আজঃ রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করে সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠার নজির সৃষ্টি করেছে – যাত্রী কল্যাণ সমিতি

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Lদেশব্যাপী ট্রাফিক পুলিশের অনুপস্থিতিতে তরুণ শিক্ষার্থীরা সারাদেশে ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করে সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় অনন্য এক নজির সৃষ্টি করেছেন বলে দাবী করেছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী।

আজ ০৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় সড়ক-মহাসড়কে গত দুই দিন যাবৎ ট্রাফিক পুলিশের অনুপস্থিতিতে সড়কে যান চলাচল নিরাপদ ও নিবিঘর্œ রাখতে তরুণ শিক্ষার্থীদের ট্রাফিকিং কার্যক্রম পরিদর্শন করে বিভিন্ন স্পটে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পানি ও শুকনো খাবার বিতরনকালে উপরোক্ত মন্তব্য করেন তিনি। তিনি দাবী করেন, দেশের সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি তরুণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি সেচ্ছাসেবী ট্রাফিক বাহিনী গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবী। অন্যদিকে দেশে বিদ্যমান ট্রাফিক ব্যবস্থায় অনিয়ম ও দুর্নীতির কারনে ফিটনেস বিহীন যানবাহন ও লাইসেন্স বিহীন চালকের সংখ্যা যেমন বাড়ছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দুঘর্টনায় প্রাণহানী। ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবীতে তরুণ শিক্ষার্থীদের এতবড় আন্দোলনের পরে আওয়ামীলীগ সরকার শিক্ষার্থীদের সব দাবী মেনে নিলেও তা পুরণ না করায় সড়কে জঞ্জাল চাপ হয়নি। সড়কে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বিষয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী সমন্বয়কদের দাবীতে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরী বলে দাবী করেন তিনি।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব আরো বলেন, স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুূল কাদের দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময়ের মন্ত্রী হিসেবে চার মেয়াদে সড়ক পরিবহন মন্ত্রনালয়ে দায়িত্বে থেকেও সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে আমরা বারবার দাবী তুলেছিলাম। কিন্তু এই স্বৈরাচার তা কর্ণপাত করেনি। বরং আমাদের নানাভাবে হয়রানি করেছেন। তাই দেশের ছাত্রসমাজকে সড়কে শৃংঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও সড়ক দুঘর্টনা কমানোর দায়িত্ব নেওয়ার বিকল্প নেই বলে দাবী করেন তিনি। পরে নগরীর পল্টন মোড়, জিপিও মোড়, গুলিস্থান মোড়, শাহবাগ মোড়, ফার্মগেট, আড়ং গেট এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষার্থী, স্কাউট সদস্য, আনসার সদস্য, ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের মাঝে পানি ও শুকনো খাবার বিতরন করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’র অভিযানে শটগানের কার্তুজ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বান্দরবান ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’তেমোতায়েন আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সাহসিকতা ও বিচক্ষণতায় শটগানের কার্তুজ ও বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের সময় অস্ত্র বহনকারী সন্ত্রাসীরা একটি ব্যাগ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে তাদের আনাগোনা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টা ৫৫ মিনিটে বান্দরবান বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ট্যানেলের পশ্চিম পাশে দায়িত্ব পালনকালে বান্দরবান আনসার ব্যাটালিয়ন (১০ বিএন)-এর নায়েক মোঃ জাহিদুল ইসলাম এবং সিপাহি মকছুদুর রহমান দুইজন সন্দেহজনক ব্যক্তির গতিবিধি লক্ষ্য করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে গাঁজা সেবনের গন্ধ পাওয়া যায় এবং কথাবার্তায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়।


সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এগিয়ে গেলে তারা পূরবী পরিবহনের একটি বাসের পেছনে একটি পুরাতন শপিং ব্যাগ ফেলে রেখে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে একটি পলিথিনে মোড়ানো ১০ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ এবং ৫টি বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম অচল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপিপন্থী শ্রমিক সংগঠনের ডাকা আট ঘন্টার ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়ে। চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী সাবেক সিবিএ এ কর্মসূচির ডাক দেয়। ধর্মঘটের সমর্থনে শ্রমিক-কর্মচারিরা বন্দর এলাকায় মিছিল-সমাবেশ করে।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) আরব-আমিরাতভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে শনিবার সকাল ৮টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ধর্মঘটে বন্দরের জেটিতে জাহাজ থেকে কনটেইনার ও পণ্য নামানো এবং জাহাজে ওঠানোর কার্যক্রম অনেকটাই বন্ধ ছিল। ধর্মঘট চলাকালে বন্দর থেকে খালাস হওয়া কনটেইনার ও পণ্য পরিবহন এবং জাহাজে তোলার জন্য কনটেইনার পরিবহন ব্যাহত হয়।


জানা গেছে, শনিবার সকালের সূচি অনুযায়ী কার্যক্রমে বন্দরের কর্মচারি ও বন্দরে নিয়োজিত বেসরকারি শ্রমিকেরা কেউ কাজে যোগ দেননি। এর ফলে বন্দরের তিনটি টার্মিনাল জিসিবি, সিসিটি ও এনসিটিতে অপারেশাল কার্যক্রম অনেকটাই বন্ধ ছিল। তিন টার্মিনালে জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কার্যক্রমে প্রায় অচলাবস্থা তৈরি হয়। শুধু এনসিটিতে বেসরকারি ডিপো থেকে আনা রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনার জাহাজে তোলার কার্যক্রম চলে। কনটেইনার টার্মিনালগুলোতে যন্ত্রপাতির অপারেটররাও কাজে যোগ দেননি বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন বলেন, এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার প্রতিবাদে আমাদের ডাকা কর্মসূচিতে শ্রমিক-কর্মচারিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দিয়েছেন। আশা করি, সরকার তাদের সিদ্ধান্ত বাতিল করে চুক্তির প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকবে। অন্যথায় আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাব।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। রোববার বিকেল ৫টায় আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
শ্রমিক-কর্মচারি ঐক্য পরিষদ (স্কপ) ধর্মঘটের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন ও পূর্ণ সহযোগিতা ঘোষণা করেছে। একইসাথে চট্টগ্রাম বন্দরের সকল শ্রমিক-কর্মচারিদের এ কর্মসূচিতে একাত্ম হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্কপ। এছাড়া স্কপের পক্ষ থেকে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দর ভবন অভিমুখে কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ