আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চউক’র এক লাখ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এক লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র (চউক)। গতকাল শনিবার সকাল ১১টায় কালুরঘাট-চাক্তাই ৪ লেন সড়ক নির্মাণ প্রকল্প এলাকায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিডিএ’র চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সমাজ বিজ্ঞানী প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সমাজ বিজ্ঞানী প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন বলেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’র চেয়ারম্যান খুব সুন্দরভাবে প্রাচীন নগরী চট্টগ্রাম শহরকে সাজাতে চান। চট্টগ্রাম শুধুমাত্র বাংলাদেশের নয় বিশ্বের প্রাচীনতম বন্দর নগরী। তখন এই নগরীতে অসংখ্য মাঠ, পুকুর, হরেক রকমের গাছপালা ছিল। এখন এগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে একটা কল্পনা থাকা দরকার এবং কল্পনাটি সুদূর প্রসারি হওয়া উচিত। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সারাবিশ্বে গাছপালা নিধন চলছে। যার কারনে প্রকৃতি আমাদের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।আমাদের চেয়ারম্যান প্রকৃতির কথা চিন্তা করেছেন বিধায় তিনি এই কর্ণফুলী নদী তীর ঘেঁষে নতুন ব্রিজ থেকে কালুরঘাটসহ নগরীর নানা প্রান্তে এক লক্ষ গাছ লাগানো উদ্যোগ নিয়েছেন। এছাড়া নদীর পাড় দিয়ে তিনি রাস্তা, পার্ক ও ওয়াক ওয়ে করার পরিকল্পনা করছেন যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের একটি বাস যোগ্য প্রাকৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলবে। তিনি স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ যারা উপস্থিত ছিলেন সকলকে প্রাকৃতিক বিষয়টি মাথায় নিয়ে সকল পরিকল্পনা করতে অনুরোধ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে চউক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, আমি প্রাণ-প্রকৃতি সমৃদ্ধ একটি বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে চাই। যেখানে নগরীর শিশুরা খেলতে পারবে, যুবক বৃদ্ধরা বিকালে প্রাকৃতিক পরিবেশে হাঁটাহাটি করবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে চউক চেয়ারম্যান বলেন, নতুন ব্রিজ থেকে কালুরঘাট পযন্ত এ সড়কের দুপাশে ফুল, ফল ও ঔষুধি গাছ লাগানো হবে। যেখানে নানা রঙের ফুল ফুটবে। আমরা পর্যায়ক্রমে এই এক লাখ গাছ আমাদের চলমান প্রকল্প এলাকায় লাগাবো।এছাড়া চট্টগ্রামকে বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে সকলে সহযোগিতা করবেন এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
উক্ত কর্মসূচিতে সিস্টেম এনালিস্ট মোঃ মোস্তফা জামালের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বোর্ড মেম্বার জসিম উদ্দিন শাহ, স্থপতি আশিক ইমরান, প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস্, প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: হাবিবুর রহমান এবং চউক’র সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ