আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬

আনোয়ারা চন্দনাইশ দুই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসক, নার্স, স্টাফসহ কর্মীদের অনুপস্থিতি, অপরিচ্ছন্নতাসহ বেশকিছু অনিয়ম দেখতে পান সিভিল সার্জন। এর জবাব চেয়ে ২ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন তিনি। চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চন্দনাইশ ও আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান সিভিল সার্জন। আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪ চিকিৎসক, নার্স, স্টাফসহ ১৩ জনকে বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত দেখেন। অন্যদিকে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ চিকিৎসক ও পাঁচ কর্মীকে অনুপস্থিত দেখেন। তাছাড়া ওই ২ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগ অপরিচ্ছন্ন, যন্ত্রপাতি নষ্ট এবং চিকিৎসকদের পরনে অ্যাপ্রোন দেখতে পাননি। এসব বিষয়ে চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল ইফরান ও আনোয়ারার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশীদকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়। ৫ কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ৯ জুলাই মিরসরাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়েছিলেন সিভিল সার্জন। সে সময় ৭ জন চিকিৎসককে অনুপস্থিত দেখতে পান তিনি। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মিনহাজ উদ্দিনকেও দেন কারণ দর্শানোর নোটিশ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চোখের নীরব ঘাতক রোগ গ্লুুকোমা : সিইআইটিসিতে র‌্যালী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চোখের নীরব ঘাতক রোগ গ্লুুকোমা : সিইআইটিসিতে র‌্যাল

ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: “একসাথে হাত ধরি, গ্লুকোমা মুক্ত বিশ্ব গড়ি” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ-২০২৬’ উদ্যাপন করছে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার পাহাড়তলীস্থ হাসপাতাল প্রাঙ্গনে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টায় র‌্যালীর উদ্বোধন করেন হাসপাতালের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ এম অহিদুল আলম। তিনি বলেন, গ্লুুকোমা চোখের নীরব ঘাতক রোগ। বিরাট জনগোষ্ঠী গ্লুুকোমা রোগের নামই শোনেননি। গ্লুকোমা চোখের এমন একটি জটিল রোগ, ধীরে ধীরে দৃষ্টি কমে যায়। এমনকি এক সময় রোগী অন্ধত্ববরণ করতে বাধ্য হয়। সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা না নিলে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি হারানোর ঝুঁকি থাকে। তাই গ্লুকোমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন. আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী, চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, প্রফেসর ডা. জেসমিন আহমেদ, কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর, এসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. মো. দস্তগীর হোসেন, ডা. কাজী তাহমিনা আক্তার. ডা. ফারজানা আক্তার চৌধুরী, ডা. এ এস এম মাহাবুবুল আলম, ডা. মেরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া,ডা. সুইটি বড়ুয়া, ডা. আমিনুর রহমান, ডা. শেলী বিশ্বাস, ডা. মো. ইফতেখার শামীম, ডা. মৌসুমী চৌধুরী প্রমূখ।

এর আগে সকাল ৮টায় ‘বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ উপলক্ষে হাসপাতালের ইমরান সেমিনার হলে চোখের গ্লুকোমা নির্ণয় ও প্রতিরোধের বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন, ম্যানেজিং ট্রাস্টি ডা. কিউ এম অহিদুল আলম, মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. রাজিব হোসেন. আইসিও এর পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. মনিরুজ্জামান ওসমানী, চিফ কনসালট্যান্ট ডা. নাসিমুল গনি চৌধুরী, এসোসিয়েট কনসালটেন্ট ডা. মো. দস্তগীর হোসেন প্রমূখ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হাসপাতালের ডিপার্টমেন্ট অব গ্লুকোমা বিভাগের প্রধান কনসালটেন্ট ডা. উম্মে সালমা আকবর। সেমিনারে বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের দ্বিতীয় কারণ মারাত্মক দৃষ্টিনাশী রোগ গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত চোখ পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়। শতকরা ৫০ জন লোক জানেন না তার গ্লুকোমা রোগ আছে। বিশেষ করে উপসর্গ থাকে না বলে বেশিরভাগ গ্লুকোমা রোগীই বুঝতে পারেন না এর উপস্থিতি। তুষের আগুনের মতো ভেতরে ভেতরে নষ্ট করে দেয় স্নায়ুতন্ত্র। বেশিরভাগ গ্লুকোমা রোগী আসেন অন্ধত্বের কাছাকাছি সময়ে। তখন বেশি কিছু করার থাকে না। প্রাথমিক পর্যায়ে গ্লুকোমা শনাক্ত করা গেলে অন্ধত্বের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

নীরবে চোখকে অন্ধত্বের দিকে নিয়ে যায় বলে গ্লুকোমাকে নীরব ঘাতক বা ‘সাইলেন্ট কিলার’ উল্লেখ করে সেমিনারে আরো বলা হয়, গ্লুকোমা রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব; কিন্তু নিরাময় করা সম্ভব নয়। ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপ রোগীর মতো সুনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং নিয়মিত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলে গ্লুকোমা রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। গ্লুুুকোমা রোগ সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদেরও ভূমিকা পালন করতে হবে। এছাড়া সাপ্তাহব্যাপী কর্মসূচীতে হাসপাতালের চিকিৎসকরা আগত রোগী ও তাদের স্বজনদের গ্লুুকোমা রোগ সম্পর্কে অবগত করছেন।

অফিস সময়ে হাসপাতাল ছেড়ে প্রাইভেট প্রাকটিস করলে নিবন্ধন বাতিল করবে সরকার- স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অফিস সময়ে হাসপাতাল ছেড়ে প্রাইভেট প্রাকটিস করলে নিবন্ধন বাতিল করবে সরকার- স্বাস্থ্যমব্ত্রী।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ