আজঃ বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলা:

ফটিকছড়ি বখতপুরের ক্যান্সার আক্রান্ত এক শিক্ষকের মেয়ের বাঁচার আকুতি

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

ফটিকছড়ি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ছোট্ট ইনায়াতের জন্য বাঁচতে চান ক্যানসারে আক্রান্ত মা নুসরাত জাহান। ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর নাম নুসরাত জাহান, বয়স ৩১,  পিতা : মরহুম আবুল কামাল (মাস্টার), মাতা : মরহুম খুরশিদা বেগম। বখতপুর ,শান্তিরহাট, ওয়ার্ড নং : ০৩, থানা : ফটিকছড়ি,চট্টগ্রাম পিতা ছিলেন একজন শিক্ষক। কালাম মাস্টার নামে পরিচিত। নুসরাত জাহান তারই মেয়ে। নুসরাতের কোল জুড়ে আছে একটি ফুটফুটে সন্তান। ২২ মাস বয়সী সন্তানের নাম ইনায়েত হাসান। বাবা মা সখ করে বাবার নামের সাথে মিল রেখে নাম রেখেছে ইনায়েত হাসান। ইনায়েতের বাবার নাম রাকিব হাসান। বাবা রাকিব হাসান আজ বড়ই অসহায়। জীবনের অর্ধাঙ্গিনী চোখের সামনে আস্তে আস্তে চলে যাচ্ছে এক গভীর অনিশ্চয়তার দিকে। চোখে মুখে অন্ধকার দেখতেছেন নুসরাতের স্বামী রাকিব। গভীর ভালবাসার মানুষ আস্তে আস্তে জীবনের বাঁধন করে ফেলতেছে একটু একটু আলগা। চোখের সামনে এক পা করে করে চলে যাচ্ছে তাকে একা করার পথে। নুসরাতের স্বামী রাকিব হাসান জানান, ১১ মাস আগে ডেঙ্গু জ্বর সন্দেহে রক্ত পরীক্ষা করান নুসরাত জাহানকে। সে সময় অন্যান্য পরীক্ষায় তাঁর শরীরে ধরা পরে ব্লাড ক্যানসার। এর পর থেকেই তাঁর চিকিৎসায় সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছেন স্বামী মোহাম্মদ রকিব হাসান। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। পরিবার নিয়ে থাকেন চট্টগ্রাম শহরে। রকিব হাসান বলেন, এখন পর্যন্ত সবটুকু সম্বল দিয়ে স্ত্রীর চিকিৎসা চালিয়েছেন তিনি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, নুসরাত কে  সুস্থ হতে বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন (বিএমটি) বা স্টেম সেল প্রতিস্থাপন করতে হবে, যার আনুমানিক খরচ ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা। এই চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ অবস্থায় স্ত্রীকে সুস্থ করার জন্য সবার কাছে সাহায্যের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, ক্যান্সার আক্রান্ত নুসরাত বলেন আমার বাপের বাড়ি ফটিকছড়ি। আমার জন্ম ফটিকছড়ি। আমি জানি আমার ফটিকছড়ির  মানুষ খুব মানবিক। মানবিক কাজ করে ফটিকছড়ির অনেক অসুস্থ মানুষ সুস্থতার পথে ফিরে এনেছেন আল্লাহর দয়ায়। আমি আমার ফটিকছড়ির সকল স্তররের মানবিক সংগঠন, মানবিক টিম, মানবিক হৃদয়ের মানুষ সকলের কাছে সাহায্যের আবেদন করছি। আমি আমার জন্য না, আমি বাঁচতে চাই আমার কলিজার টুকরা ইনায়াত এর জন্য তার বাবার জন্য।  আমি তাদের অনেক ভালবাসি। দয়া করে আমার স্বামী সন্তানের কাছে থাকতে দেন।

আমার সন্তানের জন্য আমাকে বাঁচান।  নুসরাতের এই আকুতি শুনে হৃদয় টা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। আসলেই পৃথিবীর বড়ই নিষ্ঠুরতম। তা নাহলে কেন বাই এমন হয় নুসরাতদের সাথে।
মাকে দেখলেই চোখে-মুখে উচ্ছ্বাস ভেসে ওঠে ২২ মাস বয়সী শিশু ইনায়াত হাসানের। মা দেখলেই বাবার কোল  থেকে ঝাঁপ দিয়ে পড়তে চায় মায়ের কোলে কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে ছেলেকে খুব বেশি কাছে পাওয়া হয় না নুসরাতের। প্রায় সময় পরে থাকতে হয় হাসপাতালের বিছানায়। মা কেন হাসপাতালের শয্যায়, সেটি বোঝারও বয়স  এখনো হয়নি ইনায়াতের।
ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত গৃহবধূ নুসরাত জাহান (৩১)। এর মধ্যে সন্তানের চেহারা দেখেই কিছুটা ভালো থাকার চেষ্টা করলেও যখন মনে পরে তার চিকিৎসার জন্য তো অনেক টাকার প্রয়োজন তখন বাঁচার স্বপ্ন হারিয়ে পেলে। এই ছোট্ট ইনায়াতের জন্য বাঁচতে চান নুসরাত। আসুননা আমরা সবাই আমাদের এক দিনের নাস্তার খরচটা নুসরাতের চিকিৎসার জন্য তার স্বামীর হাতে তুলে দি। তার স্বামী বলেন, মাসুদ ভাই আজ আমি অসহায়। ভাই আমার স্ত্রীর জন্য একটু সাহায্যের বাড়াতে বলেন সবাইকে।  আমি দুনিয়ার কিছু চাইনা শুধু আমার স্ত্রী কে চাই। কেন আমি তাকে এত ভালবাসলাম, কেন এত কাছে টেনে নিলাম। কেনই বা আমাকে ছেড়ে চলে যেতে চাচ্ছে। আমার স্ত্রীর জন্য আপনারা এগিয়ে আসুন। আমি আপনাদের একজন অসহায় ভাই , এক অসহায় বোনের জন্য সাহায্য চাচ্ছি। নুসরাত কে সাহায্যের জন্য বা যোগাযোগের জন্য
*যোগাযোগের ঠিকানা :*
নাম : মোহাম্মদ রকিব হাসান
ঠিকানা : গরিব উল্লাহ হাউসিং সোসাইটি, চট্টগ্রাম
বিকাশ/নগদ : *+8801911952486*
[email protected]
Bank Name: Dutch Bangla bank Limited
Branch: 129-O. R. Nizam Road Branch, Chattogram, Bangladesh
Account Name: Mohammad Rokib Hasan
Account No: 1291510002627
Routing No: 090151480
সাহায্য পাঠানোর জন্য যোগাযোগ করা যাবে রকিব হাসানের মুঠোফোন (০১৯১১৯৫২৪৮৬) নম্বরে। একই নম্বরে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে পাঠানো যাবে সাহায্য। এ ছাড়া ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক ও আর নিজাম রোড শাখার হিসাব (১২৯১৫১০০০২৬২৭) নম্বরেও পাঠানো যাবে আর্থিক সহায়তা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতবিনিময়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের সদস্যরা।মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি দুপুরে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের দুই সদস্য অংশ নেন।

মতবিনিময়কালে চট্টগ্রামের মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক পরিবেশ, ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের প্রস্তুতি, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং সামগ্রিক নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।মতবিনিময়ে উভয় পক্ষ নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনছুর, প্রচার ও প্রকাশ সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল এবং প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ আজাদ।

মহাসমাবেশ ২৫ জানুয়ারী ২১ বছর পর চট্টগ্রামে আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা। সমাবেশের প্রস্তুতির জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নগরীর মেহেদিবাগের বাসভবনে যৌথসভা আহ্বান করেছেন।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সভায় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।

নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন। প্রোগ্রামটা যদিও এখনো ফাইনালি সাজানো হয়নি। উনি কি বিমানে আসবেন না-কি সড়কপথে আসবেন, সেটা এখনো ফাইনাল হয়নি। তবে উনি ২৪ তারিখ রাতে চট্টগ্রামে অবস্থান করবেন, এটা ফাইনাল হয়েছে এবং ২৫ জানুয়ারি উনি সমাবেশ করবেন ইনশল্লাহ।

নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মঞ্চ স্থাপনের প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে। পলোগ্রাউন্ড ময়দানে গিয়ে মাঠের সার্বিক অবস্থা, মঞ্চ স্থাপন, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত বিষয় খতিয়ে দেখেন। একইসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা আসলে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এবং আনন্দিত। আমি যখন ২০১২ সালে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, আমরা একটা ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ এখানে (পলোগ্রাউন্ড) করেছিলাম। এটাই ছিল আক্ষরিক অর্থে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশ। এরপর আর সমাবেশ হয়নি। উনি ২০১৭ সালে আরেকবার এসেছিলেন, সেটা ছিল পথসভা, উনি সরাসরি রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়েছিলেন এবং দেখে চলে এসেছিলেন। পথে পথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ দেশনেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

এর আগে, আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, উনি চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশটা করেছিলেন লালদিঘীর ময়দানে ২০০৫ সালে মেয়র নির্বাচন উপলক্ষ্যে। ২১ বছর পার হয়ে গেছে। ২১ বছর পর উনি চট্টগ্রামে আসছেন। এখন চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক উন্মাদনা। এখানে শুধু আমাদের দলীয় নেতাকর্মী নয়, চট্টগ্রামের মানুষ উনাকে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। চট্টগ্রামবাসী উনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর উনি যখন ফিরলেন, তখন কিন্তু দেশের মানুষ বার্তা দিয়েছে যে উনাকে তারা কতটা ভালোবাসে। সেভাবে চট্টগ্রামের মানুষও একটা বার্তা উনাকে দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস। চট্টগ্রামবাসীও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন উনি কী বার্তা নিয়ে আসবেন। আমরা আশা করি জনসমাবেশটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

সমাবেশের সময় আমাদের ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বলা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে ১০টায় টাইম দেওয়া হচ্ছে, বাট সকাল থেকেই সবাই চলে আসবে। উনি হয়তো সমাবেশস্থলে আসতে সকাল ১১টা নাগাদ হতে পারে। আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, শুধু নেতাকর্মীদের নয়, আমি চট্টগ্রামবাসীকে আহ্বান জানাই, অত্যন্ত আনন্দমুখর পরিবেশে ফেস্টিভ মুডে উনাকে বরণ করে নেবেন। চট্টগ্রামকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে, দেশকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে অবশ্যই সেগুলো উনি বলবেন, একটা সুন্দর বার্তা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দেবেন।

আলোচিত খবর

গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Oplus_131072

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গণভবনে তৈরি করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

Oplus_131072

রাজনৈতিক দলের নেতা ও সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন তিনি।


রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা ও সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ছবি: পিআইডি

আরও পড়ুন

সর্বশেষ