চট্টগ্রাম জেলা:

ফটিকছড়ি বখতপুরের ক্যান্সার আক্রান্ত এক শিক্ষকের মেয়ের বাঁচার আকুতি

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

ফটিকছড়ি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছোট্ট ইনায়াতের জন্য বাঁচতে চান ক্যানসারে আক্রান্ত মা নুসরাত জাহান। ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর নাম নুসরাত জাহান, বয়স ৩১,  পিতা : মরহুম আবুল কামাল (মাস্টার), মাতা : মরহুম খুরশিদা বেগম। বখতপুর ,শান্তিরহাট, ওয়ার্ড নং : ০৩, থানা : ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম পিতা ছিলেন একজন শিক্ষক। কালাম মাস্টার নামে পরিচিত। নুসরাত জাহান তারই মেয়ে। নুসরাতের কোল জুড়ে আছে একটি ফুটফুটে সন্তান। ২২ মাস বয়সী সন্তানের নাম ইনায়েত হাসান। বাবা মা সখ করে বাবার নামের সাথে মিল রেখে নাম রেখেছে ইনায়েত হাসান। ইনায়েতের বাবার নাম রাকিব হাসান। বাবা রাকিব হাসান আজ বড়ই অসহায়। জীবনের অর্ধাঙ্গিনী চোখের সামনে আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছে এক গভীর অনিশ্চয়তার দিকে। চোখে মুখে অন্ধকার দেখতেছেন নুসরাতের স্বামী রাকিব। গভীর ভালবাসার মানুষ আস্তে আস্তে জীবনের বাঁধন করে ফেলতেছে একটু একটু আলগা। চোখের সামনে এক পা করে করে চলে যাচ্ছে তাকে একা করার পথে। নুসরাতের স্বামী রাকিব হাসান জানান, ১১ মাস আগে ডেঙ্গু জ্বর সন্দেহে রক্ত পরীক্ষা করান নুসরাত জাহানকে। সে সময় অন্যান্য পরীক্ষায় তাঁর শরীরে ধরা পরে ব্লাড ক্যানসার। এর পর থেকেই তাঁর চিকিৎসায় সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছেন স্বামী মোহাম্মদ রকিব হাসান। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। পরিবার নিয়ে থাকেন চট্টগ্রাম শহরে। রকিব হাসান বলেন, এখন পর্যন্ত সবটুকু সম্বল দিয়ে স্ত্রীর চিকিৎসা চালিয়েছেন তিনি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নুসরাত কে  সুস্থ হতে বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন (বিএমটি) বা স্টেম সেল প্রতিস্থাপন করতে হবে, যার আনুমানিক খরচ ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। এই চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থায় স্ত্রীকে সুস্থ করার জন্য সবার কাছে সাহায্যের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, ক্যান্সার আক্রান্ত নুসরাত বলেন আমার বাপের বাড়ি ফটিকছড়ি। আমার জন্ম ফটিকছড়ি। আমি জানি আমার ফটিকছড়ির  মানুষ খুব মানবিক। মানবিক কাজ করে ফটিকছড়ির অনেক অসুস্থ মানুষ সুস্থতার পথে ফিরে এনেছেন আল্লাহর দয়ায়। আমি আমার ফটিকছড়ির সকল স্তররের মানবিক সংগঠন, মানবিক টিম, মানবিক হৃদয়ের মানুষ সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি। আমি আমার জন্য না, আমি বাঁচতে চাই আমার কলিজার টুকরা ইনায়াত এর জন্য তার বাবার জন্য।  আমি তাদের অনেক ভালবাসি। দয়া করে আমার স্বামী সন্তানের কাছে থাকতে দেন।

আমার সন্তানের জন্য আমাকে বাঁচান।  নুসরাতের এই আকুতি শুনে হৃদয় টা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। আসলেই পৃথিবীর বড়ই নিষ্ঠুরতম। তা নাহলে কেন বাই এমন হয় নুসরাতদের সাথে।
মাকে দেখলেই চোখে-মুখে উচ্ছ্বাস ভেসে ওঠে ২২ মাস বয়সী শিশু ইনায়াত হাসানের। মা দেখলেই বাবার কোল  থেকে ঝাঁপ দিয়ে পড়তে চায় মায়ের কোলে কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে ছেলেকে খুব বেশি কাছে পাওয়া হয় না নুসরাতের। প্রায় সময় পরে থাকতে হয় হাসপাতালের বিছানায়। মা কেন হাসপাতালের শয্যায়, সেটি বোঝারও বয়স  এখনো হয়নি ইনায়াতের।
ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত গৃহবধূ নুসরাত জাহান (৩১)। এর মধ্যে সন্তানের চেহারা দেখেই কিছুটা ভালো থাকার চেষ্টা করলেও যখন মনে পরে তার চিকিৎসার জন্য তো অনেক টাকার প্রয়োজন তখন বাঁচার স্বপ্ন হারিয়ে পেলে। এই ছোট্ট ইনায়াতের জন্য বাঁচতে চান নুসরাত। আসুননা আমরা সবাই আমাদের এক দিনের নাস্তার খরচটা নুসরাতের চিকিৎসার জন্য তার স্বামীর হাতে তুলে দি। তার স্বামী বলেন, মাসুদ ভাই আজ আমি অসহায়। ভাই আমার স্ত্রীর জন্য একটু সাহায্যের বাড়াতে বলেন সবাইকে।  আমি দুনিয়ার কিছু চাইনা শুধু আমার স্ত্রী কে চাই। কেন আমি তাকে এত ভালবাসলাম, কেন এত কাছে টেনে নিলাম। কেনই বা আমাকে ছেড়ে চলে যেতে চাচ্ছে। আমার স্ত্রীর জন্য আপনারা এগিয়ে আসুন। আমি আপনাদের একজন অসহায় ভাই , এক অসহায় বোনের জন্য সাহায্য চাচ্ছি। নুসরাত কে সাহায্যের জন্য বা যোগাযোগের জন্য
*যোগাযোগের ঠিকানা :*
নাম : মোহাম্মদ রকিব হাসান
ঠিকানা : গরিব উল্লাহ হাউসিং সোসাইটি, চট্টগ্রাম
বিকাশ/নগদ : *+8801911952486*
[email protected]
Bank Name: Dutch Bangla bank Limited
Branch: 129-O. R. Nizam Road Branch, Chattogram, Bangladesh
Account Name: Mohammad Rokib Hasan
Account No: 1291510002627
Routing No: 090151480
সাহায্য পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করা যাবে রকিব হাসানের মুঠোফোন (০১৯১১৯৫২৪৮৬) নম্বরে। একই নম্বরে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে পাঠানো যাবে সাহায্য। এ ছাড়া ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক ও আর নিজাম রোড শাখার হিসাব (১২৯১৫১০০০২৬২৭) নম্বরেও পাঠানো যাবে আর্থিক সহায়তা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. সফি উল্যাহ চৌধুরী (৭০) নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূর নবী (৬০)। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূর নবী ও তার ভাই-বোনেরা পৈত্রিক সূত্রে ১৩ নম্বর চরপার্বতী মৌজার সিএস ৯৯১ নম্বর খতিয়ানের ১২০৮ নম্বর দাগে নকশা অনুযায়ী ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির মধ্যে পাঁচ শতাংশের মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকায় ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সফি উল্যাহ চৌধুরী অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জমিতে থাকা দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পরে সেখানে মাটি ভরাট করে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এতে নূর নবী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণের কাজে বাধা দিলে মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ ও শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী।

নূর নবী বলেন, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বসতবাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানোর পর তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে সফি উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘সেটি প্রমাণের জন্য আমি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওসির কাছে উপস্থাপন করব।’
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন অনেক অভিযোগ জমা পড়ে। লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের যোগসাশসে ইটভাটার জন্য প্রবাসীর জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটার জন্য এক দুবাই প্রবাসীর বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদীয়া ব্রিকফিল্ডের মালিক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শ্যালককে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানার তিন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধেও ইটভাটার মালিকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জমি বন্ধক দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিলকায়েছ আরা বেগম ও শ্যালক নূর হোসেন মানিক।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা বসতভিটার জমিতে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে চান জাকির হোসেন। এ জন্য জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করছেন তিনি। জমি বিক্রি কিংবা তার কাছে বন্ধক না দিলে পরিবারটিকে এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

পরিবারটির দাবি, গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম থানায় মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।

তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে এসআই নজরুল প্রবাসীর স্ত্রী ও তার বড় ভাইকে থানায় ডেকে নেন। সেখানে জাকিরের কাছে জমিটি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তারা তাতে রাজি হননি। এর চার দিন পর, ১৬ অক্টোবর স্বামীর কেনা জমিতে ২১ ফুট বাই ১৬ ফুট আয়তনের টিন ও কাঠ দিয়ে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন বিলকায়েছ আরা বেগম। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। একই সঙ্গে জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। অন্যথায় তাদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরিবারটির ভাষ্য, পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন দোচালা ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে গত ২৬ অক্টোবর দুবাই দূতাবাসের মাধ্যমে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল গোফরান। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে জাকিরের লোকজন আবারও ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেঙে ফেলা ঘর ও সীমানাপ্রাচীরের কাঠ ও টিন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পরিবারটির আরও অভিযোগ, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি ও বিধিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘মোহাম্মদীয়া’ নামের ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে শ্রমিক পরিচয়ে লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইটভাটার মালিক জাকির হোসেন বলেন, ইটভাটার ভেতরে প্রবাসীর ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর আমার মাটির স্তূপ রয়েছে। আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন। এরপর তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর এসআই সুমন ও আনোয়ারও সেখানে যান। উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযোগকারী পক্ষ সেখানে ঘর নির্মাণ করতে গেলে ইটভাটার লোকজন বাধা দেন। পরে প্রবাসীর পরিবারসহ দুই পক্ষ বিষয়টি বর্তমান ওসিকে অবহিত করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানানো হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ