আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

বাঁধার প্রাচীর ডিঙিয়ে পুনুরুজ্জীবিত হলো লালমোহন মিডিয়া ক্লাব

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রভাষক তারেকুল ইসলাম খালেককে আহবায়ক, মানবাধিকারকর্মী জাকির হোসেন জুয়েল ও প্রভাষক মোসলেউদ্দিন মুরাদকে যুগ্ম আহবায়ক, সাংবাদিক মিজান হাওলাদারকে সদস্য সচিব করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।বিগত সরকারের আমলে এক ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের আগ্রাসনে বন্ধ ঘোষণা করা হয় দ্বীপজেলা ভোলার লালমোহনের গণমানুষের প্রিয় গণমাধ্যম সংগঠন ‘লালমোহন মিডিয়া ক্লাব’ । শুধু সংবাদ চর্চা নয়, শীতার্তদের কম্বল দেয়া, করোনাকালে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, প্রতিবছর জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান, দেশবরেণ্য লেখক সাংবাদিক শিল্পীদের স্মরণ, স্হানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসহ বহুমুখী সামাজিক কর্মকাণ্ডের সফল আয়োজক এই সংগঠনটি তার স্বনাম ও সুনামের কারণেই রোষানলে পড়ে যায় কুচক্রী মহলের । ২০১২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কবি রিপন শানের হাত ধরে একঝাঁক প্রগতিশীল গণমাধ্যমকর্মীর সমন্বয়ে লালমোহন পৌরশহরের হাজী ইউসুফ প্লাজায় অনুষ্ঠিত প্রীতি আড্ডায় জন্মগ্রহণ করে লালমোহন মিডিয়া ক্লাব । ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে ষড়যন্ত্রী অপশক্তির কঠিন খড়গ নেমে আসে লালমোহন মিডিয়া ক্লাবের বুকে । অবশেষে তিন বছরের বাকরুদ্ধ যন্ত্রণার কঠিন দাবদাহ পেরিয়ে আজ ৮ আগস্ট ২০২৪ শুক্রবার নতুন উদ্যমে নবজন্ম লাভ করলো লালমোহন মিডিয়া ক্লাব ।

আজ সন্ধ্যায় লালমোহন পৌরশহরের ফুডপ্লেস চাইনীজ রেস্তোরাঁয়, মিডিয়া ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি প্রভাষক কবি রিপন শানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুনুরুজ্জীবন বৈঠকের প্রথমার্ধে উপস্থিত সদস্যগণের সর্বসম্মতিক্রমে ; ক্লাবের কার্যপ্রণালী বিধির গুরুতর লঙ্ঘন ও সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণে ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম দুলালকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয় । বৈঠকের দ্বিতীয়ার্ধে সর্বসম্মতিক্রমে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে, লালমোহন মিডিয়া ক্লাবের সাবেক সহসভাপতি ও করিমুন্নেছা-হাফিজ মহিলা কলেজের প্রভাষক তারেকুল ইসলাম খালেক (বাংলা খবর) কে আহবায়ক এবং ক্লাবের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মিজান হাওলাদার (দৈনিক চিত্র/আমাদের বরিশাল)কে সদস্যসচিব করে ৯ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠন করা হয় । কমিটির যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হয়েছেন জাকির হোসেন জুয়েল (ভয়েস সিটিজি/দৈনিক ভোলার বাণী) এবং ধলীগৌরনগর কলেজের প্রভাষক মোসলেউদ্দিন মুরাদ (দৈনিক দেশের কণ্ঠ) । নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন : যথাক্রমে- লালমোহন মিডিয়া ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা, বদরপুর নুরুন্নবী চৌধুরী কলেজের সিনিয়র প্রভাষক কবি রিপন শান (দ্য রেডটাইমস্/ভোলার কণ্ঠ/মুক্তবুলি), মিজান পাটোয়ারী (দৈনিক আজকের বসুন্ধরা), জসিম মাতাব্বর (দৈনিক আমাদের বরিশাল/একুশে নিউজ), ধলীগৌরনগর কলেজের প্রভাষক মোঃ আনোয়ার হোসেন (বাংলাদেশ ক্রাইম সংবাদ) এবং এমরান হাসান আলীম (দৈনিক মাতৃজগত) । সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য- গজারিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মোঃ মহিউদ্দিন, ক্লাবের শুভার্থী- ধলীগৌরনগর কলেজের প্রভাষক মেহেদী হাসান রিয়াজ, শিক্ষক ও সমাজকর্মী মোঃ মফিজুল ইসলাম, মোহাম্মদ শরিফ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাবার বন্ধুদের কাছে পেয়ে সম্মান জানাতে ভুললেন না প্রতিমন্ত্রী পুতুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারি সফরে পাবনা এসে বাবার বাল্যবন্ধুদের সান্নিধ্যে আবেগতাড়িত হলেন প্রয়াত সমাজকল্যান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে বর্তমান সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

সোমবার দুপুরে পাবনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসে বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক রবিউল ইসলাম রবি, প্রফেসর শিবজিত নাগ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবী ইসলাম ও অধ্যক্ষ মাহাতাব বিশ্বাসকে দেখে ছুটে কাছে যান এবং পরম শ্রদ্ধায় দোয়া চান প্রতিমন্ত্রী পুতুল। এ সময় মাথায় হাত দিয়ে স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেন বাবার বন্ধুরা। এরপর পাবনার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কৈশোর তারুণ্য কেটেছে পাবনায়। তিনি পাবনার সাবেক এমপি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এডভোকেট আমিনউদ্দিনের ভাতুষ্পুত্র। শহীদ আমিনউদ্দিনের মধ্য শহরের পুষ্পালয় নামক বাড়িতেই ফজলুর রহমান পটল থাকতেন ও ছাত্র রাজনীতি, মুুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। সে সময়ের তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কয়েকজন জীবিত আছেন। পাবনা প্রেসক্লাব প্রতিমন্ত্রী পুতুলের অনুরোধে তার পিতার বন্ধুদের প্রেসক্লাবে আমন্ত্রন জানান। পিতার বন্ধুদের কাছে পেয়ে প্রতিমন্ত্রী যে বিনয় ও সম্মান দেখিয়েছেন তা সত্যিই অনুকরণীয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক জীবনের কর্মক্ষেত্রে যেখানেই যাই, শুনতে পাই- ও আচ্ছা তুমি পটলের মেয়ে, পটল ভাইয়ের মেয়ে? আমার এগিয়ে যাবার প্রধান নিয়ামক আমার বাবা। আমার বাবা যাদের হাতে হাত মিলিয়ে আড্ডা দিয়েছেন, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করেছেন। আজ তাদের হাতের স্নেহের পরশ পেয়েছি। সন্তান হিসেবে এটি আমার জন্য ভীষণ সৌভাগ্যের।

পাবনা প্রেসক্লাবের ঐহিত্য ও প্রয়াত সংবাদকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পুতুল বলেন, বিগত সময়ে আপনারা অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দেশকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সহযোগিতা ভীষণ প্রয়োজন। আপনারা আমাদের পথ দেখান, ভুলগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন বলে আশা রাখি।

পাবনার প্রতি স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, পাবনা ও নাটোর লালপুরের মাটির গন্ধ একই। কারণ এই পাবনায় আমার শেকড় পোতা। সুতরাং নাটোর লালপুরের মত উন্নয়নের ছোঁয়া পাবনাতেও লাগবে। পাইলটিং পদ্ধতিতে দ্বিতীয় ধাপে পাবনার হতদরিদ্র মানুষ ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। অন্যান্য সকল উন্নয়নে তিনি পাবনাবাসীর সাথে থাকবেন বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, সদর আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা ২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল মতীন খান,প্রেসক্লাব সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক উৎপল মির্জা প্রমুখ।

 

 

দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি – প্রতিমন্ত্রী পুতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল বলেছেন, সরকার গঠনের এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ কে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করছে বিএনপি।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাবনার পদ্মকোল খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, অত্যন্ত ক্রান্তিলগ্নে আমরা দেশের দায়িত্ব পেয়েছি। সরকার গঠনের একমাসও পূর্ণ হয়নি। তবুও এরই মধ্যে বিএনপি সরকার দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, মসজিদ মন্দিরের ইমাম পুরোহিতদের সম্মানী ভাতা ও কৃষি ঋণ মওকুফের মতো উদ্যোগ আমরা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, কৃষি ও কৃষক আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি। সেই কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সহ জীবনমান উন্নয়নের জন্য শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সময় খাল থেকে সেচ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান এবার খননের মাধ্যমে খাল কে পুনরুজ্জীবন দিয়ে সেচ ব্যবস্থা কে আরো উন্নত করতে উদ্যোগ নিয়েছেন। এ উদ্যোগের আওতায় সারা দেশে ৫৪টি খাল খনন কর্মসূচির আজ উদ্বোধন হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মরে যাওয়া খালগুলো পানিপ্রবাহ ফিরে পেলে যেমন কৃষি উৎপাদন বাড়বে, তেমনই গ্রামীণ জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। এর ফলে ভূ-উপরিস্থ পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমবে, যা খরা, বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে সহায়ক হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য মরে যাওয়া খালগুলো খনন করে জীবন ফিরিয়ে দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই সারা দেশের মতো পাবনায় এ খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্টরা খেয়াল রাখবেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে যেন খাল খনন সম্পন্ন হয়৷

পাবনার জেলা প্রশাসক ড. শাহেদ মোস্তফার সভাপতিত্বে খাল খনন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম রেজা হাবিব, পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার, পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার ও সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম সহ অনেকেই।

প্রসঙ্গত, পাবনার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর থেকে মন্ডলমোড় পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এই খালটি পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীতে গিয়ে মিশেছে। ৬ ফুট গভীর ও গড় ৪০ ফুট প্রশস্ত করে খালটি খনন কাজ শুরু হচ্ছে।

এই খালটি পূর্ণ খনন হলে পদ্মা থেকে ইছামতিতে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে। খালের পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর ইউনিয়নের জমিগুলো সহজেই সেচ সুবিধা পাবে। এই কর্মসূচির আওতায় এটি ছাড়াও পাবনায় ১০৬ টি খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানায় পানি উন্নয়ন বোর্ড।

 

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ