আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

গাজীপুরে টঙ্গীতে আবাসিক হোটেলে মিলল নির্মাণ শ্রমিকের মরদেহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর রেলওয়ে স্টেশন এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে ০৯ জুলাই বিকেল পৌঁনে চারটার দিকে এক নির্মাণ শ্রমিকের
রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানার পুলিশ। টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।হোটেলটির রেজিস্টার খাতা অনুযায়ী মৃত ওই নির্মাণ শ্রমিকের নাম হাফেজ (৪৫)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার মোকসেদপুর থানার বনগ্রাম এলাকার হান্নান মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে ওই আবাসিক হোটেলটির একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকতেন হাফেজ। হোটেল ভাড়া নেওয়ার সময় নিজেকে নির্মাণ শ্রমিক পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। ০৮ জুলাই সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হাফেজ হোটেলে তার ভাড়া নেওয়া কক্ষে আসেন।

০৯ জুলাই দুপুরে হোটেল কর্তৃপক্ষ তাকে ডাকতে যান। এ সময় তার সাড়া না পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ হোটেলের ওই কক্ষ থেকে উলঙ্গ অবস্থায় হাফেজের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।

হোটেলের ম্যানেজার মুরাদ হোসেন বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরে নিজেকে রাজমিস্ত্রী পরিচয় দিয়ে হোটেলটির একটি কক্ষ ভাড়া নেন হাফেজ।
০৮ জুলাই রাতে তিনি হোটেলে আসেন। আজ কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় তাকে ডাকা হয়। ডাকা কালে তার কোনো সাড়া না পেয়ে পরে পুলিশে খবর পাঠাই।’

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আবাসিক হোটেল ও তার আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। হাফিজের পরিচয় শনাক্তে করনে সিআইডির একটি দল ঘটনাস্থলে এসেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ