আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আওয়ামী দু:শাসনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে – আবু সুফিয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, কোটা সংস্কারের শাস্তিপূর্ণ আন্দোলনে পৈশাচিক গণহত্যা চালিয়ে খুনী হাসিনা সরকার স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা কে কলংকিত করেছে। এ অমানবিক ও পৈশাচিকতা দেখে শুধু দেশবাসী নয় বিশ্ববিবেকও আৎকে উঠেছে। আওয়ামী দুঃশাসনে দীর্ঘ ১৫ বছরে বিরোধী দল সহ দেশের মানুষের মধ্যে অবহেলা-অসন্তোষ, দুঃখ-কষ্ট ও ক্ষোভ-ক্রোধ আগ্নেয়গিরির লাভার মতো সঞ্চিত হয়েছে যা ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে বিস্ফোরিত হয়েছে। আমাদের প্রিয়নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘সংগ্রামী জনতার পরাজয় ইতিহাসে নেই’। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে মুক্তিকামি জনতার বিজয় হয়েছে আর ক্ষমতালিপ্সু, দাম্ভিক হাসিনা পদত্যাগ করে পালাতে বাধ্য হয়েছে। এখন খুনি শেখ হাসিনাকে দেশে এনে অতি দ্রুত বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে।

তিনি আরোও বলেন, ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগের ১৫ বছরের ইতিহাস, অত্যাচার-নিপীড়ন-শোষণের ইতিহাস। গুম-খুন-হত্যা-লুটপাট-চাঁদাবাজি-নৈরাজ্যের ইতিহাস। আওয়ামী দু:শাসনে সাধারণ জনগণ একেবারেই শেষ হয়ে গেছে, ভালো ছিল গুটি কয়েক দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী, সরকার দলীয় লুটেরা রাজনীতিবিদ ও দখলদার-মজুতদার ব্যবসায়ীরা। বাংলার মানুষ আওয়ামী দুঃশাসন থেকে মুক্তি চেয়েছিল। গুম-খুন থেকে মুক্তি চেয়েছিল। লুন্ঠিত ভোটাধিকার সহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ফেরত চেয়েছিল। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের ধৈর্য্য ধারণ করে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।

আজ ১৫ আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২টায় নগরীর বহদ্দারহাট চত্বরে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালিয়ে গণহত্যাকারী খুনি হাসিনা সহ তার দোসরদের বিচারের দাবিতে চান্দগাঁও থানা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘অবস্থান কর্মসূচীতে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অবস্থান কর্মসূচীতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম
চান্দগাঁও থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন ভুইয়ার সভাপতিত্বে থানা যুবদলের আহবায়ক গোলজার হোসন এর সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচী তে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. আসলাম, ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী ইলিয়াস শেকু, হাজী আইয়ুব, ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, আফিল উদ্দিন আহমেদ, শাহনওেয়াজ চৌধুরী মিনু, বিএনপি নেতা ইলিয়াছ আলী, সালামত আলী, হাজী আবু বক্কর, এম এ হামিদ দিদার, হারুন সওঃ, দানু সওঃ, নুরুল আমিন, এম. আবু বক্কর রাজু, আরফিুল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম, মো. আলমগীর, নুরনবী, আব্দুল নবী, আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম, মাহবুব আলম, মো. আলম, সাজিদ হাসান রনি, মোরশেদ কামাল, নওশাদ আল জাসেদুর রহমান, মো. শহীদুজ্জামান, আব্দুর রহমান আলফাজ, ইউসুফ আলী লিটন, আকতার হোসনে, আবু বক্কর বাবু, ইসকান্দর হোসেন, শফিউল্লাহ মামুন, আলমগীর টিটু, সিরাজুল ইসলাম ইকবাল, মো. বেলাল, আনিসুজ্জামান, মো. হোসেন মাসুম, মিজানুর রহমান সুমন, জালাল উদ্দিন, কাইছার হোসেন, আব্দুল আজিজ, রায়হান আলম, মো. পারভেজ, মো. হাকিম, শহীদুল ইসলাম, মো. মুরাদ, জহিরুল ইসলাম জহির, হোসাইন, সায়মন, মো. মাসুম, কামাল হোসেন খোকন, দেলোয়ার হোসেন খোকা, ইসহাক জয়, আনসিুর রহমান হিরু, আব্দুর রশিদ, সাদ্দাম হোসেন, মনছুর আলম, দেদুল বড়ুয়া, নাজিম উদ্দিন, মো. রুবেল, সাঈদ ইসলাম বাপ্পি, সাফায়াত হোসেন সোহান প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ