বিনোদন বাংলা:

যেসব ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের দাগ দূর করবেন

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা সিনেমা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মানবদেহের ত্বকে বিভিন্ন কারণে দাগ পড়ে। এই দাগ কিন্তু কারোই কাম্য নয়। আর ত্বকের দাগ যে কারও আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিতে পারে। আবার সৌন্দর্যের তো হানি ঘটেই। অনেকে ত্বকের দাগ দূর করার জন্য বাজার থেকে কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী কিনে আনেন। কিন্তু এইসব ব্যবহারে সাময়িক মুক্তি মিললেও পরবর্তীতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই এর বদলে ঘরোয়া উপায় বেছে নেওয়াই উত্তম। তো, চলুন জেনে নেওয়া যাক ত্বকের দাগ দূর করার ঘরোয়া কিছু উপায় বা প্যাক তৈরি ও তা ব্যবহারের নিয়ম।

#অ্যান্টি – ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ দুটি উপাদান হলো হলুদ এবং মধু। এই দুই উপাদান ত্বকের দাগ কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। স্ক্রাব তৈরি করার জন্য এক চা চামচ মধুতে ২ চিমটি হলুদ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এরপর সেই পেস্ট নিয়ে হালকা হাতে মুখে ম্যাসাজ করতে হবে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে পরিষ্কার পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। এভাবে সপ্তাহে অন্তত দুইবার ব্যবহার করলে মুখের দাগ দূর হবে। আর এতে ত্বক দ্রুতই উজ্জ্বল হবে।

#ত্বকের দাগ দূর করার ক্ষেত্রে আরেকটি কার্যকরী উপাদান হলো লেবুর রস। তবে লেবুর রস কখনও সরাসরি মুখে ব্যবহার করবেন না। এর সঙ্গে কোনো না কোনো উপাদান মিশিয়ে তারপর ব্যবহার করবেন। এক চামচ চিনির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর মিশ্রণটি এক – দেড় মিনিট মুখে স্ক্রাব করতে হবে। এতে ত্বক এক্সফোলিয়েট হয় এবং দাগ কমে আসে।

#আরও কিছু ঘরোয়া প্রতিকার রয়েছে, যা ত্বকের দাগ কমাতে কাজ করে। দাগের উপর আলুর রস ব্যবহার করতে পারেন। এতে উপকার পাবেন। কারণ আলুর রসের ব্লিচিং বৈশিষ্ট্য ত্বকের দাগ হালকা করে। আবার অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে হলুদ মিশিয়েও ব্যবহার করলেও দাগ হালকা হতে থাকে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অ্যালোভেরা ও হলুদ মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ভালো করে মুছে নিন। এতে দাগমুক্ত উজ্জ্বল ত্বক পাওয়া সহজ হবে।

#দাগ কমাতে প্রতিদিন মুখে অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ব্রাউন সুগার মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে নিতে পারেন। আপনি চাইলে বাড়িতে থাকা কফির গুঁড়া ও মধু দিয়েও পেস্ট তৈরি করে মুখে ঘষে নিতে পারেন। এটি মুখের উপরের মৃত ত্বকের কোষ দূর করে। যে কারণে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার : কণ্ঠশিল্পী জুলির বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে বিতর্কিত ঈদ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাযুক্ত শিল্পীকে দিয়ে গান পরিবেশন করানোর অভিযোগ তুলে একটি কুচক্রী মহল ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি। এসব অপপ্রচার সর্বতোভাবে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন এই শিল্পী।


বিবৃতিতে কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করা তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম এবং সামাজিকমাধ্যমে আমার ব্যাপারে ছড়নো বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিছু ব্যক্তি আমার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানীর সংবাদসহ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি উক্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, সংবেদনশীল কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় পদ-পদবীতে ছিলাম না এবং এখনো নেই। ১৭ বছর ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন আয়োজনে গান গেয়ে আসছি। কিন্তু অতীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের মানহানিকর মিথ্যাচার থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এই শিল্পী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

তিন সন্তান নিয়ে অটোরিকশার হ্যান্ডেলে ইয়াসমিন, পাশে দাঁড়ালেন ডিসি জাহিদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্বামী মো. শাহিন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে অসুস্থ। কাজ করার সামর্থ্য নেই। ঘরে তিন শিশু সন্তান। স্বামীর চিকিৎসা থেকে শুরু করে সন্তানদের ভরণপোষণ ও পড়াশোনা—সবকিছুর দায়িত্ব এসে পড়ে ইয়াসমিন আক্তারের কাঁধে।

কিন্তু অসহায় হয়ে বসে থাকেননি ইয়াসমিন। সংসারের হাল ধরতে ভাড়ায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে নিজেই নেমেছেন রাস্তায়। তিন সন্তানকে নিয়েই অটোরিকশা চালিয়ে কোনোরকমে সংসার চালাচ্ছেন। সীমিত আয়ের মধ্যেও সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে স্বামীর চিকিৎসা, সন্তানদের ভরণপোষণ ও সংসারের দৈনন্দিন ব্যয় একসঙ্গে মেটানো তাঁর পক্ষে ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় এক সাংবাদিকের মাধ্যমে ইয়াসমিনের জীবনসংগ্রামের খবর পৌঁছায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে। বুধবার জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে ইয়াসমিন নিজেই অটোরিকশা চালিয়ে হাজির হন। জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন নিজের লড়াইয়ের কথা।

ইয়াসমিনের কথা শুনে প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজের শ্রমে সংসার চালানোর চেষ্টার প্রশংসা করেন জেলা প্রশাসক। সন্তানদের পড়াশোনা কোনোভাবেই বন্ধ না করার পরামর্শ দেন তিনি। ইয়াসমিনের সংগ্রামের প্রতি সম্মান জানাতে নিজের কার্যালয় থেকে নিচে নেমে তাঁর অটোরিকশার পাশে দাঁড়িয়ে ছবিও তোলেন জেলা প্রশাসক।

তিনি ইয়াসমিনকে বলেন, ‘এত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও তুমি কারও কাছে হাত পাতোনি, কারও কাছে ছোট হওনি। তুমি নিজেই একটা অটো নিয়েছো, অটো নিয়ে পরিশ্রম করে চলছো—এটা খুবই ভালো।’

উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি ইয়াসমিনের স্বামীর চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা দেন জেলা প্রশাসক। তাঁকে চাল, ডাল, তেলসহ খাদ্যসামগ্রী ও কিছু উপহারও দেওয়া হয়। সন্তানদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখতেও উৎসাহ দেন তিনি।

সহায়তা পেয়ে ইয়াসমিন বলেন, ‘আমার তিনটা ছেলে আছে। তিনটা ছেলেকে নিয়ে খাচ্ছি। উনি আমাকে চাল দিয়েছেন, কিছু টাকা-পয়সাও দিয়েছেন।’

ইয়াসমিন একা নন

এদিন জেলা প্রশাসকের গণশুনানির টেবিলে ইয়াসমিনের মতো আরও অনেক মানুষের জীবনসংগ্রামের গল্প উঠে আসে। কেউ ক্যানসারের চিকিৎসার খরচ জোগাতে পারছেন না, কারও প্রয়োজন সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিস। কেউ প্যারালাইসিসে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন, আবার কেউ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা জয় করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছেও অর্থাভাবে উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

তাঁদের কথা শুনে প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তার ব্যবস্থা করেন জেলা প্রশাসক। এদিন অসুস্থ ও অসহায় ১০ জন এবং একজন শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। আর্থিকভাবে অসচ্ছল একজনকে দেওয়া হয় চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণ ও মসলাসহ খাদ্যসামগ্রী।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তাঁর বাবা দিনমজুর। পাঁচ সদস্যের পরিবারের খরচের পাশাপাশি ওমরের পড়াশোনা, যাতায়াত ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণের ব্যয় বহন করা পরিবারের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিকূলতা জয় করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও অর্থাভাবে পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় সহায়তার আবেদন করেন তিনি। তাঁর উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যেতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

ইফফাত জাহান ইশা দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত। সপ্তাহে তিনবার তাঁকে ডায়ালাইসিস করাতে হয়। পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপেও ভুগছেন। তাঁর বাবা আবদুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে কর্মহীন। মেয়ের নিয়মিত চিকিৎসার ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ায় তিনি সহায়তা চান।

কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত মো. নাজমুল হুদার অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে কেমোথেরাপি চলছে। পাশাপাশি মৃগীরোগের চিকিৎসাও নিচ্ছেন। দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় বিপুল অর্থ ব্যয় হওয়ায় কেমোথেরাপি চালিয়ে যাওয়া তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

রাঙ্গুনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল শুকুর দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতা ও পঙ্গুত্বজনিত সমস্যায় ভুগছেন। নিয়মিত আয়ের উৎস না থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও করাতে পারছেন না।

প্যারালাইসিসে থেমেছে উপার্জন

বাঁশখালীর মো. আবু তাহের প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। শরীরের বাঁ পাশ অবশ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা বা কাজ করতে পারেন না। উপার্জনের পথ বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসাও করাতে পারছেন না।

পটিয়ার আজিজুল হক পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন। প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হওয়ার পর কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। স্ত্রী, দুই মেয়ে ও তিন ছেলে নিয়ে তাঁর সংসার। উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবারের ভরণপোষণ ও নিজের চিকিৎসা—দুটিই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

একই এলাকার আবুল কাসেম চোখের রোগে আক্রান্ত। তাঁর অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী চিকিৎসা প্রয়োজন। অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে তিনিও সহায়তার আবেদন করেন।

পারুল বেগমের স্বামী বহু বছর ধরে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী। তাঁর এক সন্তান প্রতিবন্ধী। পারুল নিজেও কিডনি ও লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। পরিবারের ভরণপোষণ ও চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে তাঁকে ভিক্ষাবৃত্তি করতে হচ্ছে বলে আবেদনে উল্লেখ করেছেন।

মর্জিনা বেগমের স্বামীর হৃদ্‌যন্ত্রে অস্ত্রোপচার হয়েছে। চার মাস ধরে তিনি কাজ করতে পারছেন না। দুই মেয়ে ও এক ছেলের পরিবারে তিনিই ছিলেন একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবারের খাবার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

হালিশহরের রোকছানা বেগমের স্বামী মারা গেছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় আগে। এরপর থেকে ছয় সন্তানকে নিয়ে একাই সংসার চালিয়ে আসছেন। সন্তানদের ভরণপোষণ করতে না পেরে তিনিও আর্থিক সহায়তার আবেদন করেন।

শুনলেন ২১ জনের কথা

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বেলা ১১টায় শুরু হওয়া গণশুনানিতে সরাসরি ২১ জন সেবাপ্রত্যাশী অংশ নেন। চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি জমিজমা, সম্পত্তি জবরদখলসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তাঁরা জেলা প্রশাসকের কাছে তুলে ধরেন। অনলাইনে একজন প্রবাসীও যুক্ত হয়ে তাঁর অভিযোগ জানান।

অভিযোগগুলো শুনে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক। কোনো কোনো ক্ষেত্রে গৃহীত ব্যবস্থার ফলাফল সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে জানানোর নির্দেশও দেন তিনি।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘একটি আবেদন গ্রহণের পর সেটি কোথায় গেল, কী সিদ্ধান্ত হলো এবং তার ফলাফল কী—সেবাপ্রত্যাশী যেন সেটি জানতে পারেন, সেটিও আমাদের দায়িত্ব।’

সরকারি দপ্তরে জমা পড়া এসব আবেদন শেষ পর্যন্ত নথিতে পরিণত হয়। সেখানে থাকে আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা আর সাহায্য চাওয়ার কারণ। কিন্তু বুধবারের গণশুনানিতে কাগজের আড়াল থেকে সামনে এসেছে একেকটি জীবনের গল্প—ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই, সপ্তাহে তিনবার ডায়ালাইসিসের ব্যয়, প্যারালাইসিসে থেমে যাওয়া উপার্জন কিংবা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা জয় করে বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকে থাকার চেষ্টা।

তবে তাঁদের মধ্যে ইয়াসমিনের গল্পটি কিছুটা আলাদা। স্বামী দুর্ঘটনায় অসুস্থ, ঘরে তিন শিশু সন্তান, সংসারে অভাব—তারপরও তিনি থেমে যাননি। অটোরিকশার হ্যান্ডেল ধরে নিজের শ্রমে পরিবারকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

সেই সংগ্রামের কথা শুনে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা প্রশাসক—স্বামীর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন, দিয়েছেন খাদ্যসামগ্রী ও উপহার। আর ইয়াসমিনকে সাহস জুগিয়েছেন, যেন জীবনের লড়াইয়ের মধ্যেও তাঁর তিন সন্তানের পড়াশোনা থেমে না যায়।

বুধবারের গণশুনানিতে তাই শুধু আবেদন ও অভিযোগের শুনানি হয়নি; কাগজের আড়ালে থাকা মানুষগুলোর সংকটের কথা শুনে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টাও ছিল।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ