আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করে সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠার নজির সৃষ্টি করেছে – যাত্রী কল্যাণ সমিতি

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Lদেশব্যাপী ট্রাফিক পুলিশের অনুপস্থিতিতে তরুণ শিক্ষার্থীরা সারাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করে সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় অনন্য এক নজির সৃষ্টি করেছেন বলে দাবী করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

আজ ০৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় সড়ক-মহাসড়কে গত দুই দিন যাবৎ ট্রাফিক পুলিশের অনুপস্থিতিতে সড়কে যান চলাচল নিরাপদ ও নিবিঘর্œ রাখতে তরুণ শিক্ষার্থীদের ট্রাফিকিং কার্যক্রম পরিদর্শন করে বিভিন্ন স্পটে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পানি ও শুকনো খাবার বিতরনকালে উপরোক্ত মন্তব্য করেন তিনি। তিনি দাবী করেন, দেশের সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি তরুণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সেচ্ছাসেবী ট্রাফিক বাহিনী গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবী। অন্যদিকে দেশে বিদ্যমান ট্রাফিক ব্যবস্থায় অনিয়ম ও দুর্নীতির কারনে ফিটনেস বিহীন যানবাহন ও লাইসেন্স বিহীন চালকের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দুঘর্টনায় প্রাণহানী। ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবীতে তরুণ শিক্ষার্থীদের এতবড় আন্দোলনের পরে আওয়ামীলীগ সরকার শিক্ষার্থীদের সব দাবী মেনে নিলেও তা পুরণ না করায় সড়কে জঞ্জাল চাপ হয়নি। সড়কে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বিষয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী সমন্বয়কদের দাবীতে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরী বলে দাবী করেন তিনি।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব আরো বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুূল কাদের দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময়ের মন্ত্রী হিসেবে চার মেয়াদে সড়ক পরিবহন মন্ত্রনালয়ে দায়িত্বে থেকেও সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে আমরা বারবার দাবী তুলেছিলাম। কিন্তু এই স্বৈরাচার তা কর্ণপাত করেনি। বরং আমাদের নানাভাবে হয়রানি করেছেন। তাই দেশের ছাত্রসমাজকে সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও সড়ক দুঘর্টনা কমানোর দায়িত্ব নেওয়ার বিকল্প নেই বলে দাবী করেন তিনি। পরে নগরীর পল্টন মোড়, জিপিও মোড়, গুলিস্থান মোড়, শাহবাগ মোড়, ফার্মগেট, আড়ং গেট এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষার্থী, স্কাউট সদস্য, আনসার সদস্য, ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের মাঝে পানি ও শুকনো খাবার বিতরন করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ