আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

আওয়ামী দু:শাসনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে – আবু সুফিয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, কোটা সংস্কারের শাস্তিপূর্ণ আন্দোলনে পৈশাচিক গণহত্যা চালিয়ে খুনী হাসিনা সরকার স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা কে কলংকিত করেছে। এ অমানবিক ও পৈশাচিকতা দেখে শুধু দেশবাসী নয় বিশ্ববিবেকও আৎকে উঠেছে। আওয়ামী দুঃশাসনে দীর্ঘ ১৫ বছরে বিরোধী দল সহ দেশের মানুষের মধ্যে অবহেলা-অসন্তোষ, দুঃখ-কষ্ট ও ক্ষোভ-ক্রোধ আগ্নেয়গিরির লাভার মতো সঞ্চিত হয়েছে যা ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে বিস্ফোরিত হয়েছে। আমাদের প্রিয়নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘সংগ্রামী জনতার পরাজয় ইতিহাসে নেই’। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে মুক্তিকামি জনতার বিজয় হয়েছে আর ক্ষমতালিপ্সু, দাম্ভিক হাসিনা পদত্যাগ করে পালাতে বাধ্য হয়েছে। এখন খুনি শেখ হাসিনাকে দেশে এনে অতি দ্রুত বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।

তিনি আরোও বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগের ১৫ বছরের ইতিহাস, অত্যাচার-নিপীড়ন-শোষণের ইতিহাস। গুম-খুন-হত্যা-লুটপাট-চাঁদাবাজি-নৈরাজ্যের ইতিহাস। আওয়ামী দু:শাসনে সাধারণ জনগণ একেবারেই শেষ হয়ে গেছে, ভালো ছিল গুটি কয়েক দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী, সরকার দলীয় লুটেরা রাজনীতিবিদ ও দখলদার-মজুতদার ব্যবসায়ীরা। বাংলার মানুষ আওয়ামী দুঃশাসন থেকে মুক্তি চেয়েছিল। গুম-খুন থেকে মুক্তি চেয়েছিল। লুন্ঠিত ভোটাধিকার সহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ফেরত চেয়েছিল। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের ধৈর্য্য ধারণ করে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।

আজ ১৫ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২টায় নগরীর বহদ্দারহাট চত্বরে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়ে গণহত্যাকারী খুনি হাসিনা সহ তার দোসরদের বিচারের দাবিতে চান্দগাঁও থানা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘অবস্থান কর্মসূচীতে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অবস্থান কর্মসূচীতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম
চান্দগাঁও থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ভুইয়ার সভাপতিত্বে থানা যুবদলের আহবায়ক গোলজার হোসন এর সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচী তে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আসলাম, ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী ইলিয়াস শেকু, হাজী আইয়ুব, ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, আফিল উদ্দিন আহমেদ, শাহনওেয়াজ চৌধুরী মিনু, বিএনপি নেতা ইলিয়াছ আলী, সালামত আলী, হাজী আবু বক্কর, এম এ হামিদ দিদার, হারুন সওঃ, দানু সওঃ, নুরুল আমিন, এম. আবু বক্কর রাজু, আরফিুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম, মো. আলমগীর, নুরনবী, আব্দুল নবী, আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম, মাহবুব আলম, মো. আলম, সাজিদ হাসান রনি, মোরশেদ কামাল, নওশাদ আল জাসেদুর রহমান, মো. শহীদুজ্জামান, আব্দুর রহমান আলফাজ, ইউসুফ আলী লিটন, আকতার হোসনে, আবু বক্কর বাবু, ইসকান্দর হোসেন, শফিউল্লাহ মামুন, আলমগীর টিটু, সিরাজুল ইসলাম ইকবাল, মো. বেলাল, আনিসুজ্জামান, মো. হোসেন মাসুম, মিজানুর রহমান সুমন, জালাল উদ্দিন, কাইছার হোসেন, আব্দুল আজিজ, রায়হান আলম, মো. পারভেজ, মো. হাকিম, শহীদুল ইসলাম, মো. মুরাদ, জহিরুল ইসলাম জহির, হোসাইন, সায়মন, মো. মাসুম, কামাল হোসেন খোকন, দেলোয়ার হোসেন খোকা, ইসহাক জয়, আনসিুর রহমান হিরু, আব্দুর রশিদ, সাদ্দাম হোসেন, মনছুর আলম, দেদুল বড়ুয়া, নাজিম উদ্দিন, মো. রুবেল, সাঈদ ইসলাম বাপ্পি, সাফায়াত হোসেন সোহান প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহবায়ক লায়ন তাহের আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরিষদের উত্তর জেলার সদস্য সচিব আবু সাঈদ, পরিষদের উত্তর জেলার যুগ্ন আহবায়ক আবুল কাশেম আজাদ (ভিপি শামীম), যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন,নাছির উদ্দিন বিপ্লব। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাবেক ছাত্রনেতা মো. দেলোয়ার হোসেনকে আহবায়ক, অধ্যাপক ছালাহুদ্দীন মোহাম্মদ ছলিম নিজামীকে সদস্যসচিব এবং শহিদুল ইসলাম, আবুল বশর, মো. নিজাম উদ্দিন, মেসকাত উদ্দিন, কামরুল হাসান আজাদ, শামছু উদ্দিন, জিয়া উল হক জিল্লু, ইসমাইল হোসেন খোকন, সিরাজুল ইসলাম লিটন প্রমূখকে সদস্য করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী একমাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ দেন জেলার নেতৃবৃন্দ।

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ