আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

রাজশাহী:

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে এসিড মারার হুমকি

সাইফুল ইসলাম বাগমারা রাজশাহী:

বাগমারা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ১০ম শ্রেণির ছাত্রীকে এসিড মারার হুমকি দিলেন বকাটে প্রেমিক, রাজশাহী বাগমারার দামনাশ বাজারের এক ফিড ব্যবসায়ী বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে ছাত্রীর পরিবার।

বেলাল অ্যাসিড ছুড়ে মেরে ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর মুখমন্ডল ঝলসে দেওয়ার হুমকি দেন বলে জানা যায়। এই ঘটনায় ওই ছাত্রীর নিরাপত্তা ও প্রতিকার চেয়ে তার বাবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই বখাটে ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারের জন্য থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

জানা গেছে, গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের দামনাশ পারদামনাশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেণীর এক মেধী ছাত্রীকে স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় দামনাশ বাজারের নারিশ পোল্ট্রি ফিড ডিলার বেলাল হোসেন প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে প্রায়ই উত্যাক্ত করে আসছিল। বেলাল হোসেন নওগাঁর মান্দা উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। সে ব্যবসা করার নামে দামনাশ বাজারে এসে প্রায় ছয় মাস ধরে ওই ছাত্রীকে অপহরণের এবং অ্যাসিড ছুড়ে মেরে মুখমন্ডল ঝলসে দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে উত্যাক্ত করে আসছিল। এতে ওই ছাত্রীর লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায়। এইসব ঘটনায় এর আগেও থানায় জিডি করাসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। এর প্রেক্ষিতে ওই বখাটে ব্যবসায়ী বেলাল হোসেনকে দুই মাসের মধ্যে অন্যত্র বিয়ে করতে হবে, দিনের বেলায় দোকানে আসতে পারবে না এবং ওই ছাত্রীর চোখের আড়ালে থাকতে হবে মর্মে মুসলেকা দিয়ে সে রক্ষা পায়। এরপর ওই ছাত্রী আবার স্কুলে আসা-যাওয়া শুরু করে। কিন্তু মাত্র একমাস যেতে না যেতেই বুধবার সকালে দামনাশ কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নানের লিচু বাগানের পাশ দিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় বখাটে ফিড ব্যবসায়ী বেলাল হোসেন ওই ছাত্রীর দুই হাত চেপে ধরে বোতল থেকে অ্যাসিড ছুড়ে মারার চেষ্টা করে। এ সময় ওই ছাত্রীর চিৎকারে গোবিন্দপাড়া ইউপির সাবেক সদস্য মকলেছুর রহমান ও স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানাসহ আশে-পাশের লোকজন এগিয়ে এলে অ্যাসিডের আক্রমন থেকে ওই ছাত্রী রক্ষা পায়। এ সময় ওই বখাটে বেলাল হোসেন পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা নিলুফা ইসাসমিন বলেন, ওই ছাত্রী অত্যন্ত মেধাবি। সে বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রী। তার রোল নম্বর ১। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই সে আর স্কুলে আসছে না।

এদিকে ভূক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা জানান, নিরাপত্তার অভাবে মেয়েকে এখন আর স্কুলে পাঠাতে পারছেন না। প্রশাসন যদি তার মেয়ের নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করে এবং ওই বখাটের বিরুদ্ধে যদি কোনো ব্যবস্থা না নেয় তাহলে তার মেয়ের লেখাপড়া হয়তো এখান থেকে শেষ হয়ে যাবে।

এ বিষয়ে থানার ওসি অরবিন্দ সরকার বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং ওই বখাটেকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ জন্য হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরুমপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মিজান (৫৩) ও সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন (৩৮)।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, র‌্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৫ জানুয়ারি নগরের খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১৬ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ২৬ জানুয়ারি ভোরে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় পৃথক অভিযানে সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব-৭ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজন র‌্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

কসাইকে ‘খুনের পর টুকরো লাশ ছড়িয়ে দেয়া প্রেমিকা’ গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ এলাকায় পরকীয়া প্রেমের জেরে এক কসাইকে হত্যার পর তার লাশ টুকরো করে তার প্রেমিকা বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিনভর নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন শহীদনগর ও লোহারপুল এলাকার খাল ও বিভিন্ন স্থান থেকে খুন হওয়া আনিসের লাশের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, নিহত মো. আনিছের (৩৮) সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকা সুফিয়া আক্তার (৩৯) নামে এক নারীর পরিকল্পনায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী আনিছকে অভিযুক্ত নারী বাসায় ডেকে নিয়ে সহযোগীদের সহায়তায় পাথরের শীল ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। পরবর্তীতে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারী সুফিয়া আক্তারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিহত আনিছ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চিকদাইর এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি সুফিয়া আক্তার নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন পাঠানপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জানুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার শহীদনগর চারতলার মোড় এলাকায় একটি কালো পলিথিনে মোড়ানো মানবদেহের দুটি কাটা হাত পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার পরপরই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও মরদেহের অবশিষ্ট অংশ উদ্ধারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে উদ্ধারকৃত জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্রে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানান, আনিছ গত ২০ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষে পুলিশ অভিযান শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় রাত আনুমানিক চারটার দিকে শহীদনগর এলাকা থেকে সুফিয়া আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।
চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ উত্তর জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সুফিয়া আক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, নিহত আনিছের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল।

পরবর্তীতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ ও মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তিনি আনিছকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি বিকেলে আনিছকে পাঠানপাড়ার বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পাথরের শীল দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়।

পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ টুকরা টুকরা করে কালো পলিথিনে ভরে আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে শহীদনগর ও শীতলকর্ণা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহের খণ্ডিত বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করা হচ্ছে।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ