আজঃ মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকায় বৌদ্ধ বিহার ও মন্দির পরিদর্শনকালে এরশাদ উল্লাহ

প্রেস রিলিজ

পতিত স্বৈরাচারের দোসররা পরিকল্পিতভাবে উপসনালয়গুলোতে হামলা করছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, ছাত্র জনতার বিজয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি বিশেষ মহল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপাসনালয় গুলোতে হামলার গুজব ছড়িয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করছে। পতিত স্বৈরাচারের দোসররা পরিকল্পিতভাবে উপসনালয়গুলোতে হামলা করছে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার লক্ষ্যে সমাজকে বিভক্ত করাই এই মুহূর্তে তাদের ষড়যন্ত্র। তারা উপাসনালয় গুলোতে নাশকতা সৃষ্টি করে বিএনপিকে দায়ী করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপি জনগণকে সাথে নিয়ে সকল ধরনের নাশকতা প্রতিহত করছে। সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনার জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ খুবই প্রয়োজন। এখন সবাইকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব।

তিনি রবিবার (১১ আগস্ট) বিকালে চান্দগাঁও ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

তিনি কুয়াইশ চান্দগাঁও সার্বজনিন কালী বাড়ী, নাথ পাড়া, বড়বাড়ী, বেপারী পাড়া, বড়ুয়া পাড়া বৌদ্ধ বিহার, শাক্যমুনি বিহার, সাধু পাড়া কালীবাড়ি পরিদর্শন করে তাদের নিরাপত্তার সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ভিন্ন ধর্মালম্বীদের মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও বাসাবাড়ি এবং বিরোধীমতের সবাইকে বিএনপির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি ও পরিবেশের গভীরতা অনুভব করে চট্টগ্রামবাসীকে আবারও সজাগ করতে চাই পতিত স্বৈরাচার ও তার দোসরদের এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে। বিশেষভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সকল নাগরিকদের আহ্বান জানাচ্ছি, এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যার যার অবস্থান থেকে সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য দল মত নির্বিশেষে তাদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামবাসীর প্রতি আহ্বান জানায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা শওকত আলী, চান্দগাঁও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইলিয়াছ চৌধুরী, মহানগর বিএনপি নেতা আশরাফুল ইসলাম, জাফর আহমদ, নগর ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলম রুবেল, আরিফুল ইসলাম, তারেক রহমান, মো. আজগর, রিকু, বাপ্পি, মো. তৈয়ব, মো. মিরাজ প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ছোটন চেয়ারম্যানের ১০০ কর্মদিবস উদযাপন ! উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণে (১৫ নভেম্বর) ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ায় কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে পরিষদ কার্যালয় বর্ণিল সাজে সাজানো হয় এবং সন্ধ্যায় আনন্দঘন পরিবেশে কেক কেটে ১০০কর্মদিবস উদযাপন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য যথাক্রমে মাহাবুব আলম, মোঃ জামাল হোসেন, মো: সালাহ উদ্দিন, মো: আজিজুল হক, রেজাউল করিম ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দিন ছোটনের দায়িত্ব গ্রহণের ১০০ কর্মদিবস উপলক্ষে ইউনিয়নজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে তার গৃহীত নানা উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই চেয়ারম্যান ছোটন ইউনিয়নের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছেন। বিশেষ করে রাস্তা সংস্কার, অসহায় ও দুস্থদের সহায়তা প্রদান এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত সমাধানে তার আন্তরিকতা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন বলেন, “এই ১০০ দিনে আমি চেষ্টা করেছি জনগণের পাশে থাকতে এবং ইউনিয়নকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী এলাকায় রূপ দিতে। আগামীতেও বড়ঘোপ ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই।”

এলাকাবাসী জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রতি নতুন আশার সঞ্চার করেছে। চেয়ারম্যান ছোটনের এই কার্যক্রম বড়ঘোপ ইউনিয়নের উন্নয়ন যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ইরান ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইরান ওমান উপসাগরে একটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে । তেলবাহী জাহাজটিতে বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কার ১৮ নাবিক রয়েছে। ইরানি গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স জানায়- ছয় মিলিয়ন লিটার চোরাচালানকৃত ডিজেল বহনকারী একটি তেলবাহী জাহাজ ওমান উপকূলে আটক করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ