আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ:

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ ওসি মেহেদী হাসান

বদিউজ্জামান রাজাবাবু চাপাইনবয়াবগঞ্জ :

চাকরির খবর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মেহেদী হাসান

যোগদানের ১ মাসের মাথায় সন্ত্রাস ও মাদক সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন।

রবিবার (১৫ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে “মাসিক কল্যান সভা” ও মাসিক অপরাধ সভায়” জেলার শ্রেষ্ঠ (ওসি) হিসেবে মো: মেহেদী হাসান’কে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন জেলা পুলিশ সুপার ছাইদুল হাসান (বিপিএম- পিপিএম)।

উক্ত জেলা পুলিশের সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম সাহিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুরুজ্জামান সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নবাবগঞ্জ সদর সার্কেল জাহাঙ্গীর আলম সহ জেলার বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ ও পুলিশের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ওসি মেহেদী হাসান গত জুন মাসের ১৩ তারিখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি রাজশাহী’র শাহ মুখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর মডেল থানায় যোগদানের পর ১ মাসের মাথায় জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা পেলেন।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মেহেদী হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় এ সম্মাননা। জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি সম্মাননা

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নবাবগঞ্জ সদর সার্কেল জাহাঙ্গীর আলম মহোদয় সহ সহকর্মীদের অবদান। সদর মডেল থানা পুলিশের পুরো টিমের অর্জন। সদর উপজেলা ও জেলা বাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাতছাড়া হচ্ছে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের ৪১ একর ভূমি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ রেলওেয়ে পূর্বঞ্চলের ৪১ একর ভূমি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগরের ফৌজদার হাট স্টীল মিল রেল লাইনের উপর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণের কাজ চলমান থাকায় বিশাল এই ভূমি রেল কর্তৃপক্ষের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। এদিকে রাস্তার কাজ বন্ধ রাখতে রেল লাইনের পাশ্ববর্তী জায়গার ১০ জন মালিক গতকাল বাংলাদেশ রেলওয়ে(পূর্বঞ্চল) জেনারেল ম্যানেজার বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেছেন।


ওই আবেদনে জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের এ লাইন চালুর জন্য ওইসব মালিকদের ভূমি হুকুম দখল করে। পরবর্তী পর্যায়ে রেল লাইন নির্মিত হলে বেশ কয়েক বছর রেল চলাচল করে। হঠাৎ স্টীল মিল বন্ধ হলে লাইনটির উপর দিয়ে রেল চলাচল না করায় বিভিন্ন পর্যায়ে রেল লাইনের অংশ বিশেষ তুলে নেয়ায় রেল লাইন বিলুপ্ত হয়ে যায়।

তবে ফৌজদার হাট স্টীল মিল রেল লাইনের জায়গাগুলো যাদের থেকে হুকুম দখল করেছে সরকার সংঙ্গত কারণে পাশ্ববর্তী লাগোয়া জায়গা হওয়ায় উক্ত জায়গাগুলোতে এরা চাষাবাদ করে আসছে। বর্তমানে ওই রেললাইনের উপর দিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণ করে চলেছে। এ ব্যাপারে রেল কর্তৃপক্ষের আর.এম.ডি এর অনেক কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানালেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। এই রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মাণ করলে ৪১ একর ভূমি রেল কর্তৃপক্ষের হাতছাড়া হয়ে যাবে বলে আবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

জায়গার মালিকরা জানান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে রাস্তা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে উক্ত রেল লাইনের একপাশ দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হোক। কাজেই রেল লাইনের এ রাস্তার ৪১ একর ভূমি রক্ষা করার স্বার্থে সিটি কর্পোরেশনকে অনুমতি না দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিনীত অনুরোধ করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) সুবক্তগীন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হালিশহর এলাকায় নির্মিত হচ্ছে রাস্তাটি। পরিত্যক্ত এই রেল লাইনের উপর কর্পোরেশন রাস্তা নির্মাণ করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কারো মতে স্থানীয়দের জমি একোয়ার করা হয়েছে রেল লাইনের জন্য, রেল লাইন হয়েছিল কিন্তু স্টীল মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই রেল লাইনটির গুরুত্বও কমে যায়। আবার কারো মতে এই রেল লাইন যেহেতু নেই এখানে রাস্তা নির্মিত হলে জনগনের যাতায়তে সুবিধা অনেকটাই ভালো হবে।

সরকার একসময় স্টীল মিল থেকে ফৌজদার হাট পর্যন্ত রেল লাইন নির্মাণ করে। এই রেললাইন দিয়ে স্টীল মিলের উৎপাদিত পণ্য পরিবহন করতো। স্টীল মিল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এ রেল লাইনটি কার্যত অচল হয়ে যায়। তবে ওই রেল লাইনের পাশে রেল স্থাপনার কিছু নিদর্শন রয়ে গেছে।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্টীল মিল সাইডিং এ প্রকল্পে ৪১ একরের বেশী জায়গা রয়েছে। তবে ভুমি সংস্থাটির হাতে নেই। রেল লাইন না থাকায় বেদখল হয়ে গেছে অধিকাংশ ভুমি। এরই মধ্যে এ রেল লাইনের পশের কিছু জায়গা লীজ দিয়েছিল রেলওয়ে ভূ সম্পত্তি বিভাগ।

সূত্র জানায়, ২০২২ সালের ২০ অক্টোবর এ রেল লাইনের একাংশের ১ একর ৮১ শতক জায়গা লীজ প্রদান করার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। পরবর্তীতে লীজ গ্রহীতা দরপত্রের টাকা জমা দিতে না পারায় রেল কর্তৃপক্ষ কোন সিদ্ধান্ত নিতে এখনো পারেনি। রেল কর্তৃপক্ষ পূর্বাঞ্চলের ভূমি অনেক স্থানে বেদখল রয়েছে এমন অভিযোগ নতুন কিছু না। আবার কখনো অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করার পর আবার বেদখলের ঘটনাটিও চলমান রয়েছে।

রেল সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করেন, রেল কর্তৃপক্ষ কোন জায়গায় লীজ প্রদান করেন, তা যেন লাইনের একপাশ থেকে দেয়া হয়। যদি লাইনের মাঝখানের জায়গা লীজ দেয়া হয় কিংবা কোন সংস্থাকে দেয়া হয়, তাহলের পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ পুনরায় রেল লাইন স্থাপন করতে চাইলেও আর সুযোগ থাকবেনা। কাজেই লীজ কিংবা কোন সংস্থাকে রেল লাইনের কোন জায়গা প্রদান করা হয়, তাহলে ওই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বে-টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহন করেছে। অদূর ভবিষ্যতে এ রেল লাইনটি পুনরায় চালু করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে, এমনটি আশংকা করছেন রেল ও বন্দর সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে পূর্বাঞ্চল স্টীল মিল সাইডিং প্রকল্পের রেল লাইনের উপর এরই মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হালিশহর কলসীর দীঘির পাড় থেকে আনন্দ বাজার পর্যন্ত রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। অথচ রেল কর্তপক্ষ জনেইনা তাদের পরিত্যক্ত রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। রেল লাইনের উপর রাস্তা নির্মানের জন্য কোন আন্তঃবিভাগীয় সভা বা সিদ্ধান্তক্রমে রেলভূমি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে হস্তান্তরের কোন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তাদের মনে হয়না।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান সোহেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কর্মস্থলে চুরি করা টাকা ফেরত না দেওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলোচিত চোর মেরাজ শ্রীঘরে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিজ কর্মস্থলে চুরি করা ৬০ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে আপস করে ১৫ লক্ষ টাকার চেক ও ১ বছরের মদ্ধে ৪৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিবে মর্মে স্ট্যাম্প করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের মেসার্স শাওন ট্রেডার্স এর ম্যানেজার জহির রায়হান মেরাজ (৩৪) নামে এক যুবক।

জানা গেছে, মের্সাস শাওন ট্রেডার্স এর দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ অত্র প্রতিষ্ঠানে যাবতীয় মালামাল বিক্রয়ের নগদ টাকার হিসাব নিকাশ সহ অত্র প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ন কাজ কর্মে কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করিয়া আসছিলেন মোঃ জহির রায়হান মেরাজ। প্রতিদিন মের্সাস শাওন ট্রেডাস এর কাজ কর্ম শেষে বিভিন্ন কায়দা কৌশলে প্রায় ৫,০০০/-টাকা থেকে ১০,০০০/- টাকা পর্যন্ত চুরি করত, যা সি সি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ধরা পাড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়।

উক্ত ঘটনায় মেরাজকে জিজ্ঞেসাবাদ করলে উপস্থিত উভয় পক্ষের শালিশদারগনের সামনে মেরাজ চুরির কথা স্বীকার করেন। গত ৩ বছর যাবত সে বিভিন্ন কায়দা কৌশলের মাধ্যমে আনুমানিক ৬০,০০,০০০/- (ষাট লক্ষ) টাকা চুরি করেছে। ৩০/০৯/২০২৩ তারিখে চুরির ঘটনা সত্যতা স্বীকার করিয়া অত্র অঙ্গীকার নামা দলিলে স্বীকার ও অঙ্গীকার করে যে, উক্ত ৬০,০০,০০০/- (ষাট লক্ষ) টাকার মধ্যে আগামী ০৪/১০/২০২৩ ইং তারিখের নগদে ১৫,০০,০০০/- (পনের লক্ষ) টাকা মের্সাস শাওন ট্রেডাস এর নামে ফেরত দেবে এই মর্মে জহির রায়হান মেরাজ এর স্বাক্ষরিত ঢাকা ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা যাহার চলতি এ্যাকাউন্ট নং ৩০৫২০০০০০৬৬৫৩, চেক নং ১০৩২৩৭১ একখানা চেক প্রদান করেন এবং অবশিষ্ট ৪৫,০০,০০০/- (পঁয়চল্লিশ লক্ষ) টাকা পরবর্তী ১ বছরের মধ্যে মের্সাস শাওন ট্রেডাস কে পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিব।

যদি উক্ত ১৫,০০,০০০/- (পনের লক্ষ) টাকা ০৪/১০/২০২৩ ইং তারিখের মধ্যে পরিশোধ করিতে না পারি ও ৪৫,০০,০০০/- (পঁয়চল্লিশ লক্ষ) টাকা আগমী ১ বছরের মধ্যে মের্সাস শাওন ট্রেডাস কে পরিশোধ করিতে না পারে বা পরিশোধে কোন প্রকারে টালবাহানা করে তবে অত্র চেকের বলে ও অঙ্গীকার নামা দলিল বলে মের্সাস শাওন ট্রেডাস এর স্বত্বাধীকারী মেরাজের উপর যে কোন প্রকার আইনগত ব্যবস্থা লইতে পারিবেন। পরবর্তীতে মেরাজ কোন প্রকার টাকা ফেরত না দেওয়ায় মেসার্স শাওন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মোঃ সামিরুল আলম (শাওন) বাদী হয়ে আদালতে ২টি মামলা দায়ের করেন উক্ত ৪৫ লক্ষ টাকার স্ট্যাম্পের মামলায় (মামলা নাম্বার সিআর ১১২৪/২০২৪) আদালত গত ৩ নভেম্বর মেরাজের নামে ওয়ারেন্ট জারি করলে সদর মডেল থানার এএসআই মোতালের মেরাজকে গ্রেফতার করেন।

এ বিষয়ে সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ রাজু আহমেদ বলেন, ৪৫ লক্ষ টাকার একটি স্ট্যাম্পের মামলায় ওয়ারেন্ট থাকায় আসামি জহির রায়হান মিরাজকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ