কমপক্ষে ২৫ শতাংশ হতে হবে। দ্বিতীয়ত, নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীকে প্রদত্ত ভোটের মধ্যে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হবে। ফ্রান্সের মতো একটি বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থায়, কোনো প্রার্থীই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে গড়াবে। এক্ষেত্রে আগামী ৭ জুলাই দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে৷ প্রথম রাউন্ডে কমপক্ষে সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট পাওয়া প্রার্থীরাই কেবল দ্বিতীয় রাউন্ডে অংশ নিতে পারবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইজিপ্টে ইকামাহীনদের বিরুদ্ধে অভিযান, অনিশ্চয়তার মুখে আজহারি ছাত্রসমাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইদানীং মিসরে ইকামা (আবাসিক অনুমতি) বিহীন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এই অভিযানে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে আল-আজহার কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, যেখানে ইকামা বিহীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে বহু বাংলাদেশি নাগরিককে মিসরীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে হেফাজতে নিয়েছে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে অভিবাসন আইন প্রয়োগের স্বাভাবিক পদক্ষেপ মনে হলেও, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের জটিল ও উদ্বেগজনক এক বাস্তবতা, যা ধীরে ধীরে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য করেছে।

মিসরকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে ইউরোপে অবৈধভাবে মানুষ পাচারের একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। এই চক্র বাংলাদেশ থেকে মানুষ এনে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখায় এবং নৌপথে ইজিপ্ট হয়ে ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব মানুষ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার আগেই মিসরীয় পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এর ফলে একটি জাতিগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশিরা প্রশাসনিক সন্দেহের আওতায় চলে যাচ্ছে।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কিছু ব্যক্তি নিজেদের ছাত্র পরিচয় ব্যবহার করছে। এমনকি কিছু বাংলাদেশি অবৈধ ব্যবসায়ী ছাত্রদের নাম ব্যবহার করে বা ভুয়া ছাত্র পরিচয়ে এই নোংরা ব্যবসার অংশ হয়ে উঠছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি ও গ্রুপ খুলে আকর্ষণীয় পোস্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। দিন দিন এই ধরনের তৎপরতা বেড়েই চলেছে, যা মিসরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে মিসরীয় প্রশাসন বিষয়টিকে শুধু অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে না; বরং জাতীয় নিরাপত্তা, মানবপাচার রোধ এবং জীবন রক্ষার প্রশ্ন হিসেবেই দেখছে। সে কারণেই ইকামাহীনদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এই অভিযানের প্রভাব নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের জীবনেও এসে পড়ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রবাসী ছাত্রদের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। ইকামা ও কাগজপত্র দ্রুত হালনাগাদ করা, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও অনলাইন প্রলোভন থেকে দূরে থাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলাই এখন একমাত্র নিরাপদ পথ।

ইজিপ্টে আগত শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যেই এখানে অবস্থান করছেন—তারা কোনো অপরাধী নন। কিন্তু কিছু অসাধু ও লোভী চক্রের কারণে পুরো একটি সম্প্রদায় আজ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, যখন অপরাধ নীরবে বাড়ে, তখন তার মূল্য অনেক সময় নিরপরাধকেও দিতে হয়।

এই সংকট কেবল প্রশাসনিক নয়; এটি সচেতনতা, নৈতিকতা এবং দায়িত্ববোধেরও এক কঠিন পরীক্ষা।

ভারত শতাধিক যুদ্ধবিমান কিনে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ অস্ত্রচুক্তির পথে…

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একবারে শতাধিক যুদ্ধবিমান কিনে ভারত ইতিহাসের সর্ববৃহৎ অস্ত্রচুক্তির পথে চলেছে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর (আইএএফ) মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফট কর্মসূচির আওতায় ফ্রান্স থেকে ১১৪টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি রুপির একটি চুক্তি এই সপ্তাহেই দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেতে পারে।

চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে এটি হবে ভারতের সবচেয়ে বড় অস্ত্র কেনার চুক্তি। এই চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ১১৪টি রাফালের মধ্যে ১০০টি যুদ্ধবিমান ভারতে উৎপাদনের ব্যবস্থা থাকবে। চুক্তিটি কার্যকর হলে রাফায়েল যুদ্ধবিমানের অন্যতম বৃহৎ অপারেটর হিসেবে আরও সুদৃঢ় হবে ভারতের অবস্থান।রাফায়েল একটি দ্বি-ইঞ্জিন বিশিষ্ট মাল্টি-রোল ফাইটার জেট, যা বিশ্বে সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধবিমানগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। আকাশে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন ও নিখুঁত হামলা চালানোর ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত কার্যকর। বর্তমানে ভারতের কাছে ৩৬টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান রয়েছে। ভারতীয় বিমান বাহিনী ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ ‘সি’ ভ্যারিয়েন্ট রাফায়েল গ্রহণ করেছে।


নৌবাহিনীর এই চুক্তির আওতায় চারটি টুইন-সিট ট্রেইনার বিমান, বহরের রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা, লজিস্টিক সহায়তা এবং স্থানীয় এমআরও চুক্তির অধীনে জনবল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই রাফায়েল ‘এম’ যুদ্ধবিমানগুলোর ডেলিভারি ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাফায়েল ‘এম’ ভ্যারিয়েন্টগুলো ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত এবং আইএনএস বিক্রমাদিত্যে মোতায়েন করা হবে।
অন্যদিকে, বিমান বাহিনীর জন্য সরবরাহকৃত ‘সি’ ভ্যারিয়েন্ট রাফালগুলো দুইটি স্কোয়াড্রনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘গোল্ডেন অ্যারোজ’ নামে পরিচিত নম্বর ১৭ স্কোয়াড্রন অবস্থান করছে আম্বালায়। আর নম্বর ১০১ স্কোয়াড্রন ‘ফ্যালকনস’, মোতায়েন রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারায়।এই রাফায়েল যুদ্ধবিমানগুলো ইতোমধ্যেই বাস্তব যুদ্ধাভিযানে অংশ নিয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসে পেহালগাম সন্ত্রাসী হামলার জবাবে ভারতের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুরে’ এগুলো ব্যবহৃত হয়। যদিও পাকিস্তানে চালানো ওই অভিযানে পাল্টা আঘাতে কয়েকটি রাফায়েল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ধ্বংস করার দাবি করে ইসলামাবাদ।

অপারেশন সিঁদুর চলাকালে মোতায়েনকৃত রাফায়েল যুদ্ধবিমানগুলো থেকে এসসিএএলপি এয়ার-লঞ্চড ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। এই ক্ষেপণাস্ত্রটি অত্যন্ত নিখুঁত ও স্টেলথ সক্ষমতার জন্য পরিচিত, যা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম। রাফায়েল যুদ্ধবিমানগুলো মিটিওর দীর্ঘপাল্লার এয়ার-টু-এয়ার মিসাইল, হ্যামার স্ট্যান্ড-অফ স্ট্রাইক অস্ত্র, উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট ‘স্পেকট্রা’ পাশাপাশি অত্যাধুনিক রাডার ও টার্গেটিং সিস্টেম বহনে সক্ষম।

এর আগে গত বছরের জুন মাসে ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিগুলো ফরাসি নির্মাতা দাসো অ্যাভিয়েশন এবং টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস লিমিটেডের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, যা ভারতীয় সামরিক বাহিনীর জন্য রাফায়েল সরবরাহের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।এই চুক্তির অংশ হিসেবে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস হায়দরাবাদে একটি অত্যাধুনিক উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করবে। সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমানের গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত অংশ তৈরি করা হবে।

সূত্র -এনডিটিভি-
সংকলনে -বাংলা খবর পত্রিকা /banglakhaborpatrika

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ