বাংলা চলচ্চিত্র:

রাফি কি তমা মির্জাকে আসলেই বিয়ে করেছেন

বিনোদন ডেস্ক:

বাংলা সিনেমা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আলোচিত-সমালোচিত নির্মাতা রায়হান রাফি এবং দ্বিতীয় সারির চিত্রনায়িকা তমা মির্জাকে প্রেম – বিয়ের গুঞ্জন দীর্ঘদিনের। বর্তমানে নতুন গুঞ্জন শুরু হয়েছে যে, তারা গোপনে বিয়ে করেছেন। এমনকী একসঙ্গে সংসারও নাকি করছেন। রাফি এবং তমা’র একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্রে থেকেই নাকি তাদের এই গোপন বিয়ের খবর গুঞ্জরিত হচ্ছে। ইতিপূর্বে ব্যক্তিগত জীবনে চিত্রনায়িকা তমা মির্জা’র সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন জনপ্রিয় এই নির্মাতা – এমন সংবাদ গণমাধ্যমেও এসেছে। যদিও নিজেদের সম্পর্কের কথা কখনো স্বীকার করেননি এই যুগল। তারপরও একটি সূত্রে শোনা যাচ্ছে, চলতি বছরে তারা নাকি গোপনে বিয়ে করেছেন। আবার আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, তারা শীঘ্রি বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জানা গেছে, নিজের পরিচালিত ‘তুফান’ ছবিটির আলোচনা – সমালোচনা এবং কলকাতায় ব্যর্থ হওয়া নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন রায়হান রাফি। সেই আলাপচারিতার পর্যায়ে উঠে আসে তমা ও রাফি’র প্রেম – বিয়ের প্রসঙ্গ। সেখানে রাফি’র কাছে জানতে চাওয়া হয়, আপনি নাকি তমা মির্জাকে বিয়ে করছেন ? এমন প্রশ্নের উত্তরে রায়হান রাফি বলেন, এখনও বিয়ের কোনো পরিকল্পনা নেই। আরও কয়েকটা হিট সিনেমা পরিচালনা করি। তারপর বিয়ে নিয়ে ভাবা যাবে।

এদিকে, গেলো কয়েক বছর ধরেই প্রেম – বিয়ের গুঞ্জন চলছে পরিচালক রায়হান রাফি ও চিত্রনায়িকা তমা মির্জা’র। এই গুঞ্জন নিয়ে কেউই সরাসরি মুখ না খুললেও কেউ বলছেন ‘উই আর জাস্ট ফ্রেন্ড’ এর চেয়ে একটু বেশি, অন্যজন বলছেন, একই বয়সের হওয়ায় বন্ধুত্ব জমে উঠেছে। আবার তাদের ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে তারা গোপন বিয়ে করে একসঙ্গেই নাকি বসবাস করছেন। আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, এরা বিয়ে নাকি বিয়ে না করলেও লিভ টুগেদার করছেন। এমনকী একান্তে সময় কাটাতে তারা একসঙ্গে দেশে – বিদেশে ঘুরে বেড়ান। সেই অন্তরঙ্গ সময় কাটানোর ছবি তাদের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে শেয়ারও করেন তারা।

জানা যায়, রায়হান রাফি’র পরিচালনায় প্রথমবার তমা মির্জা অভিনয় করেন ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’ ওয়েব ফিল্ম। পরে আবার তাদের দেখা যায়, ‘৭ নম্বর ফ্লোর’, ‘সুড়ঙ্গ’ ছবিতে। শোনা যায়, সম্পর্কের জেরেই তমাকে নাকি শাকিব খানের বিপরীতে তুফান ছবিতে নায়িকা বানাতে চেয়েছিলেন রাফি। কিন্তু শাকিব এবং নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তমাকে নায়িকা নিতে আগ্রহী না হওয়ায় মিমিকে নেওয়া হয়। এটা নিয়ে নাকি রাফি ও তমা’র মধ্যে মনোমালিন্যের তৈরি হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার : কণ্ঠশিল্পী জুলির বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালিতে বিতর্কিত ঈদ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাযুক্ত শিল্পীকে দিয়ে গান পরিবেশন করানোর অভিযোগ তুলে একটি কুচক্রী মহল ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি। এসব অপপ্রচার সর্বতোভাবে ‘মিথ্যা’ দাবি করে তিনি বিবৃতি দিয়েছেন। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করেন এই শিল্পী।


বিবৃতিতে কণ্ঠশিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করা তাঁর পেশাগত দায়িত্বের অংশ, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে তাঁর সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম এবং সামাজিকমাধ্যমে আমার ব্যাপারে ছড়নো বিভ্রান্তমূলক ও মিথ্যা তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কিছু ব্যক্তি আমার সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, মানহানীর সংবাদসহ নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মানহানিকর। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে আমার সম্মান ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছে। আমি উক্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংবাদমাধ্যমের কাছে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে শিল্পী জুলেখা আক্তার জুলি বলেন, সংবেদনশীল কোনো সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় পদ-পদবীতে ছিলাম না এবং এখনো নেই। ১৭ বছর ধরে পেশাদার শিল্পী হিসেবে বিভিন্ন আয়োজনে গান গেয়ে আসছি। কিন্তু অতীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় ধারণ করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ধরনের মানহানিকর মিথ্যাচার থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে এই শিল্পী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে মানহানি ও অপপ্রচারের ঘটনায় প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

ইতালির ভেনিস শহরে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তায় প্রতিক্রিয়া জানান মডেল পিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইতালির ভেনিস শহরে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।বিনোদন অঙ্গনে এনিয়ে প্রতিবাদ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশের বাইরে ঘটে যাওয়া এ ধরনের ঘটনা এবং নারী ও শিল্পীদের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান নিষ্ঠুরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মডেল, অভিনেত্রী ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল।

মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের উদ্বেগ ও হতাশার কথা জানান তিনি। সরাসরি বাঁধনের নাম উল্লেখ না করে পিয়া জান্নাতুল লেখেন, ‘মানুষ দিন দিন এতটা নিষ্ঠুর আর সংবেদনহীন হয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে নারী আর শিল্পীদের প্রতি, যেটা সত্যিই ভাবায়।

তিনি আরো লেখেন, ‘দেশের বাইরে থাকলেই যে মানুষের চিন্তাভাবনা বদলে যায় বা মনটা আরও খোলামেলা হয়ে যায়, আসলে তা নয়। আমার কাছে আসল উন্নতি বোঝা যায় একজন মানুষ অন্যকে কতটা সম্মান করে, কতটা বুঝতে পারে আর কতটা মানবিক থাকতে পারে, সেখানেই। দুঃখের বিষয়, এই জায়গাগুলোতেই আমরা যেন ধীরে ধীরে পিছিয়ে যাচ্ছি।

গত সোমবার রাতে ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় আজমেরী হক বাঁধনকে‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে
হামলা করেন।এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ভাই ও শিশু সন্তান। পরে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ‘ভেনিস ছাত্রলীগ’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ পরিচয় দিয়ে অভিনেত্রীকে এরপর তাকে গালিগালাজ ও হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি এসে বাঁধন জানান, পার্কের মধ্যে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তার গায়ে কোমল পানীয় ও পানি ছুড়ে মারা হয় এবং মারধরের সময় তার মুঠোফোন ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার প্রতিবাদ জানান অভিনেত্রী। পরে এ ঘটনায় স্থানীয় ভেনিস থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানা গেছে।২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন আজমেরী হক বাঁধন

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ