আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য ছাত্র-জনতার খুনীদের উৎসাহিত করবে - এইচ এম রাশেদ খান

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা’র পদত্যাগের দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রেস রিলিজ

উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা’র পদত্যাগের দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান বলেছেন, শহীদদের রক্ত না শুকানোর আগেই উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে যে মন্তব্য করেছেন এটা শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি ছাড়া আর কিছুই না। উপদেষ্টার এমন বক্তব্যে দেশের মানুষ ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত যা খুনীদের উৎসাহিত করবে। এর মধ্য দিয়ে তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন, অবিলম্বে তার ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করা উচিত। নিরপেক্ষ সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা হয়ে তিনি স্বৈরাচার, আওয়ামী লীগের দালালী এবং এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। খুনের রক্ত ¯্রােতে দেশকে বাসিয়ে পালিয়ে যাওয়া কাউকে দেশে ফেরত আসার আহ্বান জনগণ মানবে না। জনতার আন্দোলনকে নস্যাৎ করার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমকে অপব্যবহার করে আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্র করছে। কোন অপশক্তি যদি ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার,খুনী শেখ হাসিনাকে পূনর্বাসনের ষড়যন্ত্র করে দেশবাসীকে সাথে নিয়ে আমরা প্রতিহত করবো। আমরা দেশের সম্পদ লুন্ঠনসহ হত্যা, গুম ও আয়নাঘরে আটকে রেখে বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের দায়ে সাবেক অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্রæত বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

তিনি আজ ১২আগষ্ট (সোমবার) রাতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন এর পদত্যাগের দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মিছিলটি কাজীর দেউরী মোড় থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুতপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ করে।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, বহু ত্যাগ তিতিক্ষার পর হাজার হাজার ছাত্র জনতার জীবন ও রক্তের বিনিময়ে দ্বিতীয় বারের মতো এই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই বাংলাদেশকে নিয়ে যদি কেউ কোন ষড়যন্ত্র বা চক্রান্ত করেন সে যতবড় উপদেষ্টা হোক না কেন তাকে সেই উপদেষ্টা পদ থেকে টেনে হিচড়ে নামিয়ে ফেলা হবে। আমরা দ্রæত এই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে অপসারণেরর দাবি জানাই । দায়িত্বপূর্ণ পদে থেকে একের পর এক বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে তিনি পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চক্রান্ত করছেন।

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি এড. সাইদুল ইসলাম, হারুনুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক এম. আবু বক্কর রাজু, গোলাম সরোয়ার, সহ-সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন, মোখলেছুর রহমান, রাসেল খান। উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক খান, সাইফুল আলম দিপু, মোঃ রবিউল ইসলাম, মিজানুর রহমান সাইফুল, প্রচার সম্পাদক আকবর হোসেন মানিক, সাহিত্য সম্পাদক লুৎফর রহমান জুয়েল, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-দফতর সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, চান্দগাঁও থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাজিদ হাসান রনি,কোতোয়ালী থানা আহবায়ক এন মোহাম্মদ রিমন, ডবলমুরিং থানা আহবায়ক আকতার হোসেন বাবলু, পাঁচলাইশ থানা আহবায়ক শফিউল আলম শফি,বন্দর থানা আহবায়ক রিয়াজ উদ্দিন রাজু, বাকলিয়া থানা আহবায়ক মো. দুলাল মিয়া, চান্দগাঁও থানা সদস্য সচিব মো. শহীদুজ্জামান, ডবলমুরিং থানা সদস্য সচিব নোমান সিকদার সোহাগ, বন্দর থানা সদস্য সচিব আরমান শুভ, আব্দুর রশিদ টিটু, মো. শাহালম, মীর কাশেম,জসিম উদ্দিন,শফিকুল ইসলাম শাহনেওয়াজ, সাদ উদ্দিন, আল জাবের, সজল বড়–য়া, আবুল কালাম প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ